User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By mas****com

      19 Jan 2026 12:37 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটি খুবই টাফ

      By Amartya Swapnil Prionta

      24 Aug 2021 12:00 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      Valo boi

      By Nivea Haque

      25 May 2019 04:12 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      শস্ত্র ছেঁড়ে না, অগ্নি দহে না যারে দেখবে তারেই অশ্রুর পারাবারে পাগলের মতো দু-হাত বাড়ায়ে ধরে- অধরা প্রাণের আবার স্বয়ংবরে চলো যাই দূরে যেখানে দাঁড়ায়ে আছে কাল ভেঙ্গে চুরে দিয়ে ঝেড়ে ফেলে জঞ্জাল শুধু হাতে নিয়ে মুক্ত প্রাণের দীপ নতুন বধূর কপালে পরাবে টিপ... যেখানে যাবই সেখানে রয়েছে থেমে বাসররাত্রি, অবিচল কারু প্রেমে... ষোড়শী কোনো বালিকা যদি এমন কাব্য রচনা করে বসে, তবে তার পিতা হিসাবে গর্বিত হওয়া দোষের কিছুনা। তাই না? ১৯৩০ সালে, কলকাতার এক অভিজাত পরিবার, ষোড়শী এক বালিকা, রূপে গুণে ও জ্ঞানে অন্যন্যা। নাম অমৃতা। সবাই ডাকে রু বলে। বাবার অতি আদরের, কারণ এমন মেয়েকে নিয়ে গর্ব করা যায়। যে এই বয়সেই কবিতা লেখে। মহারথী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনে যার অবাধে যাওয়া আসা। কবিকেও আবৃত্তি শোনায়। ওর জ্ঞানে - গুণে কবিগুরুও মুগ্ধ। অমৃতার ভাষায় - তার বাবা অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত ছিলেন বিশিষ্ট পণ্ডিত ও দার্শনিক , ঐ পাণ্ডিত্যের আছে এক আক্রমণকারী রূপ। এমনি তার প্রভাব প্রতিপত্তি যা সবাই ভয় করে চলত। ১৯৩০ সালে অধ্যাপক সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তের কাছে পড়তে আসেন ইউরোপীয় এক ছাত্র, নাম মিরচা এলিয়েড। অমৃতা মানে মৈত্রেয়ী দেবীর বয়স তখন মাত্র ১৬ বছর। মেয়ের বুদ্ধিমত্তায় গর্বিত বাবা মেয়েকে সেই সময় অপেক্ষা আধুনিক ও সংস্কারমুক্ত পরিবেশে বড় করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন তার মেয়েকে সর্বগুণ সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে, তাই প্রিয় ছাত্র মির্চার সাথে পড়াশোনা করতে উৎসাহ প্রদান করেন। মৈত্রেয়ী দেবীর ভাষ্যমতে, সে আর মিরচা এলিয়েড ছিলেন তার বাবার যাদুঘরের প্রিয় প্রদর্শিত বস্তু। একই সাথে পড়াশোনা করার সুবাদে তারা এক সাথে অনেক সময় কাটত। ফলে সেই সময়টাতেই মিরচা এবং মৈত্রেয়ী একে অপরের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। কিন্তু তাদের গুপ্ত প্রণয়ের সম্পর্ক মৈত্রেয়ী দেবীর বাবার কাছে প্রকাশিত হবার পর মৈত্রেয়ী দেবীর বাবা মিরচাকে তাঁদের বাড়ি থেকে বের করে দেন। আত্মজীবনী এই বইতে মৈত্রেয়ী দেবী মূলত মির্চা এলিয়েডের তাকে নিয়ে লেখা এক উপন্যাসের উত্তর তথ যুক্তিখন্ডন করেন। #পাঠপ্রতিক্রিয়া : এত ছোট একটা বই পড়তে আমার যে সময় লেগেছে তা ধারণার বাইরে। রিভিউ লিখতে গিয়েও সেই একই অবস্থা! এর প্রথম কারণ, ভাষা ছিল অতন্ত্য কঠিন। আমি ডিকশনারি ধরে শব্দের অর্থ খুঁজে বের করে করে পড়েছি। কিন্তু একটু পরেই সেটা ভুলে গেছি। বইয়ের পরতে পরতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল অসাধারণ সব কবিতার অংশ বিশেষ। প্রতি পাতায় পাতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি, হয়েছি বিমোহিত। আচ্ছন্নের মত বসে থেকেছি। মৈত্রেয়ী দেবী যে অনুভূতির বর্ণনা করেছেন সে আমার কাছে অসম্ভব! এত এত বছর পরেও কি করে একজনকে এমন করে মনে পরে? এত গভীরভাবে মনে পরতে পারে! এও কি হয় নাকি? ৪২ বছর পরেও কেউ কাউকে মনে রাখে? উনি রেখেছিলেন। মৈত্রেয়ী দেবী এমন এক বাস্তব চরিত্র যা আমাকে অভিভূত করেছে, করেছে বিহ্বল। এত সাহস একজন নারীর হয় কি করে? অবলীলায় বর্ণনা করেছে নিজের জীবনকাহিনী। মানুষের কাছে খুলে দিয়েছে রুদ্ধদ্বার। নিজের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় লিখতে বসে,খুব সূক্ষভাবে তিনি তুলে ধরেছেন ১৯৩০ সালের সমাজব্যাবস্থার চিত্র। এলোমেলো বর্ণনাতেও পারিপার্শ্বিক অবস্থা এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, তা যেনো পাঠক স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করতে পারে। আসলে আমি যে কী বলতে চাইছি হয়ত বুঝাতে পারছিনা। তাই পাঠকে হয়ত বইটা পড়েই বুঝ নিতে হবে। আর "ন হন্যতে" বাংলা সাহিত্যে এমন এক বই যা পাঠককে বাঙালী পরিবারের অতীত ইতিহাস ও সংস্কৃতি পরিমন্ডল সম্পর্কে জানতে - চিনতে এবং বুঝাতে শেখাবে। পাঠককে সাহিত্যরস আহরণে বইটা একবারেই নিরাশ করবে না বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!