১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে গণমাধ্যমের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আন্দোলনে গণমাধ্যম শুধু খবরের বাহক নয়, বরং জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল। তারা আন্দোলনের প্রতিটি মুহূর্তকে তুলে ধরেছিল, যা জনগণকে আরও সচেতন ও সংগঠিত হতে সাহায্য করেছিল।
জনগণের কণ্ঠস্বর: গণমাধ্যম জনগণের সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেছিল, যা সরকারের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করেছিল।
আন্দোলনের প্রচার: গণমাধ্যম আন্দোলনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রতিবাদকে প্রচার করে জনগণকে একত্রিত করতে সহায়তা করেছিল।
সরকারের দমন-পীড়ন প্রকাশ: সরকারের দমন-পীড়ন ও সহিংসতা গণমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে প্রতিবাদ সৃষ্টি করেছিল।
গণমাধ্যমকর্মীরা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনের খবর সংগ্রহ ও প্রচার করেছিল। অনেক সাংবাদিক পুলিশের হামলা ও গ্রেফতারের শিকার হয়েছিলেন। তাদের সাহস ও আত্মত্যাগ আন্দোলনের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
৭৯.৪৬ মানুষ গণমাধ্যমে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কথা বলেছেন।
৩৮ মানুষ মনে করেন, দেশের গণমাধ্যম স্বাধীন নয়।
৬৭.৬৭ মানুষ গণমাধ্যমকে স্বাধীন দেখতে চান।
৫৯.৯৪ মানুষ নিরপেক্ষ গণমাধ্যমের প্রত্যাশা করেন।
এই পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করে যে জনগণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যমের প্রতি তাদের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
গণমাধ্যম একটি দেশের চতুর্থ স্তম্ভ। তারা সরকারের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও জনগণের মতামত তুলে ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আজকের দিনে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা, যাতে তারা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মজুমদার (Mohammad Abdullah Mozumder) গণতান্ত্রিক, ন্যায়বিচার, মনুষত্ব সম্পন্ন ও অধিকার সচেতন সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণের এক অপ্রতিরোধ্য যোদ্ধা। বিশ্বাস তার একমাত্র অবলম্বন। দুঃখকেই তিনি জীবনের চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিশ্বাস করেন। রক্তের সম্পর্কের বাধঁন ও কোন রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া শুধুমাত্র আত্মনির্ভরশীলতার দায়ে তিনি স্বার্থান্ধ রাজধানীতে টিকে আছেন। তার কোন রাজনৈতিক চাহিদা না থাকলেও সামাজিক বহু দায়বদ্ধতা রয়েছে। অর্থপূর্ণ জীবন ও মানুষ গড়ার শিক্ষাব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেন বিভোর হয়ে। তিনি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর যশপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। পিতা মৌলভী মোহাম্মদ বেলাল মজুমদার আর মা জোসনা আক্তার। মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মজুমদার জীবনবাদী কবি হিসেবে পরিচিত। তার বিভিন্ন লেখনি ও কবিতায় বঞ্চিত মানুষের হাহাকার, বিপ্লব ও মানুষের জীবনবোধের চিত্র ফুটে উঠেছে। এছাড়াও তার শিশুতোষ লেখনি শিশুদের বাস্তব জীবনের তিক্ত সংগ্রামে অভ্যস্ত হবার প্রতি অনুপ্রাণিত করে। ইতোপূর্বে তিনি বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যম, সাপ্তাহিক পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও দৈনিক সংবাদপত্রে কাজ করেছেন বর্তমানে তিনি একটি বাংলা সংবাদপত্রে উপ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।