রিচার্জেবল ফ্যানে ৬৫% পর্যন্ত ছাড়, মাত্র ৩২৯৳ থেকে শুরু!
রিচার্জেবল ফ্যানে ৬৫% পর্যন্ত ছাড়, মাত্র ৩২৯৳ থেকে শুরু!
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 12 May 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
এই যে দেখছেন বইয়ের নামের নিচে বড় করে লেখকের নাম জ্বলজ্বল করছে। আসলে কিন্তু বইটি তার নয়। প্রচ্ছদে প্রকাশনীর নামটাও সুন্দর ফুটে রয়েছে, তারাও এর মালিক নন। বইটি আসলে কাদের, জানেন? এই বইটি শুধুই অদ্বিতীয়াদের। অদ্বিতীয়ার পরিচয় কী? কারা সেই সৌভাগ্যবতী, যাদের সামনে শ্রদ্ধায় নুয়ে আসে দৃষ্টি? যাদের মর্যাদার কথা শুনলেও মনে ঈর্ষা জাগে জগতের সব বিবেকবান মানুষের?
এই মানুষটি হয়তো আপনি। কিংবা আপনার বোন, বান্ধবী, আত্মীয়া, পাড়া-প্রতিবেশী অথবা পরিচিতা কেউ। বস্তুত, আমাদের চারপাশেই তাদের অবস্থান। দিন যত যাচ্ছে, জুলুমের এই জগতে তাদের সংখ্যা শুধু বেড়েই চলেছে। তাদের জীবনের সংগ্রামের কথা আমরা হয়তো জানি। হয়তো জানি না। কিন্তু দুদিনের এই পৃথিবীতে তাদের সংগ্রামের সহযোদ্ধা হতে না পারি, সমব্যথী হতে তো কেউ বাধা দিচ্ছে না। তাই, তাদের জন্য এই ক্ষুদ্র উপহারটুকু।
আমার স্বপ্ন বিশাল। দেশের প্রতিটি অদ্বিতীয়া, অপরাজিতার কাছে এই ক্ষুদ্র উপহারটুকু পৌঁছে যাবে, এই আমার চাওয়া। এই কথাগুলো হয়তো আজ অবাস্তব মনে হচ্ছে। তবে, সর্বশক্তিমান রবের কাছে তো কিছুই অসম্ভব নয়।
একদিন আমরা থাকব না। কিন্তু মুসলিমবঙ্গ সেদিন আর ধূসর-ম্লান রইবে না। সেদিনের মুসলিমবঙ্গের জমিন হবে উর্বর, সবুজ। সেদিন আর কোনো অদ্বিতীয়া হবে না জালিমদের সহজ শিকার। সেদিন আর অপরাজিতাদের মুখ মলিন হবে না অন্ধ চামচিকাদের খোঁটায়। নোংরা পরজীবীরা সেদিন আর দুঃসাহস দেখাবে না অনন্যাদের ক্ষতি করার। বহু আকাঙ্ক্ষার সেই দিনটির সূর্যোদয়ের কত দেরি পাঞ্জেরি?
একেবারেই সাধারণ গ্রামীণ জীবনে আমার বেড়ে ওঠা। ছোটবেলা থেকেই বইয়ের প্রতি আমার নেশা ছিল প্রচণ্ড। পাঠ্যবইয়ের নিচে লুকিয়ে রেখে কত যে বই পড়তাম! তারপর একসময় ঢাকার এক পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে চান্স পেলাম। ওই সময়টাতেই সর্বপ্রথম নাস্তিকদের বিভিন্ন ব্লগে, ভিডিওতে ছড়ানো হরেক রকমের প্রোপাগান্ডার মুখোমুখি হই, যা হাজারো তরুণের মতো আমার স্বল্প জ্ঞানের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত বিশ্বাসকেও টলিয়ে দিয়েছিল। আল্লাহর করুণা, শেষ পর্যন্ত 'প্যারাডক্সিকাল সাজিদ'-এর মতো বই বের হয়, এদেশের ইসলামি সাহিত্যে যার গুরুত্ব অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে আমার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে 'ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' বইটি। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, প্রাণপ্রিয় শামসুল আরেফিন শক্তি ভাইয়ের মানুষকে কনভিন্স তার সাথে এটাও স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, শক্তি ভাইয়ের শক্তিমান সব লেখা ও কথার প্রভাবেই এই বইটি লেখা হয়েছে। তবে আমার বা বইয়ের যত ভুলত্রুটি-তার সঙ্গে শামসুল আরেফিন ভাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এ ছাড়াও এই বইটি লেখার পেছনে জাগতিক কোনো উদ্দেশ্য আমার নেই। আল্লাহই সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞ।