১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
বইটি বিদেশি প্রকাশনী বা সাপ্লাইয়ারের নিকট থেকে সংগ্রহ করে আনতে আমাদের ৩০ থেকে ৪০ কর্মদিবস সময় লেগে যেতে পারে।
"দেওয়াল" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা: ‘দেওয়াল’ যে লেখক বিমল কর-এর রচিত দীর্ঘতম উপন্যাস—শুধুমাত্র এ-তথ্যই উল্লেখযােগ্য নয় ; অনেকের মতে, একাধিক সমালােচকের ধারণায়, ‘দেওয়াল’-ই তাঁর শ্রেষ্ঠতম রচনা। ‘শ্রেষ্ঠতম’ কিনা এ-নিয়ে তর্ক চলুক। কিন্তু এতে কোনও সন্দেহ নেই যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিকায় শহর কলকাতা ও নিম্নমধ্যবিত্ত বাঙালী জীবনের এমন নিখুঁত চিত্র বাংলা সাহিত্যে দুর্লভ। ১৯৩৯-৪৫—এই ছ’বছরে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়ংকরতার মধ্যে, বাঙালীর জীবনে যে-সংকট, ভাঙন ও অবক্ষয় দেখা দিয়েছিল, তারই এক বিশ্বস্ত দলিল এই উপন্যাস। যুদ্ধ, ইভ্যাকুয়েশন, আতঙ্ক, ভারত ছাড়াে আন্দোলন, অগাস্ট বিদ্রোহ, বাংলার মন্বন্তর, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, কমিউনিস্টদের ভূমিকা, গান্ধীবাদীদের বিভ্রম ও বিচ্যুতি—প্রভৃতি কীভাবে দ্রুত ঘটে যাচ্ছিল এবং তার প্রকাশ্য ও পরােক্ষ প্রভাবে আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের ন্যায়নীতিরােধ,লালিত বিশ্বাস, পারস্পরিক সম্পর্কের অন্তরঙ্গতা ও শুচিতার ধারণাগুলি কেমনভাবে—কোন্ দানবের হিংস্র আঁচড়ে—ক্ষতবিক্ষত হচ্ছিল, তারই এক অসামান্য কাহিনী এই ‘দেওয়াল’ । পাশাপাশি, সেইসব মানুষেরও কথা, এত বিশৃঙ্খলা ও বিপর্যয়ের মধ্যে, হাহাকার সত্ত্বেও, যাঁরা মানবিকতা সম্বল করে। উত্তীর্ণ হতে চেয়েছেন এই সংকট। ‘দেওয়াল’ নামের এই দীর্ঘ উপন্যাস বিমল কর রচনা করেছিলেন তাঁর যৌবন বয়সে । তবু, নিঃসন্দেহে বলা যায়, জীবনের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও বাস্তববােধের এমন সমন্বয় তাঁর পরবর্তী কোনও রচনাতেই যেন দেখা যায় না। বাঙালী। জীবনের বিশেষ এক অভিশপ্ত সময়ের সার্থক দলিল হলেও এই উপন্যাসটি সময় ও নিছক সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র নয়, সেই সংকীর্ণ সীমানা অতিক্রম করে মানবজীবনের বিশ্বস্ত কাহিনী রূপেই শেষাবধি স্মরণীয় হয়ে থাকবে ‘দেওয়াল’।
বিমল করের জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮, ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গােমাে, ধানবাদ, আসানসােল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন : ১৯৪২ সালে এ.আর.পি.-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসােলে মিউনিশান প্রােডাকশন ডিপােয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে '৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। আকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছােটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা ।