User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By Md jahidul Islam

      21 May 2026 01:40 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অনেক সুন্দর একটা বই 💚💚💚💚

      By Marjahan Akter

      08 Jan 2022 11:39 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইটা পড়ে ভালো লেগেছে

      By Mojahudur Rahman

      06 Jan 2022 04:59 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ভালো বই

    • Was this review helpful to you?

      or

      অত্যন্ত ভালো লাগার একটা বই

      By masood

      18 Apr 2021 03:55 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      এই বইয়ে আপনি বিয়ে সম্পর্কিঅনেক ধরনের তথ্য পাবেন।

      By Sanjida Meher Sanju

      24 Oct 2020 04:08 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #bookreviewguradian #প্রারম্ভিকতাঃ ছোটবেলায় আমাদের কাছে বিয়ে মানেই ছিল শামিয়ানা টাঙ্গানো বিয়েবাড়ি, লাল শাড়ি পরা কাঁদোকাঁদো বউ, লজ্জা লজ্জা চেহারায় চুপটি করে মুখে রুমাল দিয়ে বসে থাকা বর, মজার মজার খাবার আর ছুটোছুটি করার অবাধ স্বাধীনতা। আচ্ছা বিয়ে মানে শুধুই কী এসব নাকি এর সাথে জড়িয়ে আছে আরও কিছু? তো চলুন আজ আলোচনা করি লেখিকা "রেহনুমা বিনতে আনিসে"র লেখা বই "বিয়ে" নিয়ে। #লেখিকা_পরিচিতিঃ জন্ম চট্টগ্রামে। শৈশব ঢাকায়, কৈশোর আবুধাবিতে। পরিণত বয়সে ভারতে এবং বিয়ের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরে আসা। দীর্ঘদিন কানাডায় প্রবাসজীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়াতে বসবাস করছেন। আদর্শিক, উদারপন্থী এবং জ্ঞানানুসন্ধানী পরিবারে রেশমের গুটির মতো নিরাপদ ও পরিশীলিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা। জীবনের পরবর্তী অংশে বন্ধুবান্ধব, পেশা, বিয়ে ইত্যাদির কারণে ব্যাপক সামাজিক সংস্পর্শে আসা। মূলত মুখচোরা বইপোকা। নানা রঙের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে কিছু তুলে ধরার প্রয়াস এবং সমাজের নানাদিক দিয়ে চিন্তাশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্যই মাঝেমধ্যে টুকটাক লেখালেখি। আবুধাবিস্থ ইয়াং টাইমস ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখিকা হিসেবে লেখার হাতেখড়ি। মাঝে বহুদিন পড়াশোনায় মগ্ন থাকার পর ছাত্র-ছাত্রীদের চাপাচাপিতে আবার লেখালেখিতে ফিরে আসা। #বই_নিয়ে_আলোচনাঃ বইটিতে মোট ২২টি ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে আদি অন্ত বিস্তৃত। এর মাঝে প্রথম ৮টি শিরোনাম নিয়ে লেখাগুলো কুরআন হাদিসের আলোকে লেখা ; অনেকটা প্রবন্ধের মতো। এরপর বাকী ১৪টি শিরোনামে লিখিত লেখাগুলো একেকটা গল্প। প্রতিটা গল্পে রয়েছে ভিন্নতা, মাধুর্যতা, শিক্ষা। যেসব শিক্ষার আলোকে "বিয়ে" নামক শব্দটির সার্থকতা পাওয়া সম্ভব। #কাহিনী_সংক্ষেপঃ বিয়ে কী? "বিয়ে" একটি ধর্মীয় চুক্তি, একটি সামাজিক সম্পর্ক। "বিয়ে" শব্দটি নিতান্তই ছোট তবে এর ওজন বেশ ভারী। কেননা বিয়ের সাথে কেবল দুটো মানুষের একত্রে বসবাস নয় ; বরং দুটো পরিবারের সবগুলো মানুষ জড়িয়ে। আবার কখনো দুটি গোষ্ঠীর সম্পর্কের নির্ণায়ক। বিয়ের পরে একজন মেয়ের কাঁধে শুধুমাত্র একজন পুরুষের নয় ; গোটা পরিবারের সকলের হৃদয় জয় করার দায়িত্ব চলে আসে। এ কাজটা করা খুব সহজ নয় একজন নবাগত মেয়ের জন্য। কারণ একেকজন মানুষের চাহিদা, রুচি একেকরকম। কিন্তু এই কাজটা মেয়েটির জন্য তখনি সহজ হয় যখন পরিবারের মানুষগুলো তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। নবাগত মেয়েটির ভুলগুলোকে ইস্যু বানিয়ে কথা দিয়ে তাকে আঘাত না করে একজন শিক্ষক হিসেবে শুধরে দেয়। অন্যদিকে বউ হিসেবে এসে নিজেনিজে সব দায় দায়িত্ব নিজের মতো না করে শাশুড়িকে জিজ্ঞেস করে করলে শাশুড়ির মনে বউর জন্য ভালোবাসার জন্ম হয়। এতে করে স্বামীকে মা নাকি বউ? এই দুইয়ের মাঝে একজনকে বেছে নেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয় না।কিন্তু এই কাজগুলো আমাদের বর্তমান সমাজের পরিবারগুলোতে তেমনিভাবে দেখাই যায় না। বাবা মা থেকে শুরু করে প্রতিটা মানুষ তাদের ইচ্ছে অনিচ্ছা একটা মেয়ে বা ছেলের উপর চাপিয়ে দেয়। অথচ এরা কখনো ভাবতে চায় না, সংসারটা ছেলে এবং মেয়ে করবে। তাদের মধ্যে যদি একে অপরকে ভালোলাগার সূত্র-ই না থাকে তাহলে একটা জীবন দুজনে একত্রে পার করে দেয়া সম্ভব নয়। যার ফলে অধিকাংশ সময়ে পরিবারের বড়দের ভুল সিদ্ধান্ত এবং ছেলেমেয়ের অমতে বিয়ে দেবার কারণে দুইটি পরিবারকেই হেয় প্রতিপন্ন কিংবা নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। অথচ পরিবারগুলো যদি তাদের মতো না করে ইসলামের আলোকে ছেলে মেয়ের সম্মতি এবং পছন্দ অনুযায়ী বিয়ে দিতেন। তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুন্দর একটি পরিবেশ পেতো। #ব্যক্তিগত_মন্তব্যঃ নানাধরনের চাপের কারণে বেশকিছু মাস যাবত দু একটার বেশী বই পড়া হচ্ছিলো না। "বিয়ে" বইটি শুরু করেছিলাম এক প্রকার জোর করে। প্রথম দুই এক পাতা পড়তেই আমার তিন থেকে চারদিন চলে গেছে। আসলে মনোযোগ পাচ্ছিলাম না ঠিকভাবে। তবে এরপর বইয়ের খানিকটা যেতে কী হলো নিজেই বুঝলাম না। এক বসাতেই পুরোটা শেষ করেছি প্রায়। আলহামদুলিল্লাহ। আমি একজন অবিবাহিত মেয়ে। সে হিসেবে এই বইটি আমার ভবিষ্যৎ এর জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। কারণ একটি "বিয়ে" কেবল "বিয়ে"ই নয় বাকীটা জীবনের আশ্রয়স্থল, একজন আপনার মানুষ, একটি পরিবার। যাদের সাথে সুখ দুঃখ ভাগ করে চলতে হবে। কেবল পার্থিব সুখ স্বাচ্ছন্দ্য নয় পরকালীন হিসেবেও জড়িয়ে আছে এই বিয়েতে। বর্তমান যুগ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সভ্যতার নাম দিয়ে। ভয় হয় কখন কী ভুল করে ফেলি তরুণ/ তরুণীরা। অথচ বাবা মায়েরা একেবারে নির্লিপ্ত। তাদের কাছে বিয়ে মানেই বড় ঘর, ভালো সার্টিফিকেট প্রাপ্ত বর ব্যস। আর কিচ্ছু চাই না তাদের। এ বইটি বলবো প্রতিটা ছেলে মেয়ে শুধু নয় তাদের পিতামাতাকেও পড়ানো উচিত। এবং সঠিক জ্ঞানটা তাদের মাঝে জাগ্রত করার চেষ্টা চালানো উচিত। যাতে করে তারা ইহকালীন ভালো করতে যেয়ে পরকালীন ভালোটাকে ত্যাগ না করেন। প্রচ্ছদ, লেখা, টপিক, বাইন্ডিং আলহামদুলিল্লাহ সবকিছু ভালো লেগেছে। পৃষ্ঠাগুলো স্পর্শ করেও শান্তি। সহজে ছিঁড়ে যাবার ভয় নেই। লেখা শেষে নোট লেখার জন্য আলাদা একটা পেইজও আছে। এছাড়া প্রতিটা গল্প মন ছুঁয়ে যাবার মতো অনবদ্য ছিল! সর্বোপরি বলবো সবকিছু ভালো লেগেছে এবং অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। #পছন্দের_কিছু_উক্তিঃ ★আমার কাছে ভালো জামাই পাবার একটি বুদ্ধিই কার্যকর মনে হয়--নিজে সৎ থাকা এবং আল্লাহ তা'য়ালা এই সততার প্রতিদানে একজন সৎ সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন- এই বিশ্বাস রাখা। ★ছোটবেলায় বিয়েটাকে যেমন সহজ আর সুন্দর মনে হতো, বড় হয়ে দেখি এটা অনেকের কাছে একটা ভালো লাভজনক ব্যবসা। ★তলোয়ারের আঘাতের চিহ্ন এক সময় মুছে যায়, কিন্তু জিহ্বার আঘাতের ক্ষত বড় সাঙ্ঘাতিক। এটি কখনো পূরণ হয় না। ★ঘোড়াকে পানির কাছে নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু তাকে জোর করে পানি খাওয়ানো যায় না। ★চাকরি পরিবর্তন করা যায় কিন্তু চরিত্র নয়। ★যখন ক্ষুধা থাকে তখন পানিভাতও অমৃত মনে হয়, ক্ষিধে মরে গেলে বিরিয়ানিও আর মজা লাগে না। ★বিয়ে করার চেয়ে বিয়ে টিকিয়ে রাখা অনেক পরিশ্রমসাধ্য। #বই_পরিচিতিঃ বই: বিয়ে লেখিকা: রেহনুমা বিনতে আনিস প্রচ্ছদ: আলেক হোসাইন শব্দ বিন্যাস: মো: জহিরুল ইসলাম প্রকাশনী: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৫৮ মুদ্রিত মূল্য: হার্ডকভার : ২৫০ পেপারব্যাক: ২২০

      By Sadia Jannat Mim

      16 Oct 2020 12:57 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      খুব ভালো বই

      By হৈমন্তী রূপা

      14 Oct 2020 07:12 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      ~ বই রিভিউ ~ বই: বিয়ে বইয়ের ধরন: ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনবিধান লেখিকা: রেহনুমা বিনতে আনিস প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স প্রথম প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০১৭ মুদ্রিত মূল্য : ২৫০ টাকা পৃষ্ঠা : ১৫৮ খুব শৈশবে মায়ের শাড়ী কিংবা বড় আপার উড়না পেঁচিয়ে আপন মনে, অবলীলায় বউ সাজতাম। পড়ন্ত কৈশোরে এসে বিয়ে মানে সাজুগুজু, লাল-নীল শাড়ী, চুরির অবুঝ আলাপ আর মুখচেপে হাসাহাসি। তারুণ্যের স্পর্শ পেতে না পেতেই মন ও মননে এবং জীবনের দোলায়িত সুর -ছন্দে বিয়ে হয়ে গেল একটা প্রশ্নচিহ্ন।হাসি-ঠাট্টার আসরে "বিয়ে"দিল্লীকা লাড্ডু হলেও বিয়ের বয়সে দাড়িয়ে ধুকধুক করা ভয় পাওয়া মন আর ভাঙা ভাঙা বুঝ-বুদ্ধি নিয়ে যখন জানতে চেয়েছি আসলেই বিয়েটা কি...??ঠিক সেই সময়টাতেই এই বইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয়।অনেকটা মেঘ না চাইতেই জল যেমন। বিয়ে সকল ধর্মেই সমানভাবে জীবন চক্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।শুধু অংশই নয়, সকল ঐশী ধর্মেই এর বিধান রয়েছে।বিয়ে নিছক কোনো শারীরিক বন্ধন নয়।এর অন্তুর্গত অর্থ হলো দুজন মানুষের মন-মানসিকতা,,চিন্তা-চেতনা, আবেগ -অনুভূতি ও আত্মার বন্ধন।নারী-পুরুষের মধ্যে প্রকাশ্য ও বৈধ বন্ধন গঠনের মাধ্যম হলো বিয়ে।যার উপর ভিত্তি করে পরষ্পরের উপর অধিকার ও কর্তব্য আরোপিত হয়।তারপর শুরু হয় একটি নতুন পরিবারের যাত্রা। মূলত এই যাত্রাপথ অর্থাৎ বিয়ে পূর্ব ফ্যান্টাসি,বিয়ে কালীন বাস্তবতা,বিয়ে পরবর্তী সময়,বিভিন্ন জটিলতায় জরাজীর্ণ।কখনো সামাজিক, পারিবারিক কুসংস্কার বা গোড়ামী, কখনো ব্যক্তিগত অজ্ঞতা,সংকীর্ণ মানসিকতা দায়িত্বশীলতার গাফলতি,পরিকল্পনার ফাঁকফোঁকর, পাত্র পাত্রী নির্বাচনে সামান্য কিছু ভুল,বিয়ে শব্দটাতে মিশিয়ে দেয় তিক্ত স্বাদ। তৈরি হয় সঙ্কট, ব্যাহত হয় বিয়ের মূখ্য উদ্দেশ্য।এইসব সঙ্কট, বিয়ের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও বাস্তবতার আলোকে গল্প আর প্রবন্ধের দারুন এক মিশেলে বাইশটি অনুচ্ছেদ নিয়ে লেখা এই বই।লেখিকা তার অভিজ্ঞতার ঝুলি এবং কল্পনার বই থেকে কয়েকটি বিয়ের গল্প নিয়ে চমৎকার এক আয়োজন করেছেন। ★একটা বিয়ের গল্পে প্রথমেই প্রশ্ন আসে, ছেলে কি করে এবং মেয়ে দেখতে কেমন? একদিকে প্রাধান্য পায় বাহ্যিক রূপ অন্যদিকে টাকা।জীবনে একসঙ্গে বন্ধুর পথ পাড়ি দেবার জন্য এই প্রশ্ন দুটো কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক? ★পরিবারে ছেলের পছন্দ- অপছন্দের দাম দেওয়া হলেও মেয়েদের মতামতে তেমন পাত্তা দেওয়া হয় না।এই বৈষম্য কি অসু্স্থ সম্পর্কের জন্ম দেয় না? ★সংসারে বউ শাশুড়ী যুদ্ধ নতুন কিছু নয়।এই যুদ্ধ নিরসনে ছেলে এবং স্বামী হিসেবে আপনার জায়গা কেমন হওয়া দরকার,কেমন অবস্থায় আছেন? ★একটা সময় সামাজিক ব্যাধি ছিল শুধু যৌতুক। আধুনিকতার তালে তাল দিয়ে তাতে যুক্ত হয়েছে মোটা অঙ্কের মোহরানা।এসেছে বিয়ে হলেই মেয়ের নাম চেঞ্জ করা ফ্যাশন। ★অতঃপর আমাদের জীবনে পর্দার গুরুত্ব কতটা? সৎ চরিত্র আর শুদ্ধ নিয়্যাতই কি আমাদের সুখসুত্র নয়? বিয়ে যাত্রার এইসব যোগ-বিয়োগ,গুন-ভাগ, সমীকরণের মিল-অমিল,ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যক্তি তথা পরিবারের সকলের করনীয় -বর্জনীয়,অধিকার, এবং দায়িত্ব -কর্তব্য নিয়েই বইটির উপজীব্য । বিয়ে একটি ধর্মীয় চুক্তি।এখানে বিশ্বাস,পারষ্পরিক আন্তরিকতা, একটু ছাড় দেওয়ার মানসিকতা,ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধের সম্পর্ক, একটা সুস্থ পরিবার গঠন করে।যা হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জান্নাতের বাগান;যেমনটা আমাদের স্বপ্ন থাকে। যেহেতু কোনো মানুষই পরিবারের বাইরে নয় আর বইটা পারিবারিক জীবনবিধান নিয়ে লেখা সেহেতু এটা একবাক্যে পরিবারের সবার জন্য সমান সুষম বই। বাড়িয়ে বলছি না, পুরো বইয়ে খারাপ লেগেছে এমন কোনো অংশ নেই।বরং কিছু কিছু অংশ ভাবনার জগতে নতুন উপাদান দিয়েছে।কিছু অংশ হয়েছে ভীষণ প্রিয়।তা থেকে প্রিয় কিছু লাইনঃ ★বাইরের পৃথিবীর কর্কশ বাস্তবতা থেকে আত্মরক্ষার জন্য একটি প্রশান্ত মরুদ্যান রচনা করাই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মূল উদ্দেশ্য। ★আমাদের প্রাপ্তী নির্ভর করে আমাদের প্রচেষ্টা, সততা ও নিয়্যাতের উপর। ★বিয়ে কেবল একটা মৌখিক সম্মতি,এক টুকরো কাগজ,একটা সামাজিক অনুষ্ঠান ; যতক্ষণ না এই সম্পর্কে জড়িত উভয় ব্যক্তি তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং এই সম্পর্ককে স্থায়ী করার জন্য বুঝেশুনে অগ্রসর হয়। লেখিকা পরিচিতিঃএই অসাধারণ বইয়ের লেখিকা চট্টগ্রামের মেয়ে।শৈশব ঢাকায়, কৈশোর আবুধাবীতে।বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশে প্রবাস জীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়াতে বসবাস করছেন।ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশুনা করেছেন।কর্মজীবনে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘদিন।আবুধাবীস্থ "ইয়াং টাইমস"ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখিকা হিসেবে লেখার হাতেখড়ি।মুখচোরা বইপোকা মানুষ।মাঝে বহুদিন পড়াশোনায় মগ্ন থাকার পর ছাত্রছাত্রীদের চাপাচাপিতে আবার লেখালেখিতে ফিরে আসা।লেখিকার সহজ সাবলীল, স্পষ্ট লিখনশৈলী পাঠক মাত্রই বোধগম্য ও পছন্দসই হবে। পরিশেষে, বিয়ে শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়;বরং ইহকাল ও পরকালের জীবনকে সাজানোর জন্য দুজনের পার্টনারশিপ।সেই নিমিত্তে বইটি আমাদের কাটাছেড়া মন মানসিকতা বদলাতে অনেককিছু শিখিয়ে যাবে নিঃসন্দেহে।আমাদের বোধদয় হোক।আত্মকেন্দ্রিকতা নয় সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করি।আল্লাহ আমাদের ভালো রাখুন।লেখিকার এই প্রচেষ্টা কবুল করুন। #bookreviewguardian

      By Mansura Binte Rashid

      14 Oct 2020 03:04 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বই রিভিউ ১ বইঃ বিয়ে লেখিকাঃ রেহনুমা বিনত আনিস গার্ডিয়ান পাবলিকেশন বিশ্ববিখ্যাত ইসলামিক স্কলার ড.আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপ্স বলেছেন, "Marriage is not expensive weddings and hand-holding selfies.It is dedication, admiration,loyalty and mutual respect!" যৌবনে পদার্পণ করে বিয়ে নিয়ে ভাবেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায় হবে। বিয়ে শব্দটা ঠিক যতোটা ছোট; এর পরিধি এবং ওজন ততোটাই বড় এবং ভারী। বিয়ে জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।বিয়ের মাধ্যমেই দুজন আলাদা মেরুর,আলাদা পরিবেশের নারী পুরুষ একটি বৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। একইসাথে স্বপ্ন এবং স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ববোধে অঙ্গিকারবদ্ধ হয়। বইটিতে বিয়ের স্বরূপ,দায়িত্ব, করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয় নিয়ে লেখিকা এমনভাবে আলোচনা করেছেন যা জীবনে নতুনত্ব আনতে পারে এবং বাস্তবে প্রতিফলনে অবদান রাখতে সহায়তা করে।তাইতো বাস্তবতার এক অসাধারণ স্কেচ এঁকেছেন তিনি। বইটি যাদের জন্যঃ ~~~~~~~~~~ বিয়ের আগের প্রস্তুতি হচ্ছে ক্যানভাস বা ব্যাকগ্রাউন্ড।বিয়ের পরবর্তী জীবন সাজানোর ছবিটা আঁকা এখনো বাকি।এ ছবির স্কেচ আঁকতে বইটি বিবাহিত, অবিবাহিত, বাবা-মা,শশুড়-শাশুড়ী,আত্মীয়স্বজন সবার জন্য পড়া আবশ্যক। কি আছে বইয়েঃ ~~~~~~~~~~~ মোট ২২ টি অধ্যায় মিলে বইটি।খুব বেশি বড় না।তবে প্রতিটি টপিক পড়ে অনেক্ক্ষণ ভাবতে হয়।বিয়ের নিউজ শুনলেই প্রথম প্রশ্নটি হয়, ১.'মেয়ে দেখতে কেমন?' ২.'ছেলে কি করে?' ইংরেজিতে একটি উক্তি আছে উক্তিটি কার সঠিক মনে নেই।সেটা হলো, "A pretty face gets old, A nice body will change.But a good women will always be a good women!" বৈবাহিক জীবনে সুখের ক্ষেত্রে সৌন্দর্যের ভূমিকা বড়জোর ছ'মাস থেকে একবছর। অন্যদিকে,ধনী ব্যক্তি মুহূর্তেই সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে এমন উদাহরণ অহরহ। সাময়িক দুটো বিষয় কিভাবে একটি চিরস্থায়ী সম্পর্কের মূল মানদণ্ড হতে পারে?যেখানে চরিত্র উপেক্ষা করে বাহ্যিকতাকেই মূল ক্রাইটেরিয়া মনে করি ? যদি এমন হতো তাহলে হলিউড,বলিউডের প্রতিটা অভিনেত্রী ব্যক্তিগতজীবনে সুখী হতো এবং ডিভোর্স নামক শব্দটির সাথে তারা পরিচিত হতো না।তেমনি চরিত্রের বদলে চাকরী প্রাধান্য পেলে সেই সম্পর্ককে কি কুরআনের ভাষায় 'একে অপরের পোষাকস্বরুপ' সম্পর্ক বলা যায়? লেখিকার ভাষায়, "চাকরি পরিবর্তন করা যায় কিন্তু চরিত্র পরিবর্তন করা যায়না!" !! বিয়ের পর অনেক মেয়েই নামের শেষে স্বামীর নাম লিখে।অথচ নববী তরিকায় দেখি পৃথিবীর সবচে ভালো স্বামী রাসূল (সা.) এর স্ত্রীদের নামের সাথে বিয়ের আগে পরে বাবার নাম যেমন(আয়েশা বিনতে আবু বকরই)ছিলো।স্বামীর সাথে সম্পর্ক একটা শব্দ তিনবার উচ্চারণ করলে ছিন্ন হয়ে যায়। কিন্তু বাবার সাথে হয়না।এ বিষয়টা লেখিকা ধরিয়ে দিয়েছেন। !! "It is harder to defend than to gain freedom!"অর্থাৎ স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তেমনি বিয়ে করার চেয়ে বিয়ে টিকিয়ে রাখা অনেক পরিশ্রমসাধ্য।সম্পর্কের প্রতিটি মুহুর্তকে একটু একটু গড়ে তুলতে হয়। যত্ন,শ্রদ্ধা,ভালোবাসা এবং বোঝাপড়া দিয়ে শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক না প্রতিটি সম্পর্ককে তৈরী করা,মানিয়ে নেওয়া,কিছু সময় ও শ্রম ব্যয় করার মানসিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব নেওয়া বাঞ্চনীয়। সেই সাথে দরকার চারাগাছটির ন্যায় সঠিক পরিচর্যা। নয়তো অবহেলায় সম্পর্কে ফাটল ধরে,টানাহেঁচড়া করা কাপড়ের ন্যায় ছিঁড়ে যায়।এ বিষয়গুলো লেখিকা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন। !! মেয়ের বাবা বিয়ের দিন ঋণ করে হলেও কন্যাকে সবকিছু উজার করে দিতে চান ।অন্যদিকে,যে ছেলেপক্ষ বিয়ের আগেই যৌতুক চেয়ে কনের পিতাকে হেনস্তা করে;বিয়ের পর সেই ঘরে মেয়েটা সুখী হবে কিভাবে? তাই উপহারের নামে যৌতুককে না বলি।নয়তো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "হৈমন্তী" গল্পের প্রধান চরিত্র হৈমন্তীর মত অবস্থা হবে মেয়েদের।তাই বিয়ের আগেই ভাবুন,বিয়ের পরে নয়। !! শেষের দিকের গল্পগুলো শুধু গল্প নয়,সমাজের কিছু চরম বাস্তবতা।বউ-শ্বাশুড়ির সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেছেন।আবার স্বামীর পরকীয়ার সম্পর্ক নিয়ে লেখিকা স্ত্রীর ভূমিকা কি হওয়া উচিত ছিলো তা তুলে ধরেছেন।তিনি বলেছেন, শিক্ষিত/অশিক্ষিত ও দক্ষ একজন নারী কেন তার আত্ম-উন্নয়নের পথে বাঁধা তৈরি করবেন?চাকরি করতে হবে বিষয়টা এমন না।কিন্তু আপনার হাজবেন্ড যেন আপনার সাথে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করতে পারে সেজন্য নিজেকে তৈরী করতে কেন গড়িমসি? একজন ভালো মা,স্ত্রী, শাশুড়ি হতে হলে সবার আগে নিজেকে তৈরী করা,নিজের দায়িত্ব নিয়ে সচেতন প্রয়োজন।নিজের পরিবর্তনের পথ তৈরীর রাস্তা তাকেই খুঁজে নিতে হবে। !! ঠিক তেমনি অবিবাহিত কোন মেয়ে যার ওপর স্ত্রী কিংবা মা হওয়ার মতো গুরুদায়িত্ব এখনো পর্যন্ত চাপেনি,তখন সমাজ পরিবর্তনের পথে কেন সে নিজেই নিজের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখবে? স্ত্রী কিংবা মা হওয়া নিশ্চয় এক অসাধারণ রহমত। কিন্তু বিয়ের আগেই কেন বাস্তব সুযোগ থেকে নিজেকে দূরে রাখবে?এরকম প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন সাথে সমাধান তো আছেই। !! কিছু বই আছে যেগুলো আপনার চিন্তায় ঝড় তুলতে পারে। বিয়ে নিয়ে সমাজের কুসংস্কারগুলো দূর করতে বইটি উদ্বুদ্ধ করবে। পাত্র-পাত্রী নির্বাচনেও বস্তুকেন্দ্রীক মনোভাবকে বিদায় জানানোতে মন সক্রিয় হবে ইনশাআল্লাহ।

      By Abdullah Yasin Sharifi

      14 Oct 2020 09:51 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      #Bookreviewguardian "বিয়ে" শুধুমাত্র একটা দু অক্ষরের শব্দ নয়।একটি সামাজিক সম্পর্ক,চুক্তি।মানবজীবনের অতিব গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। একে ঘিরে দু জন মানুষ তাদের অজস্র স্বপ্ন বুনে,দুটি পরিবারের অনেক আকাঙ্ক্ষা প্রত্যাশা জন্ম নেয়। এই বইটা ও লিখা হয়েছে" বিয়ে" সম্পর্কে। বইটার নাম ও বিয়ে।লিখেছেন বর্তমান সময়ের সুলেখিকা রেহনুমা বিনতে আনিস।প্রকাশিত হয়েছে দেশের প্রখ্যাত প্রকাশনী- গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে। বইটিতে মূল অধ্যায় হলো বাইশটি।প্রথম দু অধ্যায় প্রবন্ধ আকারে। আর বাকি বিশটি অধ্যায় গল্পাকারে। এ গল্প প্রবন্ধের ডানায় ভর করে লেখিকা আপনাকে নিয়ে যাবে বিভিন্ন প্রান্তে।জাগাবে নতুন চিন্তা।নাড়া দিবে আপনার বোধকে।বিশেষ করে বিয়ে পরবর্তী জীবনের জন্য রয়েছে এতে হিরন্ময় রসদ। চলুন জেনে আসি এক নজরে বইয়ের সব অধ্যায়ের শিক্ষা ও মুল থিম । ১/প্যাকেট না প্রোডাক্ট :- আমরা যখন একটা কিছু কেনার জন্য দোকানে যাই,তখন আমরা কি দেখি বাইরের মলাট দেখে কি জিনিসটা কিনে ফেলি? নাকি গুণগত মান দেখে। আপনি যদি বুদ্ধিমান হন বলবেন-গুণগত মান দেখে। মলাট দেখার মতো চামড়ার সৌন্দর্য দেখে বা ধন-ঐশ্বর্য দেখে বিয়ে করি।গুণ কি আছে তার? তা দেখি না।আমাদের উচিত আগে গুণ দেখা তারপর সৌন্দর্য। ২/ভালো বর পেতে হলে:- প্রেম করলে ভালো বউ পাবা না।আর ভালো বর বা বউ পাবার জন্য যা করা দরকার তা হলো-নিজেকে সৎ রাখা।আল্লাহ তায়ালা এ সততার প্রতিদানে একজন উত্তম সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন। ৩/তুমি ছিলে গো মোর প্রার্থনায়:- যারা উত্তম সঙ্গী চান,তাদের অব্যাহত দোয়ার কোন বিকল্প নেই।কারণ শ্রেষ্ট নির্বাচক তো তিনি, যিনি পরস্পরকে সৃষ্টি করেছেন জুটি হিসেবে। ৪/বিয়ে একটি উত্তম বন্ধুত্ব:- তুমি আল্লাহকে বলো-যেটা তোমার জন্য ভালো হবে,আল্লাহ সেটাই যেন তোমাকে দেন।নিজে নির্দিষ্ট করে নিও না।আর প্রতিরাতে ব্যাকুল হয়ে আল্লাহর কাছে কাঁদো। ৫/বিয়ে না হলে নাই বা হলো:- জীবনে অনেক সময় অল্প ছাড় দিলে আরও অনেক ভালো কিছু পাওয়া যায়।প্রতিদিন দুজনে মিলে তিল তিল করে একটা সংসার গড়ে তোলার সমস্ত সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার যে আনন্দ,দুজনের বন্ধুত্ব্ব গড়ে উঠার যে সুযোগ, রেডিমেড সংসারে তার স্থান কেথায়?. ৬/অনেক কিছুই আসে যায়:- তার প্রতি আমি ন্যায় আচরণ করলাম কিনা? তা আমার জান্নাত জাহান্নাম নির্ভর করছে।একটি মেয়ের আগমনের সাথে সাথে তাকে পর করে না দিয়ে আপন করে নেওয়াতে আনন্দ। ৭/প্রতিটি ফোঁড়েই জীবন:- কাপড় বেশি টানাহেঁচড়া করলে ছিড়ে যায়।একইভাবে স্বামী স্ত্রী পরস্পরের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য বা হেয় করলে তাদের সম্পর্কটা নষ্টের দ্বারপ্রান্তে চলে যায়। তাই সহ্য করে একে অপরকে সহযোগিতা করলে তবেই হবে সোনার সংসার। ৮/যেমন কর্ম তেমন ফল:- শেষতক কেয়ামতের মাঠে স্বামী এবং স্ত্রী তো পরস্পর পরস্পরের প্রধান সাক্ষী, তাই একে অপরকে ক্ষেপিয়ে লাভ কি? স্বামী বা স্ত্রীর ওপর জোর জবরদস্তি করে দুনিয়াতে হয়ত সাময়িক জিত হয়,কিন্তু আখিরাত পুরোটাই নষ্ট হয়। ৯/হঠাৎ বিয়ে:- বাপচাচা যেখানে বলবে সেখানেই চোখমুখ বন্ধ করে বসে পড়ব বাবাজী! নিজে পছন্দ করতে গিয়ে কোন কাক বা পেঁচা ধরে নিয়ে আসি! এসব বাজে চিন্তায় মিছে নষ্ট করার সময় নেই। ১০/স্বপ্নভঙ্গ :- যখন পাত্র পাত্রীর সাথে প্রথম দোখা হয়, শালীনভাবে ধীরে সুস্থে কথা বলতে হবে।হুটহাট করে তোমার এই করতে হবে সেই করতে হবে এসব বলা বোকামী।আর অন্যজনকে কথা বলতে না দিয়ে শুধু নিজেই জিজ্ঞেস করে যাওয়া।আরে ভাই তাকে ও তো কিছু প্রশ্ন করতে দাও। ১১/মহাকাব্য:- আমাদের আশেপাশের কিছু কিছু মানুষের অভ্যাস এমন যে, নিজের লেজ যেহেতু কাটা,তাই অন্যের লেজকে ও তারা কেটে দিতে চাই। নিজে যেহেতু পালিয়ে বিয়ে করেছে,তাই অন্যর ভালোভাবে বিয়ে হওয়া তারা বরদাশত করতে পারে না। তাই তারা বিয়েটা ভেঙে দিতে উঠে পড়ে লাগে। আমাদের উচিত এাসব আগাছাকে পাত্তা না দিয়েই সব কাজ সেরে ফেলা। ১২/এপার ওপার:- তোমরা ভাবছো টাকা-পয়সা,গাড়ি-বাড়ি যার আছে সে উপরে।আর আমি ভাবছি যে ইসলামের পথে আমার সঙ্গী হবে সে আমার বিবেচনায় সবার উপরে।পৃথিবীর স্বল্পকালীন কিছু কষ্টের বিনিময়ে অনন্ত কালের সুখ পাওয়া যায়। কথা হলো আল্লাহ আসলেই পবিত্র মনের মিলন ঘটান। ১৩/প্রত্যুষের প্রত্যাশা:- একেবারে ভিন্ন দুই পরিবেশ থেকে এসে একে অপরের সাথে নিখুঁতভাবে মিলে যাওয়া সহজ নয়।এর জন্য উভয়পক্ষের সময় প্রয়োজন,সহনশীলতা প্রয়োজন, আর দরকার একে অপরকে বুঝার আগ্রহ। তবে ইসলাম আমাদের মাঝে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।পরস্পরকে সম্মান করতে,একে অপরের প্রতি সহনশীল হতে শেখায়। ১৪/মিথ্যা:- চেহারা দেখে কি হবে? তবে উভয়ের একবার দেখা হওয়া দরকার।যার সাথে সারা জীবন থাকার ইচ্ছা,তার মনমানসিকতা মিলছে কিনা সেটা একটু যাচাই করে নিলে খারাপ হয় না। আর বর ও কনে।উভয়পক্ষের উচিত অপরপক্ষকে সত্য কথা বলা।এতে মুক্তি।নতুবা পরে নরকতুল্য হবে সংসার। ১৫/আলোর দিশা:- শাশুড়িদের উচিত বউ নয় মেয়ের মত আচরণ করা।সেক্ষেত্রে সামাজিক পার্থক্য বা দেনাপাওনা হিসবে বাঁধার রচনা করতে পারে না। ১৬/এক বেহেস্তী নারী:- এ গল্পে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে তা হলো-এটা বাস্ত্ব যে, যে বউকে শাশুড়িরা বেশি কষ্ট দেয়,মৃত্যুর পূর্বে তার কাছেই ঠাই হয় শাশুড়ির। ১৭/যুদ্ধ :- আল্লাহর সাহায্য,সান্নিধ্য ছাড়া জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়া কখনো সম্ভব না।যখন আপনি আল্লাহর ইবাদত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন,তখন আপনার উপর নেমে আসবে অনেক অনেক বিপদ।কিন্তু যদি আল্লাহর কাছে নিজেকে সপে দেওয়া যায়, দুনিয়াটা একদম সহজ হয় যায়।আল্লাহ সব কিছুকে সহজ করে দেন।দুর করে দেন সকল দুঃখ হতাশা। ১৮/অমানুষ :-স্বামীকে প্রভু নয়,হতে হবে সহযোগী।জীবনকে পরিপূর্ণ করে তুলার জন্য উভয়ের চেষ্টা ত্যাগ প্রয়োজন। জীবন এতো সহজে সুখের হয় না। ১৯/ব্যথা :- শাশুড়িদের উচিত নিজেদের পূর্ব জীবনকে স্মরণ করা।যেই যথাযথ শিক্ষা তিনি পেয়েছেন অতিত থেকে,তাই যেন নিজেদের নব বধুদের দেন।সাংসারিক বিভিন্ন ঝড় ঝাপটা কিভাবে উতরে যেতে হয় তা দীক্ষা দেওয়া। আর এরূপ যারা করে,তারাই প্রকৃত মানুষ। ২০/প্রশান্তি :- লোকে যদি ভালো কথা বলতে না পারে,ভালো কিছু করতে না পারে,তবে সেটা তাদের সীমাবদ্ধতা। কিন্তু আমরা যদি তাদের কথা শুনে নিজেদের বিবেকের আওয়াজকে স্তব্ধ করে দেই,তাহলে এটা আমাদেরই পরাজয়।কে কি বললো,তা এতো পাত্তা দেয়ার দরকার নেই। ২১/পরিচয়:- কার সাথে কখন যে কি হয়ে যায়,কেউ কিছু বলতে পারেনা।একমাত্র নিয়ন্তা আল্লাহ।তার উপরই আমাদের তাওয়াককুল করতে হবে।তিনি সব চেয়ে বেশি জানেন।বেশি বুঝেন।বেশি বেশি চাইতে হবে রবের কাছে। ২২/অনন্ত পথের সাথে:- কখনে কখনো এমন হয় যে আমাদের চির দিনের সঙ্গী,অনন্ত পথের সাথী,আমাদের কাছেই থাকে।তবে আমরা টের পাই না।টের পাই সময় হলে। আপনার হয়তো এমন মানুষের সাথে বিয়ে হবে,যার সাথে আপনি বড় হয়েছেন, একসাথে বেড়ে উঠেছেন।কখনো বিয়ের চিন্তায় করেন নি।সেই মেয়ে/ছেলের সাথে আপনার বিয়ে হবে। আসল কথা হলো,আল্লাহ তো আমাদের জন্য জন্মের পূর্বেই সব ঠিক করে রেখেছেন।তাই ধৈর্য ধরতে হবে।আল্লাহর উপর ভরসা রাখতে হবে। ********** পরিশেষে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি,যেন তিনি সকলকে সুখী দাম্পত্য জীবন দান করেন।সাথে সাথে যারা অবিবাহিত, তাদের জন্য অতিসত্বর বিয়ের জন্য কবুল করেন।আমিন!

      By Mst. Selina Khanoom

      11 Oct 2020 05:08 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বই এর নামঃ বিয়ে লেখকঃ রেহনুমা বিনতে আনিস প্রচ্ছদঃ আলেক হোসাইন প্রকাশনীঃ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স। গায়ের মূল্যঃ ২৫০ (হার্ডকভার মূল্য) লেখক পরিচিতিঃ লেখক রেহনুমা বিনতে আনিস এর জন্ম বন্দর নগর চট্টগ্রামে। ইংরেজি সাহিত্যে পড়ালেখা করা রেহনুমা বিনতে আনিসের বিচরণ জ্ঞানের সকল শাখায়। দীর্ঘদিন কানাডায় প্রবাস জীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়াতে বসবাস করছেন। নানা রঙের অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে উৎসারিত অভিজ্ঞতা এবং সমাজের বিবিধ বিষয় নিয়ে চিন্তাশীলতার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় তা লেখালেখিতে। যার প্রমাণ মিলেছে গল্প ও প্রবন্ধের মিশেলে লেখা ‘বিয়ে’নামক বইটাতে। বিয়ে নিয়ে আমার কথাঃ বিয়ে হলো একটি সামাজিক ও ধর্মীয় চুক্তি যার মাধ্যমে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী ও পুরুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ দাম্পত্য জীবনের স্বীকৃতি তথা বৈধ যৌন সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আরও স্পষ্ট করে বলতে গেলে বিবাহ হল একটি বৈশ্বিক সামাজিক স্বীকৃতির নাম যার মাধ্যমে পরিবার প্রথার সংগঠন, বংশবিস্তার ও উত্তরাধিকারের সুযোগ সৃষ্টি হয়। শুধু কি তাই বিয়ে আমাদের জীবন চক্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ যার মাধ্যমে দুটি নর-নারীর জীবন পূর্ণতায় ভরে ওঠে। আলোচ্য বইতে সুলেখিকা রেহনুমা বিনতে আনিস তার লব্ধ অভিজ্ঞতা ও সমাজবদ্ধ মানুষের যাপিত জীবনের ঘটমান নানা বিষয়াবলীকে সুনিপুনভাবে তুলে ধরেছেন। পাঠ পর্যালোচনাঃ বাংলা ‘বিয়ে’ নামক শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো `Marriage'. `Marriage' শব্দটিকে কে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড ডিকশনারি লিখেছে--‘‘ The legally or formally recognized union of two people as partners in a personal relationship and in some jurisdiction specifically a union between a man and a woman.'' মাত্র দুটি অক্ষরের সন্নিবেশিত রুপ হলেও বিয়ে একটি যথেষ্ট ভারবাহী শব্দ। একারনেই বিয়ে করার চাইতে বিয়ে নামক পবিত্র সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার উপর লেখক গুরুত্বারোপ করেছেন। আলোচ্য বইতে গ্রন্থাকার মূলত: ২২টি অধ্যায়ে প্রবন্ধ বা গল্পের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ায় আমাদের যাপিত জীবনের বাস্তবতাকে কলমের ছোঁয়ায় তুলে ধরেছেন। যদি বইটাকে প্রবন্ধ হিসেবে কল্পনা করি তাহলে শব্দের প্রকৃষ্ট বন্ধনে বইটি আমাদের সামনে উপভোগ্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে। আবার যদি বইটার একেকটা অনুচ্ছেদকে গল্প হিসেবে কল্পনা করি তাহলেও এর উপজীব্য আমাদের চিত্তকে আকর্ষণ না করে পারে না। লেখক বিয়ে নামক সম্পর্ককে শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্যের নিরীখে পরখ না করে বরং অন্তদৃষ্টি দিয়ে বিবেচনা করার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। বিয়ে শুধুমাত্র একটি জৈবিক সম্পর্কের ফলশ্রুতি নয় বরং পরিবার সংগঠন, বংশবিস্তার, মানসিক প্রশান্তি ও উত্তোরাধিকার তৈরির প্রচেষ্টা। তাই বিয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পর্কটি যত মজবুত ও সুন্দর হবে তার পারিবারিক কাঠামোও তত সুন্দর ও শক্তিশালি হবে। ঈমানের পূর্ণতার জন্য বিয়ে জরুরী এবং চারিত্রিক আত্মরক্ষার জন্য বিয়ে এক অনুপম হাতিয়ার। বিয়ে মহান আল্লাহ তা’আলার এক বিশেষ নেয়ামত এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। মানবজাতিকে লিভ-টুগেদারের মতো মহা অভিশাপের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই মহান রাব্বুল আলামিন বিবাহের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রাপ্ত বয়স্ক ও সামর্থবান হলে কালবিলম্ব না করে বিবাহ করা প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। তবে এক্ষেত্রে পাত্র/পাত্রী নির্বাচনের বিষয়টাকে সর্বাধিক গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নেয়া জরুরী। কেননা উভয়ের মধ্যে যদি মনস্তাত্তিক মিলের অভাব থাকে তাহলে বিদ্যমান সম্পর্কের শ্রদ্ধা ও স্থায়িত্ব দুটোই হুমকির সম্মুখীন হবে। হাদিসে পাকে বিশ্বনবী (স:) বলেন- ‘বিয়ে হলো আমার সুন্নত। যে ব্যক্তি আমার সুন্নত ছেড়ে দেবে, সে আমার দলভুক্ত নয়।’ (বুখারী শরীফ)। এছাড়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেন- ‘ঐ বিয়ে বেশি বরকতময় যে বিয়েতে ব্যয় বা খরচ কম হয়।’ বর্তমান সময়েরে বিয়ে গুলোর দিকে একটি সচেতনভাবে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় প্রতিটি বিয়েই কমবেশি অনর্থক খরচাদিতে পরিপূর্ণ। যার ফলশ্রুতি হিসেবে অনেক পরিবারেই বিবাহত্তোর সময়ে অশান্তি পরিলক্ষিত হয়। আলোচ্য হাদিসের প্রতি লেখকের সজাগ ও সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি বইটিকে যথার্থভাবে পাঠকের মনোযোগকে আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে। এছাড়া পরিবারে মেয়েদের নামকরণের ক্ষেত্রে অসচেতনতার বিষয়টাকেও লেখক গুরুত্বের সাথে বইতে তুলে ধরেছেন। এছাড়া কোরআন, হাদীস ও ইসলামী বিধিবিধানের আলোকে বর্ণিত বিয়ে সম্পর্কিত উক্তি ও তার ব্যাখ্যা আমাকে মোহাবিষ্ট করেছে দারুণভাবে। বইটি কেন পড়া উচিতঃ বিয়ে নামক শব্দটি কেবলমাত্র দু’জন বিপরীত লিঙ্গের মানুষের একত্রে বসবাস করার শরীয়াহ সম্মত সামাজিক স্বীকৃতিই নয় বরং দুটি পরিবারের সম্পর্কের নির্ণায়ক। আর বিষয়ে কার কি ভুমিকা, অধিকার, ত্যাগ (Sacrifice)  ও সমঝোতা (Compromise) প্রয়োজন এ সম্পর্কিত বইয়ের যথেষ্ট অভাব আমাদের সমাজে এখনও বিদ্যমান। সেদিক বিবেচনায় এ বইটির প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। এছাড়া বইটার দারুণ ও মনোমুগ্ধকর প্রচ্ছদ ও আলংকারিক বিন্যাস আপনাকে মুগ্ধ করবে নিমেষেই। #bookreviewguardian

    • Was this review helpful to you?

      or

      বই :- বিয়ে লেখক:- রেহনুমা বিনত আনিস প্রচ্ছদ:- আলোক হুসাইন শব্দ বিন্যাস:- মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম হার্ডকভার মূল্য:- 250 পেপারব্যাক মূল্য:- 220 গার্ডিয়ান পাবলিকেশন __________________________ || বই রিভিউ|| বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম আসলেই বিয়ে ছোট্ট একটা শব্দ হলেও এর ওজন অনেক ভারী। বিয়ে একটি ধর্মীয় চুক্তি। একটি সামাজিক সম্পর্ক। একে ঘিরে দুইজন মানুষ দুটি পরিবার কত আকাঙ্ক্ষা কত স্বপ্ন। সম্পর্ক টাকে সুন্দর করার জন্য প্রয়োজন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তার জন্য রয়েছে কিছু গল্প যা জীবনে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটিয়ে হয়তো চিন্তার দিগন্তের নতুনত্ব আনতে পারে। বই নিয়ে কিছু কথাঃ- °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° বিয়ে জীবন চক্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিয়ের মাধ্যমে দুইজন নর নারী পূর্ণতা লাভ করে। একই সাথে স্বপ্ন আর সেই স্বপ্ন পূরণে দায়িত্ববোধের নাম বিয়ে। বিয়ে তো সেই চুক্তি যার মধ্য দিয়ে সমাজব্যবস্থা পুরুষকে একজন নারীর সাথে অতি ঘনিষ্ঠ ভাবে বসবাস, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না ও দৈহিক চাহিদার ভাগাভাগি করে নিতে স্বীকৃতি দেয় এবং উত্তরাধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করে। যা আছে বইটি তেঃ- °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° বিয়ের আগের ও পরের যাবতীয় ব্যাপারগুলো সুন্দরভাবে আলোকপাত করা আছে বইটি তে। এখানে বিয়ের স্বরূপ, দায়িত্বসমূহ, করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়াদি নিয়ে কিছু আলোচনা রয়েছে । নিম্নে গল্পের শিরোনাম তুলে ধরা হলো- ১.প্যাকেট না প্রোডাক্ট? ২.ভালো জামাই পাবার বুদ্ধি ৩.তুমি ছিলে গো মোর প্রার্থণায় ৪.বিয়েঃ একটি উত্তম বন্ধুত্ব ৫.বিয়ে না হলে নাইবা হলো ৬.অনেক কিছুই আসে যায় ৭.প্রতিটি ফোঁড়েই জীবন ৮. যেমন কর্ম তেমন ফল ৯. হঠাৎ বিয়ে ১০. স্বপ্নভঙ্গ ১১.মহাকাব্য ১২. এপার ওপার ১৩. প্রত্যুষের প্রত্যাশা ১৪.মিথ্যা ১৫. আলোর দিশা ১৬. একজন বেহেস্তী নারী ১৭. যুদ্ধ ১৮. অমানুষ ১৯. ব্যাথা ২০.প্রশান্তি ২১.পরিচয় ২২. অনন্ত পথের সাথী প্রিয় কিছু লাইনঃ- °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° √বউয়ের কৃতজ্ঞতার সবচে' বড় হক্বদার শাশুড়ি। √চাকরি পরিবর্তন করা যায় কিন্তু চরিত্র পরিবর্তন করা যায়না। √যখন ক্ষুধা থাকে তখন পানিভাতও অমৃত মনে হয়, ক্ষিদে মরে গেলে বিরিয়ানিও আর মজা লাগে না। √বিয়ে করার চেয়ে বিয়ে টিকিয়ে রাখা অনেক পরিশ্রমসাধ্য। বইটি কাদের জন্যঃ- °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° অবিবাহিত দের জন্যই সর্বোত্তম। কারন আপনার জীবনের পরবর্তী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিয়ে। তাই এখনি আপনাকে সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। বিবাহিত রা ও অবশ্যই পড়বেন তবে আপনাদের সংসারে আরো উন্নত হবে ইনশা আল্লাহ্। তাই বলে বইটি কেবল বিবাহেচ্ছু, নববিবাহিত বা বিবাহিতদের জন্য নয় বরং তাদের বাবা-মা শ্বশুর-শাশুড়ি আত্মীয়-স্বজনদের জন্য। ইসলামের একটি মুখ্য নীতি হলো পর্দা:- °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°° মুমিনদেরকে বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে । নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অতিবাহিত আছেন। ঈমানদার নারীদেরকে বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে। এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা,, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক, অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ তাদের ব্যতীত আর কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে । তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সূরা নূর ৩০-৩১) লেখক পরিচিতঃ- °°°°°°°°°°°°°°°°°°°° লেখিকা জন্ম চট্টগ্রাম । শৈশব ঢাকায়, কৈশোর আবুধাবিতে ।পরিনত বয়সে ভারতে এবং বিয়ের পর আবার চট্টগ্রামে ফিরে আসেন। দীর্ঘদিন ক্যানাডায় প্রবাস জীবন কাটিয়ে বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করে শিক্ষকতা করলেও বিশ্ব সাহিত্য ও জ্ঞানের যেকোনো অঙ্গনে বিচরণে আপত্তি নেই লেখিকার। ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং এর শিক্ষকতা করেছেন দীর্ঘদিন। আবুধাবি ইয়াং টাইমস ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখিকা হিসাবে লেখার হাতে খড়ি। দীর্ঘদিন পড়াশোনায় মগ্ন থাকার পর ছাত্রছাত্রীদের চাপাচাপিতে আবার লেখালেখিতে ফিরে আসেন। শেষ কথা:- °°°°°°°°°°°°°° বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের অনেক প্রশ্ন, দ্বিধা, সঙ্কট নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। নূর মোহাম্মদ আবু তাহের ভাইয়ের শেষ কথাগুলোই উল্লেখ করলাম, বিয়ে নিয়ে তরুণ-তরুণীদের স্বপ্ন চিন্তা ও সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সহায়ক পাঠ্য হবে' বিয়ে' বই ইনশাআল্লাহ। #bookreviewguardian

    • Was this review helpful to you?

      or

      বই এর নাম - বিয়ে লেখিকা - রেহনুমা বিনতে আনিস প্রকাশনী - গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স। গায়ের মূল্য - ২৫০ (হার্ডকভার মূল্য) ২২০ (পেপারব্যাক মূল্য) পৃষ্ঠা সংখ্যা -১৫৮ আসসালামু আলাইকুম। বইটির নাম দেখে নিশ্চয়ই ধারণা করতে পেরেছেন বইটিতে বিয়ে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। বিয়ে একটি ধর্মীয় এবং পবিত্র বন্ধন। বিয়ের মাধ্যমে কি শুধু দুটো মানুষ একত্রিত হয়? মোটেও না। বিয়ে এমন একটি সম্পর্ক যা দুটো মানুষ নয়, দুটো ভিন্ন পরিবারের মধ্যে সম্পর্কের যোগসূত্র স্থাপন করে। আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে 'বিয়ে' বইটি কি প্রবন্ধ, নাকি উপন্যাস নাকি গল্প নাকি অন্যকিছু? এটি আসলে লেখিকার নিজস্ব কিছু অভিজ্ঞতা এবং (দুই একটি ঘটনা ব্যতীত) সমাজে আশে পাশে ঘটে যাওয়া ছোট ছোট ঘটনাগুলো নিয়ে রচিত 'ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন বিতান।' 🔯 বই সম্পর্কিত আলোচনা 🔯 🔯 বইটিতে মোট ২২ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম কয়েকটিতে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার আলোকে আলোচনা করা হয়েছে এবং পরে বিভিন্ন ঘটনাগুলোকে গল্প আকারে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। লেখিকা সাবলীল এবং সহজবোধ্য ভাষায় বিয়ে সম্পর্কিত নানা বিষয় বইটিতে আলোচনা করেছেন। 🔯দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠা মানুষ বিয়ের মাধ্যমে একটি বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যায়, ফলে অনেক বিষয় মানিয়ে নিতে হয়। এই সম্পর্কের মাধ্যমে শুধু দুটো মানুষ নয়, দুটো পরিবারের সমস্ত লোকজনের ভালো থাকা, মন্দ থাকার বিষয়টি নির্ভর করে। আবার ভবিষ্যতে সন্তান নিয়ে একটি সুন্দর পরিবার গঠনেও বিয়ের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। লেখিকার মতে, 'বিয়ে শুধুমাত্র প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক নয়। এটি সন্তানদের জন্য ফুলের বাগান রচনা করার প্রচেষ্টা। বাগানের যত পরিচর্যা করা হবে বাগানের ফুল ততই ভালো হবে।' অর্থাৎ বিয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পর্কটি যত মজবুত হবে যত সুন্দর হবে তত বেশি সুন্দর আর সাফল্যময় একটি পরিবার গঠিত হবে। 🔯 বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে খেয়াল রাখতে হবে। যাতে অন্যান্য অমিল থাকলে মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে দুজনের মিল থাকে। তাহলে সম্পর্কটিকে শ্রদ্ধার সাথে টিকিয়ে রাখা সহজ হয়ে উঠবে। 🔯 আকাশ-পাতাল তফাৎ সম্পন্ন দুটো মানুষের মধ্যে বিয়ে হলে সে সম্পর্কে যেমন সুখ থাকবে না, তেমনি থাকবে না স্থায়ীত্ব। তাই বিয়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিৎ। পাত্র-পাত্রী যেন পরস্পরের সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। 🔯 শুধুমাত্র গায়ের রঙ, সৌন্দর্য বা ভালো চাকরির দ্বারা ভালো পাত্র-পাত্রী নির্বাচন করা ঠিক না। সুন্দর চেহারা মানেই যে সুন্দর মন বিষয়টা কিন্তু মোটেও এরকম নয়। 🔯 যে বিয়েতে যত লোক দেখানো খরচ হবে সে পরিবারের ততই নাম ডাক থাকবে বা পাত্রের কাছে অঢেল টাকা মহারানা নেওয়া বা পাত্রীর বাবার কাছে অঢেল টাকা যৌতুক নেওয়া, এই বিষয়গুলো মোটেও একটি শান্তিপূর্ণ বৈবাহিক জীবনের সূচনা ঘটায় না। মনে রাখতে হবে, 'যে বিয়েতে খরচ কম সে বিয়ে বরকতময়।' ছেলে অথবা বাবার চাপ বাড়িয়ে 'লোক দেখানো বিয়ে করা' থেকে বেরিয়ে আসা অতীব জরুরি। 🔯 বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রীকে শ্রদ্ধা করা যেমন দায়িত্ব, পাশাপাশি উভয়ের বাবা মা বা পরিবারের সাথে ভালো ব্যবহার করাও দায়িত্ব। এতে করে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মানসিকভাবে শান্তি লাভ করে থাকেন। 🔯 বিয়ে মানে কি একটি মেয়ের নাম পরিবর্তন হয়ে যাওয়া? স্বামীর নামের সাথে মিলিয়ে রাখা? একদমই না। বরং মেয়ের নামও নিজ বংশের সাথে, নিজ পিতা-মাতার সাথে মিলিয়ে রাখা উচিৎ। উপর্যুক্ত এই বিষয়গুলো লেখিকা খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন তাঁর 'বিয়ে' বইটিতে। লেখিকা প্রতিটি অনুচ্ছেদেই তুলে ধরেছেন বিয়ে কেমন হওয়া উচিৎ, কী কী বিষয় মাথায় রেখে বিয়ে করা উচিৎ, বিয়ে পরবর্তী জীবন কেমন হওয়া উচিৎ, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কেমন মানুষ বিয়ে করা উচিৎ। 🔯 আমার উপলব্ধি 🔯 এই বইটি নিয়ে মজার একটা অভিজ্ঞতা বলি। এই বইটির তিনটি কপি আছে আমার কাছে। বইটি প্রথম কিনেছিলাম বই মেলায়। কিন্তু পড়া হয়নি। এরপর এক আপুর কাছে বইটি জন্মদিনের উপহার হিসেবে পেলাম। এক বই দুই কপি হয়ে গেল। মজার ব্যাপার হলো সাম্প্রতিক সময়ে বইটির আরেক কপি পেয়েছি উপহার হিসেবে। এবার অবশ্য বিয়ের উদ্দেশ্যেই 'বিয়ে' পেয়েছি। 😁 বইটি পড়ে ভালো লেগেছে। প্রথমদিকে লেখিকার অভিজ্ঞতাগুলোর যুক্তির আলোকে বিশ্লেষণ দারুণ ছিল। বইটির শেষদিকে যে গল্পগুলো আছে তা আমাদের সমাজে ঘটে যাওয়া নিত্যদিনের গল্পরই অংশ। এই গল্পগুলো শিক্ষণীয়। বইটি পড়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিন্তা-ভাবনার পরিবর্তন এসেছে। আমি নব বিবাহিতা। আমার এই অল্প সময়ের অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে বিয়ে দুটো মানুষের মধ্যে নয়, দুটো পরিবারের মধ্যে হয়। উভয় পক্ষকে মানিয়ে চলতে হয়। এখানে একে অপরকে বুঝবার ক্ষমতাটা অনেক বেশি থাকতে হয়। রোমান্টিক সিনেমার শেষ দৃশ্যের মত এতো সহজ নয় এই অধ্যায়টা, কিন্তু কিভাবে সহজ করা যায় এটা অনেকাংশে নিজের ওপরেও নির্ভর করে। এই অভিজ্ঞতাগুলো থেকে বলতে পারি বইটি পড়ে নতুন বিবাহিতদের পাশাপাশি অবিবাহিতরাও উপকৃত হবেন। বেশ তথ্য সমৃদ্ধ। যুক্তিগুলো এবং লেখিকার ব্যবহৃত নানা উপমাগুলো আপনাকে মুগ্ধ করবে। যুক্তি, উপমার পাশাপাশি হাদীস এবং কোরআনের উক্তিগুলো মনকে নাড়া দিয়েছে দারুণভাবে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি যারা বিয়ে নিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্দে আছেন বা নতুন বৈবাহিক জীবনে পদার্পণ করেছেন তাদের বইটি অবশ্যই পড়তে বলবো। এতে অনেক বিষয় আপনার কাছে সহজ হয়ে উঠবে, আবার পারিবারিক অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণও সহজ হয়ে যাবে। বিয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট সম্পর্কটিতে থাকা উচিৎ বিশ্বাস, ভরসা, একে অপরকে শ্রদ্ধা করার মন মানসিকতা, একে অপরের পরিবারের সদস্যদের প্রতি দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা। দুজনের সার্বিক প্রচেষ্টায় গড়ে উঠতে পারে একটি সৌন্দর্যমন্ডিত সংসার। বিয়ে এমন একজনকে করা উচিৎ যার সাথে জীবন অতিবাহিত করাটা সহজ হয়ে উঠবে। বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করি। তাই এই বিষয়টি সম্পর্কেও জ্ঞান থাকা উচিৎ। আমাদের ধর্মেও বিয়েকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা বলেছেন, "আর এর নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে।" (সূরাঃ আর রূম :২১) অর্থাৎ বিয়ের মাধ্যমে আমরা পেতে পারি শান্তি, স্বস্তি, ভালোবাসা, ভরসা, পরকালের পথ সহজগামী হবার উপায়। সর্বোপরি আমার বেশ ভালো লেগেছে বইটি এবং সহজবোধ্য ও উপকারি মনে হয়েছে। এবার আসি বই এর আলংকারিক বিষয়বস্তু নিয়ে। প্রথমে বলি বইটির প্রচ্ছদ নিয়ে। হলুদ ও কমলার মিশেলে দারুণ দৃষ্টি কাড়া একটি প্রচ্ছদ পাঠককে আকৃষ্ট করে। প্রচ্ছদ দেখেই ইচ্ছে করেছিল বইটি একটু ছুঁয়ে দেখি। এরপরের মুগ্ধতা হলো বই এর পৃষ্ঠাগুলো। শুধু ভালো লেখা হলেই যে কোন বই ভালো বলে বিবেচিত হয় বিষয়টি এরকম নয়। ভালো লেখার পাশাপাশি কাগজের মানও হতে হয় দৃষ্টিনন্দিত । পৃষ্ঠাগুলো ধরে বেশ আরাম আরাম একটা অনুভূতি অনুভব হচ্ছিলো। লেখাগুলোও স্পষ্ট এবং চোখকে আরাম দিয়েছে। কিছু উক্তি দারুণভাবে ছুঁয়ে গেছে মনকে। তার মধ্যে কিছু উল্লেখ করছি। ১। কিছু ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা একটি পরিবারকে জান্নাতের বাগানের মতো সুখময় করতে পারে। আবার ছোট ছোট কিছু ভুল একটি পরিবারকে বানিয়ে দিতে পারে মূর্তিমান জাহান্নাম। ২। চাকরি পরিবর্তন করা যায় কিন্তু চরিত্র পরিবর্তন করা যায় না। ৩। জীবনে সবকিছু বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনা করা যায় না । মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্য এত সীমিত যে, তা দিয়ে জীবনের জটিলতাগুলো অনুধাবন পর্যন্ত করা যায় না সমাধানতো বহু দূরের ব্যাপার। ৪। কাপড় বেশি টানা হেঁচড়া করলে ছিঁড়ে যায়। একইভাবে স্বামী স্ত্রী পরস্পরের ত্রুটি বিচ্যুতি নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য বা হেয় করলে তাদের সম্পর্কটা নষ্টের দ্বারপ্রান্তে চলে যায়। ৫। বিয়ে শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ইহকাল ও পরকালের জীবনকে সাজানোর জন্য দুজনের পার্টনারশিপ। বইটি পড়ার আমন্ত্রণ রইলো আনিকা তাবাসসুম রিশা ৪-১০-২০২০

      By ইমরান

      02 Oct 2020 11:14 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      “বিয়ে” রেহনুমা বিনতে আনিস (গার্ডিয়ান পাবলিকেশনস) অসাধারন একটি বই। বিবাহের পূর্বে প্রত্যেকেরই এই বই থেকে জ্ঞান আহরন করা উচিত। শুধু অবিবাহিত নয় বিবাহিত প্রত্যেক নর-নারী এবং শশুর-শাশুড়িদের জন্যও বইটি অপরিহার্য। বইটি আপনার মাঝে সৃষ্টি করবে নতুন কোনো দ্বার। সহায়তা করবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।আমি মনে করে প্রত্যেকেরই এই বইটি পড়া উচিত। উপহার হিসেবে বইটি অনন্য।

      By Abdullah Nayeem

      11 Dec 2019 12:05 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বিয়ে শব্দটি নিয়ে জল্পনা কল্পনার কোনো শেষ নেই! অভিজ্ঞদের মতে, বিয়ে হল দিল্লীকা লাড্ডু, খেলেও পস্তাতে হবে না খেলেও পস্তাতে হবে!! তরুণদের কাছে বিয়ে এমন এক ফ্যান্টাসির নাম যার জন্য প্রত্যেক তরুণ দিবানিশি নানা স্বপ্নে বিভোর থাকে। কিন্তু আসলে কি বিয়ে শুধুই ফ্যান্টাসি নাকি এক বিশাল দায়িত্বের বোঝা নাকি প্রেম ভালোবাসা ও দায়িত্বের এক সম্মিলন। এই সব বিষয় নিয়েই কিছু সুলিখিত, মজার গল্পের সমাহার রেহনুমা বিনতে আনিসের লেখা "বিয়ে"। লেখিকা পড়াশুনা এবং কর্মের খাতিরে অজস্র মানুষের সংস্পর্শে আসা অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা এই গল্পগুলো!

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!