
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ বই❤️
Was this review helpful to you?
or
onak sundor laglo
Was this review helpful to you?
or
good book
Was this review helpful to you?
or
সত্যিই অসাধারণ একটা বই।
Was this review helpful to you?
or
A really wonderful book.
Was this review helpful to you?
or
কবিতা হৃদয়-তরঙ্গের বাহ্যিক প্রতিফলন। কবিতার রয়েছে অসাধারন এক শক্তি, যা দিয়ে সে কবিতাপ্রেমীদের মুগ্ধতার সাগরে সাঁতার কাটিয়ে নেয়। সাধারণ কথায় যা মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারে না, ছন্দবদ্ধ কথায় তা মানুষের হৃদয়কে জয় করে ফেলতে পাারে। এমনই কিছু হৃদয়স্পর্শী কাব্যকে মলাটবদ্ধ করা হয়েছে ‘সবুজ চাঁদের নীল জোছনা’-তে। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাসমূহে আলোড়িত হয়েছে বিশ্বাসের প্রতিধ্বনি। অঙ্কিত হয়েছে পবিত্র ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। ধ্বনিত হয়েছে মহা সত্যের জয়গান; যা পাঠকের মাসনপটে পরিতৃপ্তির আল্পনা এঁকে দেবে ইনশাল্লাহ।
Was this review helpful to you?
or
এই কাব্যগ্রন্থটি আমাকে নতুন করে কবিতার স্বাদ নিতে তৃষ্ণার্ত করছে! এত চমৎকার কাব্যানুবাদ যে কোনো পাঠককে কবিতার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। আমি তো এই এক বই পড়েই 'আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব' এর ভক্ত বনে গেলাম! যদিও ইতোমধ্যে উনার বেশ কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সবকটারই প্রশংসিত, উচ্ছ্বসিত 'পাঠ প্রতিক্রিয়া' দেখেছি অনলাইনে। ~ এই কবিতাটি প্রত্যেক জ্ঞানপিপাসুকে নতুন করে প্রেরণা দেবে। বইয়ের প্রায় প্রতিটি লেখাই আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। তবে এটি নিঃসন্দেহে বিশেষ। আর উপরোক্ত কবিতার কবি তো ইসলামী জ্ঞানের জগতে এক 'মহিরুহ'। আফসোস আরবি ভাষা জানি না। না জানি আরবি সাহিত্য কত বিস্তৃত!
Was this review helpful to you?
or
সুবোধ্য, সাবলীল ছন্দময় ভাবে প্রানের কথা বলে ভাবের আলাপ করে আর সাথে থাকে নৈতিকতার বোনাস।
Was this review helpful to you?
or
~পাঠ পতিক্রিয়া এই কাব্যগ্রন্থটি আমাকে নতুন করে কবিতার স্বাদ নিতে তৃষ্ণার্ত করছে! এত চমৎকার কাব্যানুবাদ যে কোনো পাঠককে কবিতার প্রতি আগ্রহী করে তুলবে। আমি তো এই এক বই পড়েই 'আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব' এর ভক্ত বনে গেলাম! যদিও ইতোমধ্যে উনার বেশ কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সবকটারই প্রশংসিত, উচ্ছ্বসিত 'পাঠ প্রতিক্রিয়া' দেখেছি। এমনকি পাঠকমহলে উনার কাব্যানুবাদ স্বকীয় মর্যাদা পাচ্ছে 'নজীবানুবাদ' নামে। শক্তিমান এই কবি-লেখককে জানার যাত্রা 'সবুজ চাঁদে নীল জোছনা' বইয়ের মাধ্যমে শুরু করতে পারেন পাঠক।❤️
Was this review helpful to you?
or
মাশাআল্লাহ
Was this review helpful to you?
or
এই বইটা যে পড়েনাই সে একটা মাস্টারপিস বই মিস করল! ভাইরে ভাই। এ ক টি হা সি র ই তি বৃ ত্ত কবিতাটা পড়ে জাস্ট তব্দা খেয়ে গেলাম। ছন্দ আছে, নি:শ্বাস নেয়ার একটা জায়গা আছে; আর কি আছে? পইড়া ফেলান ভাইয়্যু...
Was this review helpful to you?
or
"হৃদয়ের ব্যাকরণ বোঝা অসাধ্য যার আমার কবিতা পাঠের যোগ্য নয় সে।" . কবিতা লিখার জন্য যোগ্যতার প্রয়োজন, কিন্তু কবিতা পড়ার জন্যও যে বিশেষ যোগ্যতা লাগে সেটা আগে কখনোই মাথায় আসেনি। . এই অদ্ভূত সুন্দর যোগ্যতা কতজনের আছে! আমার-ই বা আছে কিনা জানিনা, তবে কবিতাগুলো এক নিশ্বাসে পড়ে ফেলেছি। বই পড়েছি ঠিক, কিন্তু বইয়ের মধ্যে ছিলাম না, ছিলাম মূলত এক ঘোরের মধ্যে। . প্রস্থানের পর কবিতাটা যখন পড়ি, তখন জীবনানন্দ দাশের কবিতার শব্দসৌধ মনের মধ্যে উঁকিঝুঁকি দিয়েছে অনেকবার। কিন্তু সেই শব্দসৌধ ভেদ করে তৎক্ষণাৎ মন চলে গেছে চিরনিদ্রায় শায়িত নিঃসঙ্গ রাত্রির সেই জীর্ণ কুটিরে। . আবার 'একটি হাসির ইতিবৃত্ত' ও 'সূর্যাস্তের সূর্যোদয়' কবিতাকে শুধু কবিতা মনে হয়নি। মনে হয়েছে যেন কবিতার সুরে বাঁধা কোন নৌকোয় চড়ে গল্পের নদীতে বয়ে বেড়াচ্ছি। কিন্তু বিশাল সে নদীতে ঢেউয়ের একটুও ছন্দপতন হয়নি, ঢেউয়ের গর্জনে কখনো আতঙ্ক কিম্বা ঢেউয়ের নীরবতায় কখনো বিরক্তির উদ্রেক হয়নি। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে বিয়ের 'আকদ, জীবন নদীর নতুন বাঁক নিয়ে নদীযাত্রার এমন চিত্র যেকোন সাহিত্যেই পাওয়া দুষ্কর। . ঈমাম শাফিঈ রাহিমাহুল্লাহ এর কাব্যপ্রতিভার কথা শুনেছি বেশ আগে। কিন্তু তাঁর কাব্যগৃৃহে প্রবেশের সুযোগ হয়নি কখনোই। সবুজ চাঁদের নীল জোছনায় চড়ে সেখানে গিয়ে দেখতে পেয়েছি তিনি বিনিদ্র রজনী বই নিয়ে জ্ঞান আহরণ করছেন। হঠাৎ কোন জটিল মাসআলার সমাধান পাওয়ায়, লেখার সময় কলমের আঁচড়ের শব্দে, ধূলোমাখা বই পরিষ্কারের সময় বই ও হাতের সংঘর্ষের শব্দে ঈমাম শাফিঈর তৃপ্তির অনুভূতি কেমন ছিল, সেটাও অনুভব করেছি। . আরবি ও ইংরেজি সাহিত্যের অন্য অনেক কবির সাক্ষাৎ পেয়েছি যাত্রাপথে। তবে তাঁদের সাথে পরিচয়ে দোভাষীর কাজটা নজীব ভাই-ই করেছেন। . নীল জোছনার ভ্রমণে প্রিয়তমার হাতের ঘ্রাণের মিষ্টতা যেমন মোহনীয় করে তুলেছে, জিহাদের ময়দানে ঘোড়ার খুরের আঁচড়ে উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণার ঘ্রাণও উদ্বেলিত করেছে, আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। দুই-তিনটা কবিতা অতি সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে, তবে সেগুলোর মধ্যেও রসের অভাব হয়নি। . ৭১ পৃষ্ঠার আর ১৫০ টাকা মূল্যের এই বইয়ে আপনি এতো মূল্যবান কিছু পাবেন, সেটা আপনাকে বুঝাতে গেলে পুরো বই-ই এখানে তুলে ধরতে হবে। সাময়িক মনোরঞ্জন নয় শুধু, আত্মার কিছু খোরাকও পেয়েছি এই বইয়ে। এই অমূল্য রত্নগুলো কুড়িয়ে আমাদের সামনে নিয়ে আসার জন্য গার্ডিয়ান প্রকাশনীর একটা ধন্যবাদ অবশ্যই প্রাপ্য। . "সমুদ্রের তৃষ্ণা পেয়েছে তাকে জলপান করানোর জন্য একজন কবি ছাড়া কেউ নেই এখানে।" . সত্যিই! জনসমুদ্রের তেষ্টা মেটাতে আপনার মতো আরো অনেক কবির প্রয়োজন। আর আপনাদের হাত ধরেই সেই অনাগত কবিরা জলপান করানোর তাজভীদ শিখে নিবে। .____________________________ (রিভিউ লিখেছেন শাহ মারুফ)
Was this review helpful to you?
or
কত চমৎকার হতে পারে কবিতার ভাষা.... অসাধারণ
Was this review helpful to you?
or
আমার ছোটো কাঁধে এখন বড়ো হওয়ার দায়, ছোটো হতে চাওয়া এখন শুনেছি অন্যায়। মনের ভেতর একটা শিশু ডুকরে যখন কাঁদে হঠাৎ করে ইচ্ছে জাগে উঠতে বাবার কাঁধে বড়ো হওয়ার বোধটা তখন আমাকে বাধ সাধে।
Was this review helpful to you?
or
সারারাত জেগে জ্ঞান আহরণে যেই স্বাদ আমি পাই সতী কুমারীর পরশেও যেন তত আনন্দ নাই রাতভর শুধু অধ্যয়নের মাঝে যে তৃপ্তি আছে প্রিয়ার কোমল আলিঙ্গনও তুচ্ছ সেটারও কাছে। কাগজে লেখার সময় যখন কলম শব্দ করে কানে এসে বাজে সেই শব্দের ধ্বনিটা মধুর স্বরে প্রেমের আলাপে, হাসি-আড্ডায় এত মিষ্টতা নেই যত মিষ্টতা খুঁজে পাই আমি লেখনীর শব্দেই। গায়কী যখন তবলা বাজায়, ঢেঁড়িতে ছড়ায় জাদু তোমরা তো ভাবো, আর কিছু নেই এর চেয়ে ঢের স্বাদু! বই থেকে ধুলো ঝাড়ার সময় হাতের যে ঢাক বাজে এর চে' দারুন নাকাড়ার সুর আছে পৃথিবীর মাঝে? তোমাদের চোখে উপভোগ শুধু মদের পেয়ালা পানে আমিও আমুদে বিশ্বাসী, তবে রয়েছে ভিন্ন মানে। পাঠে পেয়ে যাই যখনই জটিল মাসআলা কোনোখানে শরাবের চেয়ে বেশি মজা সেই সমস্যা সমাধানে। পড়ার মধ্যে মগ্ন থেকেই রাত হয়ে যায় ভোর তোমার রাত্রি জুড়ে আছে শুধু অচেতন ঘুমঘোর আমার মতোন পড়ুয়া হওয়ার স্বপ্ন সবাই দেখে কিন্তু চায় না বইয়ে ডুবে যেতে ঘুমটাকে দূরে রেখে।
Was this review helpful to you?
or
আমার ছোটো কাঁধে এখন বড়ো হওয়ার দায়, ছোটো হতে চাওয়া এখন শুনেছি অন্যায়। মনের ভেতর একটা শিশু ডুকরে যখন কাঁদে হঠাৎ করে ইচ্ছে জাগে উঠতে বাবার কাঁধে বড়ো হওয়ার বোধটা তখন আমাকে বাধ সাধে। বই:সবুজ চাঁদে নীল জোছনা লেখক:আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব প্রকাশনী: গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
Was this review helpful to you?
or
অসাধারণ
Was this review helpful to you?
or
কবিতা জিনিসটা আমার কখনোই পছন্দ ছিলো না! কিন্তু এই বইটার কিছু কবিতার প্রত্যেকটা লাইনে এমন কিছু অনুভূতি মিশে আছে যেটা আসলে কাব্য ছাড়া আর কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়!
Was this review helpful to you?
or
কবিতা পড়তে ভালো লাগত না; অপছন্দের এক টপিক। অথচ, সাহিত্যের অন্যতম রসালো-মজাদার উপস্থাপনা কবিতা। নজরুল, ফররুখ, আল মাহমুদ আর মতিউর রহমান মল্লিকের কয়েকটা বাছাইকৃত কবিতা ছাড়া খুব কম কবিতার সাগরে ডুব দিয়েছি। গার্ডিয়ান থেকে কখনও কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করা হবে না- এমন এক বোঝাপড়ার মধ্যে ছিলাম আমরা। কিন্তু কীভাবে যেন একদিন আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব-এর কবিতার ওপরে চোখ-জোড়া আটকে গেল। আ রে! এই ছেলে আবার কে? আমার মতো বাজে পাঠককে এই ছেলেটা কেমনে আটকে রাখছে কবিতায়? ভালোর তো একটা সীমানা আছে, তাই না? ছেলেটার কবিতা সেই সীমানা পাড়ি দিয়ে ঢুকে যাচ্ছে অন্য জগতে। আচ্ছা! বিশ্বাস হচ্ছে না। এই তো? ওকে। ইতোমধ্যে অনেকেই নজীবের কবিতার ঘ্রাণ শুঁকেছেন। চোখ মেলে আমিও কিছু ঘ্রাণ অনুভব করেছি। চোখ দিয়ে ঘ্রাণ নেওয়া যায় কেমনে? নিচের কয়টি লাইনে আপনি জাস্ট চোখটা মেলে ধরুন। দেখুন তো কোনো ঘ্রাণ অনুভব করতে পারেন কিনা! তার আগে জানিয়ে রাখছি, নজীব ছেলেটা আজতক বিয়ে করেনি। ওর বাবা-মা যে আশু বিপদের সম্মুখীন হতে যাচ্ছে, তা আমি নিশ্চিত। কারণ, নজীবের চোখ এখন এমন এক কবিতায়, যেখানে বিপদের গন্ধ আছে ঢের! আরবি কবিতা পড়ে কিংবা আবৃতি করে চুপ থাকলেও মুশকিল ছিল না। নজীব তার বাংলা তরজমাও করে বসেছে! বাংলাভাষীদের কাছে কী যেন সে বলে দিলো! রোমান্টিসিজম-এর পুকুর পাড়ে বসে নজীব তরজমা করছে- { আমরা যখন সৈকতে যাব, সমুদ্রের পানিতে তোমার দুই পা বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রেখো না। পানি সব মিষ্টি হয়ে গেলে সামুদ্রিক মাছগুলো বাঁচতে পারবে না। } --------------------------------------------- বুঝতে পারছেন? পানি কোন দিকে গড়াচ্ছে? কবি-প্রেম কি এমনই হয়? এই ছেলের সম্ভাব্য স্ত্রীকে আগাম শুভেচ্ছা না জানিয়ে উপায় আছে বলুন? মনে মনে কলা খেয়ে বসে আছে ছেলেটা। নজীব তার সম্ভাব্য প্রিয়তমাকে কল্পনা বলছে- { আমরা তো একসাথেই অজু করি কিন্তু যখন একসাথে হজ করতে যাব, মাফ করবে, তোমার অজুর পানিতে আমি শরিক হতে পারব না কেননা, ইহরাম বাঁধার পর সুগন্ধি ব্যবহারের অনুমতি নেই। } ---------------------------------------------------------------------- গোলাপ ফুল কার না প্রিয়? নজীবের প্রিয়তমারও পছন্দের ফুল গোলাপ। কিন্তু মুশকিল হলো তার কাছে দুটি গোলাপ ছিল সেদিন। বুঝতে পারছে না, কোন গোলাপটা বেশি সুন্দর! প্রিয়তমা স্ত্রী নজীবকে দুটো থেকে সেরাটা বেছে দিতে বলেছিল। নজীব সেরা গোলাপ বাছাই করে দিলো ঠিক এভাবে- {তোমার হাতে দুইটি গোলাপ আমাকে জিজ্ঞাসা করলে: কোন গোলাপটা বেশি সুন্দর? আমার ডান হাতে যেটা, নাকি বাম হাতেরটা? আমি উত্তর দিলাম: মাঝখানের গোলাপটাই বেশি সুন্দর।} ------------------------------------------------------------------ নজীবের প্রেমিক হৃদয়ের সবটুকু জায়গাজুড়ে কেবলই কি সম্ভাব্য প্রেয়সীর অবস্থান? না। এমনটি ভাবলে নজীবের প্রতি জুলুম হবে। নজীবের হৃদয়জুড়ে বসত করে অন্য আরেক প্রিয়তম! কে সেই প্রিয়তম? নজীব পরিচয় দিচ্ছে- { সাইয়েদুল মুরসালিন, হে আমার নিমগ্ন কবিতা! বিষণ্ন জুমার দুপুরে তোমার নামের দরুদ আমার বিপন্ন বুকে একফোঁটা আবেহায়াত। তোমাকে সালাম দিলে মনে হয় শুধু মনে হয়, আমার পাথুরে হৃদয়ে ফুটে আছে পারিজাত কলি তুমি ছুঁয়ে দাওনি বলে এই ফুলে আসে না অলি। } --------------------------------------------------------- এবার নজীবের নিরবতার ভাষাটা পড়ব। কারণ, নজীব মাঝেমাঝেই সবার মাঝ থেকে হারিয়ে যায়, নিরবতাকে আলিঙ্গণ করে। ফেসবুক, টুইটার, আড্ডা, গল্প ফেলে একাকীত্বকে বুকে টেনে নেয়। কেন এমন করে সে? জবাব দিচ্ছে নিজেই। আপনারা যারা কবিকে নিরব দেখে অভিমান করেন, তারা শুনুন- {একটা লোকের মন্দ কথায় জবাব দেইনি দেখে সবাই ভীষণ অবাক হয়েছে, বলল আমাকে ডেকে: ‘কী বাদানুবাদ! তবুও আপনি জবাব দেননি তার!’ বলি, ‘কিছু কিছু উত্তর খোলে বিড়ম্বনার দ্বার বোকা-নির্বোধ হইচই করে তৃপ্তি যখন পায় তাদের কথায় চুপ থাকলেই মান ধরে রাখা যায়।’ সিংহকে দেখো, আমরা সবাই কত ভয় পাই তাকে! অথচ বনের রাজা মহাশয় চুপচাপ বসে থাকে। কুকুরের গায়ে ঢিল ছোঁড়া হয়, পাত্তা দেয় না কেউ অথচ কথার শেষ নেই তার, সারাদিন ঘেউ ঘেউ!’} --------------------------------------------------------- এবার নজীব একটা গল্প শুনাচ্ছে। প্রস্তুত আপনারা? ছোটো গল্প। রবিন্দ্রনাথের ছোটো গল্পের চেয়েও ছোটো। তবে ওজনে কতটা বড়ো, জানি না। আপনি একটু মেপে দেখুন একবার। { জাবাল-আত-তারিকের সুউচ্চ চূড়ায় দাঁড়িয়ে অথবা সিন্ধু নদের অববাহিকায় উপনীত হয়ে আল-আকসার ধূসর গম্বুজে চোখ রেখে আমি তোমাদের শুনিয়ে দিচ্ছি পৃথিবীর সবচে গুরুত্বপূর্ণ গল্প: একদা আমাদের শরীরে মেরুদণ্ড ছিল। } --------------------------------------------------------- নজীব তার পরিণতির কথা ভাবেন প্রায়শই। কবি আয়নায় নিজেকে দেখেন, বোঝেন। নজীব কবিদের জীবনের নির্মম নিয়তি দেখে আঁতকে ওঠে। { কবি বাটলার জীবিত যখন, অভাবী ছিলেন তিনি কোনো দানবীর একবেলা ভাত দেয়নি কোনোদিনই দেখো, মৃত তিনি, দেহটা যখন মাটিতে হয়েছে সার এখন বিশাল আবক্ষ ভাস্কর্য বানাল তার, এ কি পরিহাস কবিভাগ্যের! জীবন কতটা কাতর! চেয়েছিলো এক টুকরো রুটি সে, পেয়েছে একটা পাথর। } --------------------------------------------------------------- তবুও নজীব লিখে যায়। অক্লান্ত। কলম থামে না, থামতে চায় না। কারণ, { সমুদ্রের তৃষ্ণা পেয়েছে তাকে জলপান করানোর জন্যে একজন কবি ছাড়া কেউ নেই এখানে। } --------------------------------------------------------------- এবার কবি যাওয়ার ডাক পেয়েছে। কবিতা, খাতা-কলম ফেলে অসীমের পানে ছুটতে যাচ্ছে কবি। না, মন চাইছে থেকে যেতে। এত মায়া, ভালোবাসা ফেলে কী করে যাওয়া যায়? নজীবের প্রত্যাশা- { এমন যদি হতো আমার প্রস্থানের পর কুঁড়ি মেলবে না দোপাটি ফুল জারুলের বৃতি থেকে ঝরে যাবে কোমল পাপড়ি একজন অনাহূত আগন্তুকের বিদায়ে শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করবে নিশ্চুপ ডাহুক, আর সাড়া দিয়ে ডাকে তার জোনাক পোকা নেবে না ভেজা বকুলের ঘ্রাণ সোনালু ফুলের গাছে ঝুলবে না কোনো হলুদ লণ্ঠন! না, তা হবে না আমার না-থাকা জুড়ে সবই থাকবে। প্রতিদিন ভোর হবে ঠিক ঠিক উঠোনের ধুলো উড়িয়ে নেবে বাউকুমটা বাতাস মায়ের গলা ধরে ঝুলবে মক্তব-ফেরত শিশু কদমছায়ায় বেলফুলের মালা গাঁথবে বিভোল কিশোরী, সময়ের পলিদ্বীপে উপচে পড়বে বহতা প্রাণের কল্লোল, অথচ এই আশ্চর্য সুন্দর পৃথিবী আমার থাকবে না অথচ এই জীবনের কোলাহলে থাকব না আমি, কী আশ্চর্য! প্রতিদিন দুপুর হবে, সন্ধ্যা নামবে জীবনের মাহফিলে ভীড় জমবে আগের মতো, মাধবী ফুলের গুচ্ছ ঘিরে মৌমাছিদের গান শালবনের কোলঘেঁষা সঙ্গীতমুখর নদী বাতাবি নেবুর গাছে জড়ানো আষাঢ়ী লতা দিঘির ঘাটে লেপটে থাকা নিরীহ শামুক সব থাকবে, শুধু আমি থাকব না, কী আশ্চর্য! }
Was this review helpful to you?
or
বইটা অতিরিক্ত পছন্দের হবার শুধু একটাই কারন তা হলো ছন্দময় কবিতা গুলো আর এই বই প্রথম পেয়েছিলাম একটা পৃষ্ঠা মাত্র এর পর বাকিগুলো পড়ার জন্য একটা নেশা হয়ে গিয়েছে । ধন্যবাদ লেখকের এই বইয়ের জন্য




