শরীরবিজ্ঞান Physiology হলো জীবদেহ
কীভাবে কাজ করে, তার রসায়ন ও পদার্থবিদ্যা নিয়ে অধ্যয়ন-যা কোষ থেকে শুরু করে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও তন্ত্রের কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করে এবং সুস্থ অবস্থায় শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ও অসুস্থতায় কী ঘটে তা বুঝতে সাহায্য করে। এটি মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ (যেমন মস্তিষ্ক, হার্ট, ফুসফুস) এবং তাদের সমন্বিততন্ত্র (যেমন-স্নায়ুতন্ত্র, রক্তসংবহনতন্ত্র) কীভাবে একসাথে কাজ করে তা নিয়ে আলোচনা করে।
শরীরবিজ্ঞানের মূল বিষয়:
কোষ থেকে তন্ত্র: শরীরবিজ্ঞান কোষ (Cell)
থেকে শুরু করে কলা (Tissue), যন্ত্র (Organ), তন্ত্র (System) এবং পুরো দেহ (Body) পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে জীবের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে।
হোমিওস্ট্যাসিস (Homeostasis):
এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ পরিবেশকে স্থিতিশীল রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝায়, যা সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
অঙ্গ ও তন্ত্র: মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি, যকৃৎ, পাকস্থলি ইত্যাদি প্রধান অঙ্গগুলো কীভাবে কাজ করে এবং স্নায়ুতন্ত্র, পরিপাকতন্ত্র, শ্বসনতন্ত্রের মতো অঙ্গতন্ত্রগুলো কীভাবে একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে, তা শরীরবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়।
শারীরস্থান (Anatomy) ও শরীরবিজ্ঞান
(Physiology)-এর পার্থক্য:
শারীরস্থান (Anatomy): এটি মানবদেহের গঠন ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অবস্থান নিয়ে আলোচনা করে (যেমন-কোথায় হৃৎপিণ্ড অবস্থিত, তার আকৃতি কেমন)।
শরীরবিজ্ঞান (Physiology): এটি সেই
অঙ্গগুলো কীভাবে কাজ করে তা ব্যাখ্যা করে (যেমন- হৃৎপিণ্ড কীভাবে রক্ত পাম্প করে)। সংক্ষেপে, শরীরবিজ্ঞান হলো জীবদেহের "কীভাবে" প্রশ্নটির উত্তর খোঁজা এবং কোষের অনু থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ মানবদেহ পর্যন্ত সবকিছুর কার্যপ্রণালী বোঝা।