১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
আমার কথাগুলো আমি এই বইয়ের মাধ্যমেই তুলে ধরেছি। কর্মজীবন সম্পর্কে যা বলেছি, তার বাইরেও আমার শৈশব আছে, আমার কৈশোর আছে। এগুলি বাদ দিলে তো আর জীবনই হয় না। হাতে বেশি সময় পাইনি; কারণ ৬ জুন ২০২৩ তারিখে হৃদযন্ত্র পুনরায় সতর্ক সংকেত দিল- সময় আর নাই বাকি- পাবনা সদর হাসপাতাল আমাকে রেফার্ডপ কেস হিসাবে পাঠিয়ে দিল ঢাকার ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে। সেখানে এক নাগাড়ে ১৪ দিন বেডে চিত হয়ে শুয়ে শুয়ে ভাবলাম- ‘যেদিন দম ফুরাইবে: সেদিন থেকে সব কাজ কর্মশেষ।’ আমার কনিষ্ঠ কন্যা নুসরাত জাবীন সুরভী ইত্যবসরে আমাকে দেখতে বাংলাদেশে এসেছিল সেই প্রথম প্রস্তাব করল : আল্লাহ যদি আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেন; তবে বসে বসে নিজের জীবন কথাটা লিখে ফেলুন। প্রকাশনার বিষয়টি আমার। আল্লাহ পাকের মেহেরবানি তিনি আমাকে এ যাবৎ রেখে দিলেন। আইডিয়াটা কবি আখতার জামানকে বললাম। ছেলেটি আমার অকৃত্রিম স্বভাবী। অধ্যক্ষ জিয়াউল হকের দেয়া উৎসাহও এক্ষেত্রে লেখার জন্য ছিল আর এক অনুপ্রেরণা। বাড়ি থেকে অন্যান্য সদস্যবৃন্দেরও ছিল অকৃত্রিম সহযোগিতা। তাই এ লেখা সম্পন্ন করতে পেরেছি।
যা যা লিখেছি— সম্পূর্ণই আমার মেমোরি থেকে। তবে হিসাব মিলিয়ে দেখেছি- মেমোরি আমাকে খুব কমই বিটরে করেছে। যা কিছুর হিসাব মিলাতে পারিনি সেগুলি লিখিনি। এতে করে জীবনের অনেক কথা না বলাই রয়ে গেছে। তাই প্রথমে এর নামকরণ করতে চেয়ে ছিলাম ‘জীবনের বিন্দু বিষণ্ন’। পরে আইডিয়াটা একটুখানি পরিবর্তন করতে হয়েছে। তাই আমার প্রথম প্রকাশিত গানের বইয়ের নামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এর নাম রাখা হল ‘জীবনের বিন্দু বিসর্গ’। এ জন্য আখতার জামানের প্রতি কৃতজ্ঞ।
এ বইতে যেসব চরিত্র এসেছে তারা অনেকেই ইহজগতে নেই। তাদেরকে নিয়ে ন্যারেটিভ কথাগুলোর সামান্য কিছু উল্লেখ করলেও তাদের নামগুলি উল্লেখ করিনি। এছাড়া আমার নিজের অবস্থাও কখন মরি কখন বাঁচি। যারা আঘাত দিয়েছেন তাদেরকে ক্ষমা করেছি; বিনিময়ে যেন আল্লাহ পাক আমাকেও মাফ করে দেন। এই প্রত্যাশায়।
বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক ও গ্রন্থ রচয়িতা প্রফেসর মো. আব্দুল করিম ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ জুন নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার সিংগারুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আয়েন উদ্দীন ও মাতা কাবেজান বিবি (উভয়ে মরহুম)। তিনি ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে ধামিইরহাটের ফার্সিপাড়া হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে জয়পুরহাট কলেজ থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে যথাক্রমে বি. এ সম্মান ও এম. এ পাস করেন এবং ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এলবি পাস করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.ফিল ডিগ্রী লাভ করেন। প্রফেসর করিম প্রথমে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। অত:পর ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১৮ জানুয়ারি তেকে কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন এবং কর্মব্যাপদেশে রাজশাহী শহরের কাজলায় স্থায়ী হন এবং ২০০৯ খ্রিস্টাব্দের ২৯ জুন রাশশাহী কলেজ তেকে প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধানের পদ তেকে অবসর গ্রহন করেন। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ২০০৭ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত খণ্ডকালীন অধ্যাপনা করেন। প্রফেসর করিম অধ্যাপনার পাশাপাশি গবেষণামূলক গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন এবং এখনও করছেন। তিনি বাংলার ইতিহাসের ওপর একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক। দেশের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় তাঁর ৫০ এরও অধিক গবেষণা প্রবন্ধ বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত সেমিনার – মিম্পোজিয়ামে উপস্থাপিত হয়েছে তাঁর বেশ কিছু প্রবন্ধ। তিনি রাজশাহী বেতারের-বিশিষ্ট বেতার কথিকা রচয়িতা এবং কথক। তাঁর লিখিত ১৭টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়ে বাজারে চলছে। তাঁর বর্তমান গ্রন্থটি বিপুল তথ্যে মসৃদ্ধ এবং গবেষণামুলক রচনা।