১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন স্ব-সমাজ ও মানুষের প্রতি বরাবরই দায়বদ্ধ। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মু্ক্তিযুদ্ধ তাঁর অন্যতম প্রধান উপজীব্য বিষয়। আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির উত্তাধিকার এবং ঐতিহ্য বিনির্মানে তিনি সচেতন এবং ইতিহাসমস্ক। বর্তমান উপন্যাসে নরনারীর সম্পর্ক, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং নারীর মানবিক মূল্যবোধ চমৎকারভাবে পরিবৃত হয়েছে। প্রশান্তি ‘আনবিক আাঁধার’ উপন্যাসের কেন্দ্রিয় চরিত্র। তার আছে বিবেক ও নৈতিকমূল্যবোধ। সে দেখে তার চারপাশের বিমানবিকতা, আর প্রতিনিয়ত তার স্বপ্ন ভাঙে এবং সে নতুনভাবে মানবিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। স্বামীর নির্দয়তা, অমনোযোগ পারিপাশ্বর অবহেলা তাকে দবায়িত্ববোধ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলোর উন্নয়ন ঘটে প্রশান্তিকে কেন্দ্র করে। তিনি পাঠককে নিয়ে যান এমন এক সমাজ ব্যবস্থায় সেখান থেকে পাঠক উঠে আসতে চায় এক মানবিক পৃথিবীতে। এই উপন্যাস বাঙালি নারীর সামাজিক দলিল। এমনিকি বৈশ্বিক প্রেক্ষিত বিবেচনায় ‘আনবিক আাঁধার’ আমাদের ভয় পাইয়ে দেয় জীবন এমনই এভাবেই বাঁচতে হবে। কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন স্ব-সমাজ ও মানুষের প্রতি বরাবরই দায়বদ্ধ। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মু্ক্তিযুদ্ধ তাঁর অন্যতম প্রধান উপজীব্য বিষয়। আবহমান বাঙালি সংস্কৃতির উত্তাধিকার এবং ঐতিহ্য বিনির্মানে তিনি সচেতন এবং ইতিহাসমস্ক। বর্তমান উপন্যাসে নরনারীর সম্পর্ক, নারীর প্রতি সহিংসতা এবং নারীর মানবিক মূল্যবোধ চমৎকারভাবে পরিবৃত হয়েছে। প্রশান্তি ‘আনবিক আাঁধার’ উপন্যাসের কেন্দ্রিয় চরিত্র। তার আছে বিবেক ও নৈতিকমূল্যবোধ। সে দেখে তার চারপাশের বিমানবিকতা, আর প্রতিনিয়ত তার স্বপ্ন ভাঙে এবং সে নতুনভাবে মানবিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। স্বামীর নির্দয়তা, অমনোযোগ পারিপাশ্বর অবহেলা তাকে দবায়িত্ববোধ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না। উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলোর উন্নয়ন ঘটে প্রশান্তিকে কেন্দ্র করে। তিনি পাঠককে নিয়ে যান এমন এক সমাজ ব্যবস্থায় সেখান থেকে পাঠক উঠে আসতে চায় এক মানবিক পৃথিবীতে। এই উপন্যাস বাঙালি নারীর সামাজিক দলিল। এমনিকি বৈশ্বিক প্রেক্ষিত বিবেচনায় ‘আনবিক আাঁধার’ আমাদের ভয় পাইয়ে দেয় জীবন এমনই এভাবেই বাঁচতে হবে।
২১টি উপন্যাস, ৭টি গল্পগ্রন্থ ও ৪টি প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। সমকালীন রাজনৈতিক সংকট ও দ্বন্দ্বের উৎস ও প্রেক্ষাপট উঠে এসেছে সেলিনা হোসেন এর বই সমূহ-তে। সেলিনা হোসেন এর বই সমগ্র অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, রুশসহ একাধিক ভাষায়। প্রবীণ এ লেখিকা ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর কর্মজীবন থেকে অবসর নেন। সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালের ১৪ই জুন রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। আদি পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীতে হলেও সেখানে বেশি দিন থাকা হয়নি তার। চাকরিসূত্রে তার বাবা রাজশাহী চলে এলে সেটিই হয়ে ওঠে সেলিনার শহর। স্থানীয় এক বালিকা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করে রাজশাহী মহিলা কলেজে ভর্তি হন। ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য পড়তে ভালোবাসতেন তিনি। আর ভালোবাসার টানে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। এখান থেকেই স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমির গবেষণা সহকারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন সেলিনা হোসেন। এরপর সরকারি কলেজে শিক্ষকতা এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনেও কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি পত্রপত্রিকার জন্য চালিয়ে গেছেন তার কলম। টানা ২০ বছর তিনি ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমির প্রথম নারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেলিনা হোসেন মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস রচনা করে পাঠকমনে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার রচিত মুক্তযুদ্ধ বিষয়ক কালজয়ী উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নিয়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্রও। ‘যাপিত জীবন’, ‘ক্ষরণ’, ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’, ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’, ‘যুদ্ধ’, ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ (তিন খণ্ড) ইত্যাদি তার জনপ্রিয় উপন্যাস। ‘স্বদেশে পরবাসী’, ‘একাত্তরের ঢাকা’, ‘ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন’ ইত্যাদি তার জনপ্রিয় প্রবন্ধ। কিশোরদের জন্য তিনি লিখেছেন ‘কাকতাড়ুয়া’, ‘চাঁদের বুড়ি পান্তা ইলিশ’, ‘আকাশ পরী’, ‘এক রূপোলি নদী’ সহ বেশ কিছু সুপাঠ্য গ্রন্থ। সাহিত্যাঙ্গনে এই অনবদ্য অবদানের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে। এছাড়াও তিনি ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’, ‘রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কার’, ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ সহ অসংখ্য পদক পুরস্কার পেয়েছেন।