
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
মিসির আলি বেস্ট
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ একটি বই। মিসির আলি চমৎকার ভাবে সমস্যার সমাধান করেছে। আমি তো ভাবতেও পারিনি যে শেষটা এমন হবে। হুমায়ূন আহমেদের সেরা একটি বই।
Was this review helpful to you?
or
Amazing
Was this review helpful to you?
or
আমি মনে করি মিসির আলি নিয়ে একটি ওয়েব সিরিজ তৈরি করা উচিত। মিসির আলি সিরিজ থ্রীলার, ভৌতিক, ডিটেকটিভ, রহস্য, এডভেঞ্চার, ড্রামা সবকিছুরই ভাইব দেয়। কহেন কবি কালিদাস ও তেমনই একটি উপন্যাস।
Was this review helpful to you?
or
মিসির আলি সিরিজ এর একটি অসাধারণ বই । একজন মেধাবী এবং রূপবতী মেয়ে সিরিয়ালি কিলিং এর গল্প নিয়েই লেখা বইটি
Was this review helpful to you?
or
Just fascinating one
Was this review helpful to you?
or
মিসির আলি ক্যারেক্টর টাই এত পছন্দের। মীমাংসিত রহস্যের বইগুলো অতিরিক্ত সুন্দর
Was this review helpful to you?
or
Not
Was this review helpful to you?
or
Good
Was this review helpful to you?
or
Love the service
Was this review helpful to you?
or
just loved it😘
Was this review helpful to you?
or
সায়রা বানু জটিল সমস্যা নিয়ে এসেছেন মিসির আলির কাছে। একটি চিঠিতে তার সমস্যার কথা লিখে মিসির আলিকে দিয়ে গেছেন তিনি । কেমিস্ট্রির শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার বড় মেয়ে সায়রার নাম রেখেছিলেন মিথেন আর ছোট মেয়ের নাম ইথেন ।হাবিবুর রহমান একদিন তার দুই মেয়েকে ডেকে নিয়ে জানালেন ইবলিশ শয়তান তাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে ।এসব কিছুই সায়রা বানুর চিঠি থেকে জানতে পারলেন মিসির আলি । চিঠিতে সায়রা বানু বোন ইথেন সম্পর্কেও ভয়াবহ সব কথা লিখেছে ।ইবলিশ শয়তান ইথেনকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল, সায়রা বানু নিজেও ইবলিশকে দেখেছেন কয়েকবার , ইবলিশের সাথে তার কথাও হয়েছে ।ইবলিশের চেহারার ভয়ঙ্কর বর্ণনাও রয়েছে চিঠিতে । মিসির আলী বেশ কিছু মিথ্যা খুঁজে পেলেন সায়রা বানুর চিঠিতে, তাকে কনফিউজ করতেই মিথ্যাগুলো যেন চিঠিতে ইচ্ছে করেই ঢুকানো হয়েছে। আর এই মিথ্যাগুলো থেকেই মিসির তার আলি সমাধান বের করে ফেললেন । মিসির আলির এ বইটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে । বইয়ের শেষ চ্যাপ্টারে রহস্য উন্মোচনের সাথে পাঠকের কাছে বইয়ের পুরো গল্পটাও বদলে যাবে ।
Was this review helpful to you?
or
মিসির আলি, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় রহস্যময় চরিত্র। মিসির আলী কাহিনীগুলো রহস্যমাত্রিক। মিসির আলির কাহিনীগুলো ঠিক গোয়েন্দা কাহিনী নয়, কিংবা 'ক্রাইম ফিকশন' বা 'থ্রিলার'-এর মতো খুনি-পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া নয়, কিংবা বরং মনস্তাত্ত্বিক, বিজ্ঞাননির্ভর এবং প্রচন্ড যুক্তিনির্ভর কাহিনীর বুনটে বাঁধা। বরং অনেক ক্ষেত্রে একে রহস্যগল্প বলা চলে। চারিত্রিক দিক দিয়ে মিসির আলি চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের আরেক অনবদ্য সৃষ্টি হিমু চরিত্রটির পুরোপুরি বিপরীত। তরুণ হিমু চলে প্রতি-যুক্তির (anti-logic) তাড়নায় ; অপরপক্ষে বয়োজ্যেষ্ঠ মিসির আলি অনুসরণ করেন বিশুদ্ধ যুক্তি (pure logic)। এই যুক্তিই মিসির আলিকে রহস্যময় জগতের প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটনে সাহায্য করে। সেসব কাহিনীর প্রতিফলন ঘটেছে মিসির আলি সম্পর্কিত প্রতিটি উপন্যাসে। মিসির আলীর অন্যতম একটি অসাধারণ উপন্যাস ’কহেন কবি কালীদাস’। উপন্যাসের কাহিনীর শুরু এভাবে, সায়রা বানু একটি চিঠিতে তার সমস্যার কথা লিখে মিসির আলিকে দিয়ে গেছেন। কেমিস্ট্রির শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার বড় মেয়ে সায়রার নাম রেখেছিলেন মিথেন আর ছোট মেয়ের নাম ইথেন ।হাবিবুর রহমান নিশ্চিত যে, ইবলিশ শয়তান তাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। সায়রা বানুর চিঠির বিষয়বস্তু মূলত এটিই।কিন্তু সায়রা বানুর চিঠিটি পড়ে মিসির আলী বেশ কিছু মিথ্যার অস্তিত্ব খুঁজে পেলেন। তাকে বিভ্রান্ত করতেই যেন মিথ্যাগুলো চিঠিতে ইচ্ছে করেই ঢুকানো হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো প্রায় ক্লুলেস এই কেসটির সমাধান করতে মিসির আলীকে তেমন একটা কষ্টই করতে হলো না। এই মিথ্যাগুলো থেকেই তিনি সায়রা বানুর জটিল সমস্যার সমাধান বের করে ফেললেন ।
Was this review helpful to you?
or
amr bolar kichui na. Ekta kothai bolbo j misir Ali always rockssss💕
Was this review helpful to you?
or
মিসির আলী হঠাৎ একটা চিঠি পেলো, সায়রা বানু নামে এক মহিলা তাকে চিঠি লিখেছে। চিঠিতে লেখা সায়রা বানু তার বাবার কথা লিখেছেন, তাদের ২ বোনের নাম মিথেন এবং ইথেন। তারা যথাক্রমে একসাথে বড় হয়েছে। কিন্তু চিঠির মধ্যে ইবলিশ শয়তান নিয়ে অনেক গুলো আজগুবি কথাবার্তা লিখেছেন, কিন্তু মিসির আলী তো যুক্তিনির্ভর একজন মানুষ তাই তিনি খুব সহজেই চিঠিগুলো থেকে মিথ্যা আলাদা করে ফেললেন এবং সমস্যা ধরে সমাধান করে ফেললেন। কি ছিলো তাহলে সেই সমস্যা? আর মিথ্যা কথাগুলো কেন বলেছিলেন সায়রা বানু?
Was this review helpful to you?
or
#রকমারি_রিভিউ_প্রতিযোগ_এপ্রিল বইঃ কহেন কবি কালিদাস লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ, ক্যাটাগরিঃ সমকালীন উপন্যাস, মুল্যঃ১২৩ টাকা লেখক পরিচিতিঃ হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ – ১৯ জুলাই, ২০১২) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। তিনি বিংশ শতাব্দীর জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বলে গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। অন্য দিকে তিনি আধুনিক বাংলা বৈজ্ঞানিক কল্পকহিনীর পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। বই আলোচনাঃ সন্ধ্যা হয়-হয় করছে। এখনো হয় নি। আকাশ মেঘালা। ঘরের ভেতর অন্ধকার। সন্ধ্যা লগ্নে ঘর অন্ধকার থাকা অলক্ষণ। মিসির আলি লক্ষণ-অলক্ষণ বিচার করে চলেন না। চেয়ার ছেড়ে উঠতে তাঁর আলস্য লাগছে বলে। ঘরে বাতি জ্বালানো হয় নি। তিনি খানিকটা অস্বস্তির মধ্যেও আছেন। তার সামনে যে-তরুণী বসে আছে, অস্বস্তি তাকে নিয়েই। আপাদমস্তক বোরকায় ঢাকা। এতক্ষণ সে বোরকার ভেতর থেকে কথা বলছিল, কিছুক্ষণ আগে মুখের সামনের পরদা তুলে দিয়েছে। মিসির আলি ধাক্কার মতো খেয়েছেন। এমন রূপবতী মেয়ে তিনি খুব বেশি দেখেছেন বলে মনে করতে পারছেন না। লম্বাটে মুখ। খাড়া নাক। লিপস্টিকের বিজ্ঞাপন হতে পারে এরকম পাতলা ঠোঁট! বড় বড় চোখ; চোখের পল্লব দীর্ঘ। তবে এই দীর্ঘ পল্লব নকলও হতে পারে। এখনকার মেয়েরা নকল পল্লব চোখে পরে। বরফি কাটা চিবুক। চিবুকে লাল তিল দেখা যাচ্ছে। এই তিলও মনে হয় নকল। আমার নাম সায়রা। সায়রা বানু। মিসির আলি মনে-মনে কয়েকবার বললেন–সায়রা, সায়রা। তীর ভুরু সামান্য কুঁচকে গেল। কেন তিনি মনে-মনে মেয়েটির নাম নিলেন তা বুঝতে পারলেন না। তিনি কি মেয়েটির নাম মনে রাখার চেষ্টা করছেন? এই কাজটি তিনি কেন করলেন? মেয়েটির অস্বাভাবিক রূপ দেখে? একটি কুরূপা মেয়ে যদি তার নাম বলত তিনি কি মনে-মনে তার নাম জপতেন? বাবার ঘর অন্ধকার। দরজা-জানালা বন্ধ। ঘরের বাতি নেভানো। তবে জায়নামাজের পাশে মোমবাতি জ্বলছে। ঘরে আগরবাতির গন্ধ। আগরবাতি দেখা যাচ্ছে না। তবে জুলছে নিশ্চয়ই। তিনি মোমবাতির দিকে পেছন ফিরে তসবি টানছিলেন। আমি তার সামনে বসতেই তিনি আমার দিকে ফিরলেন। পেছন থেকে মোমবাতি এনে দুজনের সামনে রাখতে–রাখতে বললেন, যে জটিল কথাটা বলতে এসেছিস বলে ফেল। কী বলবি সেটা মনে হয় আমি জানি। মোমবাতির আলোতে বলতে অসুবিধা হলে মোমবাতি নিভিয়ে দিই। পাঠ্য প্রতিক্রিয়াঃ মিসির আলি, বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় রহস্যময় চরিত্র। মিসির আলি কাহিনীগুলো রহস্যমাত্রিক। মিসির আলির কাহিনীগুলো ঠিক গোয়েন্দা কাহিনী নয়, কিংবা 'ক্রাইম ফিকশন' বা 'থ্রিলার'-এর মতো খুনি-পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়া নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক, বিজ্ঞাননির্ভর এবং প্রচন্ড যুক্তিনির্ভর কাহিনীর বুনটে বাঁধা। বরং অনেক ক্ষেত্রে একে রহস্যগল্প বলা চলে। চারিত্রিক দিক দিয়ে মিসির আলি চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের আরেক অনবদ্য সৃষ্টি হিমু চরিত্রটির পুরোপুরি বিপরীত। তরুণ হিমু চলে প্রতি-যুক্তির তাড়নায়, অপরপক্ষে বয়োজ্যেষ্ঠ মিসির আলি অনুসরণ করেন বিশুদ্ধ যুক্তি। এই যুক্তিই মিসির আলিকে রহস্যময় জগতের প্রকৃত স্বরূপ উদঘাটনে সাহায্য করে। সেসব কাহিনীর প্রতিফলন ঘটেছে মিসির আলি সম্পর্কিত প্রতিটি উপন্যাসে। তাই প্রতিটি গল্প অসাধারণ এক কথায়।
Was this review helpful to you?
or
সায়রা বানু জটিল সমস্যা নিয়ে এসেছেন মিসির আলির কাছে। একটি চিঠিতে তার সমস্যার কথা লিখে মিসির আলিকে দিয়ে গেছেন তিনি । কেমিস্ট্রির শিক্ষক হাবিবুর রহমান তার বড় মেয়ে সায়রার নাম রেখেছিলেন মিথেন আর ছোট মেয়ের নাম ইথেন ।হাবিবুর রহমান একদিন তার দুই মেয়েকে ডেকে নিয়ে জানালেন ইবলিশ শয়তান তাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে ।এসব কিছুই সায়রা বানুর চিঠি থেকে জানতে পারলেন মিসির আলি । চিঠিতে সায়রা বানু বোন ইথেন সম্পর্কেও ভয়াবহ সব কথা লিখেছে ।ইবলিশ শয়তান ইথেনকে হত্যার হুমকিও দিয়েছিল, সায়রা বানু নিজেও ইবলিশকে দেখেছেন কয়েকবার , ইবলিশের সাথে তার কথাও হয়েছে ।ইবলিশের চেহারার ভয়ঙ্কর বর্ণনাও রয়েছে চিঠিতে । মিসির আলী বেশ কিছু মিথ্যা খুঁজে পেলেন সায়রা বানুর চিঠিতে, তাকে কনফিউজ করতেই মিথ্যাগুলো যেন চিঠিতে ইচ্ছে করেই ঢুকানো হয়েছে। আর এই মিথ্যাগুলো থেকেই মিসির তার আলি সমাধান বের করে ফেললেন । মিসির আলির এ বইটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে । বইয়ের শেষ চ্যাপ্টারে রহস্য উন্মোচনের সাথে পাঠকের কাছে বইয়ের পুরো গল্পটাও বদলে যাবে ।
Was this review helpful to you?
or
In a word, it's just awesome.
Was this review helpful to you?
or
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্যারের সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্র মিসির আলী। তার তিনটি বিখ্যাত চরিত্র বা বইয়ের সিরিজ রয়েছে। এগুলো হচ্ছেঃ মিসির আলী, হিমু ও শুভ্র। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্রটি হচ্ছে মিসির আলী। 'কহেন কবি কালিদাস' মিসির আলী সিরিজের অন্যতম আকর্ষণ। এ বইয়ে সায়রা বানু তার নিজের সমস্যাকে বোনের বলে মিসির আলীর কাছে আসে সমাধানের জন্য। সে তার কাহিনিতে রহস্যময়তা সৃষ্টি করে সে, তার বাবা ও ছোট বোন ইবলিশকে দেখে ও তাদের সাথে কথা হয় বলে। আসলে ছদ্মনামধারী সায়রা বানুর আসল নাম ইথেন। তার বোনের নাম মিথেন। সমস্যার সমাধানে এসে মিসির আলী দেখতে পান ছদ্মনামধারী সায়রা আসলে তার বোনের খুনী। তার অবৈধ সন্তানকে বাচাতে সে তার বোনকে ছাদের উপর থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় নিচে। এতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধরে নেয় পুলিশ তাদের বাবাকে। অবশেষে ইথেন তার অবৈধ সন্তানের (মেয়ে) শেষ আশ্রয় খুজে পায় মিসির আলীর বাসায়ই, কাজের মেয়ে হিসেবে। মোটকথা, অসাধারণ একটি উপন্যাস, হুমায়ূন স্যার সৃষ্ট মিসির আলী সিরিজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস এই "কহেন কবি কালিদাস "।
Was this review helpful to you?
or
কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের এক অনন্য সৃষ্টি মিসির আলী চরিত্র ছোট বড় সবার কাছেই সমানভাবে সমাদৃত। বিশেষ করে যারা রহস্য পছন্দ করেন। মিসির আলীর রহস্য সমাধান পদ্ধতি পুরোটাই বুদ্ধিবৃত্তিক। সিরিজের অনেক পছন্দের একটা বই কহেন কবি কালিদাস। সায়রা বানু নামের এক বুদ্ধিমতী মেয়ে তার সমস্যা নিয়ে মিসির আলীর বাড়ি এসে হাজির হয়। সে তার গল্পটা পাচটা অধ্যায়ে ভাগ করে মিসির আলীকে নোট করে দেয়, autobiography of a unknown girl. মেয়েটার লেখা গল্পগুল্প বেশ ভালো লেগেছে। বিশেষ করে তার বাবার দুই মেয়ের অদ্ভুত নামকরণ, ইথেন আর মিথেন। ইবশিস এর সাথে কথোপকথন। যাইহোক এক পর্যায়ে বর্ণনার অসঙ্গতি থেকে মিসির আলী রহস্যভেদ করে ফেলেন। গল্পের শেষ লেখক অসাধারণ টুইস্ট রেখেছেন। ভালো করে বুঝতে দুইবার পড়েছিলাম। অসম্ভব রূপবতী মেয়ের চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পরে গল্পটা শেষ না হলে, দশে দশই দিয়ে ফেলতাম। And my ending is despair Unless I be relieved my prayer, As you from crimes would pardoned be, মানব মনের অপরাধ প্রবনতার অন্ধকার একটা দিক গল্পটায় ফুটে উঠেছে। কালিদাস এর একটা ধাধা আছে গল্পটায়, যার উত্তর শুধু বুদ্ধিমান মানুষেরা জানে - কহেন কবি কালিদাস , পথে যেতে যেতে। নাই তাই খাচ্ছো, থাকলে কোথায় পেতে??




