‘অক্ষর ৫২’ সিরিজের বাংলা লিখিত সহায়িকা বইটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আসা বর্ণনামূলক বা লিখিত অংশের প্রস্তুতির জন্য একটি বিশেষায়িত গাইড। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের সমন্বয়ে এটি সাজানো হয়েছে।
নিচে বইটির বিষয়বস্তুর একটি সংক্ষিপ্ত সামারি দেওয়া হলো:
১. পাঠ্যবই (সাহিত্যপাঠ ও সহপাঠ) ভিত্তিক অংশ
বইটিতে এইচএসসি সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ গল্প ও কবিতাগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়:
মূলভাব ও সারমর্ম: প্রতিটি অধ্যায়ের মূল কথা অল্প কথায় গুছিয়ে লেখার কৌশল।
ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন: গল্পের বিশেষ কোনো উক্তি বা কবিতার চরণের অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা।
চরিত্র বিশ্লেষণ: সহপাঠের (সিরাজউদ্দৌলা ও লালসালু) প্রধান চরিত্রগুলোর বৈশিষ্ট্য ও তাৎপর্য।
২. ব্যাকরণ ও নির্মিতি অংশ
লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য এই অংশটি খুবই কার্যকর:
বানান ও বাক্য শুদ্ধিকরণ: সচরাচর ভুল হওয়া শব্দের সঠিক রূপ এবং অশুদ্ধ বাক্যকে শুদ্ধ করার নিয়ম।
অনুবাদ (Translation): ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদের সঠিক শৈলী।
পরিভাষা: গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ।
৩. সৃজনশীল লিখন দক্ষতা
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় সীমিত জায়গায় কার্যকর উত্তর লেখার কৌশল এখানে শেখানো হয়:
সারাংশ ও সারমর্ম: মূল অনুচ্ছেদ থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে সারকথাটি বের করে আনা।
ভাবসম্প্রসারণ: নির্দিষ্ট কোনো প্রবাদ বা চরণের গূঢ় অর্থ বিশ্লেষণ।
অনুচ্ছেদ লিখন: সমসাময়িক বা সাহিত্যভিত্তিক বিষয়ের ওপর সংক্ষিপ্ত ও তথ্যবহুল প্যারাগ্রাফ।
৪. বিগত বছরের প্রশ্ন ও সমাধান
বইটির অন্যতম শক্তি হলো এর প্রশ্ন ব্যাংক:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (DU) লিখিত পদ্ধতি চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত আসা সকল বাংলা প্রশ্নের সমাধান।
অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের (যেমন: জবি, রাবি) লিখিত প্রশ্নের ধরন এবং সেগুলোর আদর্শ উত্তর।
বইটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য
সীমিত জায়গায় উত্তর: পরীক্ষার খাতায় যতটুকু জায়গা দেওয়া হয়, ঠিক ততটুকু জায়গার মধ্যে কীভাবে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার মতো উত্তর লিখতে হয়, তা এতে দেখানো হয়েছে।
টু-দ্য-পয়েন্ট উত্তর: কোনো প্রকার অপ্রাসঙ্গিক কথা না লিখে সরাসরি উত্তরের মূল পয়েন্টগুলো তুলে ধরা হয়েছে।
প্র্যাকটিস সেট: শিক্ষার্থীদের নিজে নিজে অনুশীলনের জন্য পর্যাপ্ত মডেল টেস্ট।