১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
গ্রামের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা অপূর্ব সাহেব। বয়সে তরুণ হলেও নৈতিক দৃঢ়তা ও দায়িত্ববোধের কারণে আশপাশের কয়েক গ্রামেই তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়েছে আগেই। কথাবার্তায় সংযম, কাজে নিষ্ঠা। এই দুইয়ের মাঝ দিয়ে যেন সহজেই বোঝা যায় মানুষটি সত্যের পথেই হাঁটেন, এবং সত্যের জন্য যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতেও প্রস্তুত।
নিরিবিলি গ্রামটিতে ও এর আশেপাশে বহুদিন ধরেই যেন নীরবে জমে উঠছে অদ্ভুত কিছু ঘটনার স্তর–স্তর রহস্য। রহিম সাহেবের এলাকায় ঘটে যাওয়া এসব অমীমাংসিত ঘটনার কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। হঠাৎ করেই পাঁচ–ছয়জন মানুষ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ায় রহস্যের জট আরও ঘনীভূত হয়েছে। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে বহুদিন ধরে চলতে থাকা কয়েকটি পরস্পর সংযুক্ত অস্বাভাবিক ঘটনা যেন একটি অদৃশ্য, অপ্রতিরোধ্য জাল।
কিন্তু সেই জালের সূচনা কোথায়, আর শেষই বা কোথায় তা কেউ জানে না। এই সব ঘটনার মাঝে এমন কোনো স্পষ্ট যোগসূত্র নেই, যার সূত্র ধরে রহস্যসমূহকে সম্পূর্ণরূপে মীমাংসা করা যাবে। সব মিলিয়ে গ্রামটির আশেপাশের সকল যেন অচেনা এক অন্ধকারের অন্তরালে নিমজ্জিত, যার সত্য এখনো অধরা। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অপূর্ব সাহেব ঠিক করলেন এলাকার প্রবীণ ব্যক্তি রহিম সাহেবের সঙ্গে কথা বলবেন। বয়সে বয়োজ্যেষ্ঠ হওয়ায় তিনি হয়তো এসব ঘটনার পেছনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন— এই ধারণা থেকেই অপূর্ব সাহেব তাঁকে থানায় তার কক্ষে ডেকে পাঠালেন।
রহিম উদ্দিনের জীবনে যেন শোকই চিরসঙ্গী। সুখের রেখা তার কপালে কোনোদিনই স্থায়ী হয়নি। বহু বছর আগে এক সকালে, তার স্ত্রী নিলীমা ঘর থেকে বেরিয়ে যায় তাদের মেয়ে ইতিকে বিদ্যালয়ে রাখতে। তারপর পরদিন খবর আসে রেললাইনের নিচে পাওয়া যায় বিকৃত এক দেহ, আর পাশে ছড়িয়ে আছে কয়েকটি ছেঁড়া শাড়ির টুকরো। গ্রামের ও আসেপাশের সবাই বলে
মোঃ রিয়াজুল জান্নাত রাফাতের জন্ম ২০০৭ সালের ১৪ এপ্রিল, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ছোট্ট ও নীরব এক গ্রাম বুরুংগিতে। শৈশব থেকেই তিনি নানা প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়েও দৃঢ় মনোবল নিয়ে শিক্ষা ও সৃজনশীলতার পথে এগিয়ে চলেছেন। তার শিক্ষাজীবনের সূচনা বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে, যেখানে তিনি ২০১৩ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে অধ্যয়ন করেন। ২০২৫ সালে তিনি কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। পরবর্তীতে উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনার জন্য তিনি উত্তরবঙ্গের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হন। রাফাত একাধারে একজন তরুণ উপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও প্রকাশক। কৈশোর থেকেই সাহিত্যচর্চার প্রতি তার গভীর অনুরাগ তাকে ধীরে ধীরে লেখালেখির জগতে প্রতিষ্ঠিত করে তোলে। মাত্র পনেরো বছর বয়সে তিনি রচনা করেন তার প্রথম ছোটগল্প "অদৃশ্য বন্ধন" যা তার সাহিত্যজীবনের সূচনা-দ্বার উন্মোচন করে এবং পরবর্তী যাত্রার ভিত্তি দৃঢ় করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার কলম আরও প্রখর, চিন্তাশক্তি আরও সুগভীর হয়ে ওঠে। ইতোমধ্যে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে "কালকুহেলি" আর প্রকাশের অপেক্ষায় আছে "অবসান গন্তব্য"-যা কালকুহেলী ন্যারেটিভ ইউনিভার্সের ধারাবাহিক উপন্যাসগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে। তার লেখালেখির মাধ্যমে মানুষ ন্যায়ের পথে চলার শিক্ষা পায় এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা লাভ করে। রাফাত সর্বদা চেষ্টা করেন তার কলমকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ব্যবহার করতে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাকে বহু সমালোচনা ও বিরূপ মন্তব্য সহ্য করতে হয়েছে, তবুও তিনি থেমে যাননি। আল্লাহ তায়ালা তাকে সহায়তা করছেন- এই অটুট বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করে তিনি নির্ভয় ও নির্দ্বিধায় নিজের মনের ভাব প্রকাশ করে যান, সত্যকে সাহসের সাথে তুলে ধরেন তার লেখার প্রতিটি অক্ষরে। যদিও তার প্রকাশিত গ্রন্থের চেয়ে অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপির সংখ্যা বেশি, তিনি চান সেগুলো সময়ের পরিক্রমায় একে একে পাঠকের সামনে উন্মোচিত হোক। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি নবীন লেখকদের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য উদ্যোগ হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন "নির্বিশঙ্ক প্রকাশনী" যা মূলত সুপ্ত প্রতিভাবান তরুণদের সাহিত্যজগতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি সৃজনধর্মী প্রতিষ্ঠান। তার পিতা একজন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ও বর্তমানে আইনজীবী, আর মা একজন সাধারণ গৃহিণী। পরিবার থেকে পাওয়া শিক্ষাই তাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন করেছে। রাফাতের লক্ষ্য কেবল সাহিত্যসৃষ্টি নয়- তিনি চান বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারক ও বাহক হতে। তার স্বপ্ন, কলমের শক্তিকে ব্যবহার করে সমাজে ন্যায়ের, সত্যের ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে দেওয়া।