১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
আমাদের বাড়িতে একজন জমিদার আছেন। যাকে কিনা পরিবারের সবাই মেনে চলে। তার হ্যাঁ’তে হ্যাঁ এবং না’তে না মিলান। তবে তিনি শুধু ভয় পান তার একমাত্র মামুনিকে। ঠিক ভয় পান না। সম্মান করেন খুব। সে তার মামুনির পুরো ভক্ত। এই পৃথিবীতে সবার আগে তার মামুনি তারপর অন্যকিছু। ছোট থেকে আমি তাকে বড় চাচির অবাধ্য হতে কোনদিন দেখিনি।। সে আমাদের শ্রদ্ধেয় ফরহাদ ভাই। কিন্তু তাকে আমি দুচোখে দেখতে পারিনা। কারণ একটাই উনি আমার সব বিষয়ে নাক গলান। যেমন সেদিন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড তাবি আমাকে নিতে এসেছিল তার জন্মদিন পার্টিতে কিন্তু ফরহাদ ভাই কি করলেন। তাবিকে বাড়িতে ঢুকতেই দিলেন না অজুহাত দেখালেন সবাইকে এই বলে যে তাবির সাথে নাকি অনেক আজেবাজে ছেলে এসেছে আর বাড়িতে অনেক মেয়ে মানুষ আছে কি থেকে কি হয়ে যাবে আবিজাবি। অথচ তাবি তার কাজিনদের নিয়ে এসেছিল। ওইদিন আমি সবার সাথে রাগ দেখিয়ে রুমে এসে অনেক কেদেছি। উনি কে? উনি কেন আমার সব বিষয়ে এত নাক গলান? আমার কি কোন স্বাধীনতা নেই? অথচ আমার বাবা মাও সেটাতে সায় দেন। কেন? কারণ ফরহাদ ভাই এই বাড়ির বড় ছেলে সবার আগে নাকি পৃথিবীতে উনি এসেছেন। দুনিয়া স¤পর্কে ভালো বুজেন আর আমরা মাথায় গোবর নিয়ে জন্মেছি আশপাশ স¤পর্কে আমাদের ধারণা নেই।যতসব আদিখ্যেতা।সহ্য হয়না আমার উনাকে। বাড়িতে আমার মতো আরও ভাইবোন আছে।যেমন আমার ছোট ভাই অরুণ, বড় বোন মুন আপু, বড় চাচার চার ছেলেমেয়ে এক হচ্ছে ফরহাদ ভাই যে কিনা ভাইবোনের মাঝে সবার বড় তারপর তিন বোন আতিফা, মেহেরুন আর মিলি ওরা যমজ। ওরা দুইজন আমার ছোট। দুইজনই নাইনে পড়ে। একজন আরেকজনের পাগল।আতিফাও আমার ছোট সে সিক্সে পড়ে। শুধুমাত্র মুন আপু আর ফরহাদ ভাই আমার বড়। মুন আপুর অনার্স সেকেন্ড ইয়ার, ফরহাদ ভাই মাস্টার্স করছে আর আমি আজকে অনার্স এ ভর্তি হব। সেখানে আমার সাথে যাবে কে?ফরহাদ ভাই! মানা যায়? আশ্চর্য! কোথাও একটু প্রাইভেসি নেই। আমার আর তাবির আগে থেকে প্ল্যান ছিল আমরা একা একা অনার্সে ভর্তি হব সিনিয়রগিরি দেখাব কিন্তু সেখানেও ফরহাদ ভাই বাম হাত ডুকালেন। অসহ্যকর।। খাবার টেবিলে যাওয়ার পর দেখলাম ফরহাদ ভাই নেই। মনে তো আনন্দে নাচানাচি শুরু হয়ে গেছে। যেই নিশ্চিত হওয়ার জন্য বড় চাচিকে জিজ্ঞেস করতে যাব তখনই ফরহাদ ভাই হাজির তাকে দেখে আমি চুপচাপ খাওয়া শুরু করলাম। খাওয়া শেষে ফরহাদ ভাই গম্ভীর মুখে জিজ্ঞেস করলেন, --সব ঠিকঠাক নিয়েছিস?তর জন্য দ্বিতীয়বার বাসায় আসতে পারবনা। আমি মনে মনে বললাম আপনাকে যেতে কে বলছে? কিন্তু আগপিছনে যতই পটর পটর করি ফরহাদ ভাইয়ের সামনে আমি নিজেও ভেজা বিড়াল। ছিঃ মান সম্মান আর থাকল না। ছোট করে উত্তর দিলাম,