১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
হঠাৎ এক বোরকাওয়ালী তার দিকে হেঁটে আসে। সাঈদ ভাই আপনার সাথে কথা আছে, বোরকাওয়ালী বলে।
সাঈদ চমকে ওঠে। মুহূর্তের জন্য সে যেন পাথর হয়ে যায়। তার সাথে বোরকাওয়ালীর কি সম্পর্ক থাকতে পারে। কোনো ফাঁদে আটকা পড়ল ভেবে পায় না। বোরকাওয়ালীর দিকে ফিরে তাকাতে তার আতঙ্ক লাগতে থাকে। কিন্তু গলাটা তার চেনা চেনা লাগে। একটু সাহস সঞ্চয় হয় সাঈদের। ভয়ে ভয়ে বোরকাওয়ালীর দিকে তাকায়। কিছুই চিনতে পারে না। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কে এই বোরকাওয়ালী চেনার চেষ্টা করে।
বোরকাওয়ালী সাঈদের এই অসুবিধা বুঝতে পেরে বোরকার ঘোমটা গলা পর্যন্ত খুলে ফেলে। নিখুঁত এক সুন্দরী তরুণী বোরকা থেকে বেরিয়ে পড়ে। মোলায়েম কণ্ঠে বলে, সাঈদ ভাই আমি সালমা। একথা বলার সাথে সাথে একটা হাসির ফোয়ারা ছোটে।
সাঈদের কাছে মনে হতে থাকে এ সালমা নয়। গ্রিক দেবী আফ্রোদিতি তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। উত্তেজনায় তার গলা শুকিয়ে যায়। সাহায্যের জন্য এদিক ওদিক তাকায়। মুখ দিয়ে তার গলার স্বর বের হতে চায় না। তোতলাতে থাকে। সে নিজেকে সামলাবার চেষ্টা করতে থাকে। একটু সময় লেগে যায়। বলে, আমাকে এভাবে কেন ডেকেছেন বলুন তো?
শো-রুমে কথা বলার তেমন পরিবেশ থাকে না। এই জন্য আপনাকে এখানে ডেকে এনেছি। এভাবে ডাকাতে রাগ করলেন নাকি সাঈদ ভাই?
সাঈদের দিকে একজোড়া সুন্দর চোখে দৃষ্টি মেলে সালমা তাকিয়ে আছে। কিন্তু সাঈদের সেই চোখের দিকে তাকানোর সাহস হয় না। সেদিকে না তাকিয়েই সে হৃদয়ের কথাটা বলে ফেলে, আমার যে কি আনন্দ হচ্ছে সেকথা আপনাকে বলে বোঝাতে পারব না।
সেই ঘটনার পর থেকে প্রতি মুহূর্তে সালমাকে কাছে পাওয়া না পাওয়ার দোলায় দুলতে থাকে। পেয়েও পাওয়া
আশিকুজ্জামান এম.কে. গল্প বলার চেয়ে দেখার ওপর জোর দেন। মানুষ, সম্পর্ক ও অভিজ্ঞতাকে তিনি কাহিনিতে বাঁধেন না; বরং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের ভেতরের গঠন বোঝার চেষ্টা করেন। তাঁর লেখায় আবেগ থাকে, তবে তার সংযত প্রকাশের চেয়ে উপলব্ধি গুরুত্বপূর্ণ।
বিজ্ঞানমনস্ক ভাবনা তাঁর কাজকে প্রভাবিত করে। কারণ ও ফলের সম্পর্ক, মানসিক বিকাশের ধারাবাহিকতা এবং বাস্তবতার সীমা তিনি এড়িয়ে যান না। কল্পনা ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা যুক্তির ভেতরেই অবস্থান করে।
তিনি চিন্তাকে গ্রহণ করেন উৎস থেকে ভাঙা অনুভূতি বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া থেকে নয়। সময়, সমাজ এবং মানুষের অবস্থানকে তিনি বৃহৎ প্রেক্ষিতে দেখেন, যেখানে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাও একটি সামগ্রিক কাঠামোর অংশ হয়ে ওঠে। এই দৃষ্টিই তাঁর লেখাকে স্থায়ী ও ভারসাম্যপূর্ণ করে তোলে।
তিনি পাঠককে আগে ভাবতে শেখাতে চান, তারপর অনুভব করতে। শব্দ তাঁর কাছে প্রদর্শনের মাধ্যম নয় চিন্তাকে স্পষ্ট করার একটি পরিমিত উপায়।