
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
Was this review helpful to you?
or
#কী_লিখি_তোমায় বই: কী লিখি তোমায় লেখক: শিরিন শবনম প্রচ্ছদ: ফারিহা তাবাসসুম প্রকাশনী: চলন্তিকা মূল্য: ৩৫০ টাকা কিছু বই কেবল পড়ার জন্য নয়, বরং অনুভব করার জন্য। শিরিন শবনমের “কী লিখি তোমায়” ঠিক তেমনই একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি কেবল কতগুলো শব্দের সমষ্টি নয়, বরং চিঠির ভাঁজে লুকিয়ে রাখা একরাশ অপ্রকাশিত আবেগের নাম। শিরিন শবনমের 'কি লিখি তোমায়' বইটির ভাষা যেমন সহজ, তেমনি প্রতিটা লেখায় লুকিয়ে আছে গভীর আবেগ। বইটির প্রতিটি লেখা এক একটি অন্তরঙ্গ স্বীকারোক্তির মতো। পড়তে পড়তে মনে হয়, লেখিকা যেন পাঠকের মনের অব্যক্ত কথাগুলোই কাগজে রূপ দিয়েছেন। কোনো জটিল শব্দ ছাড়াই খুব সাধারণ ভঙ্গিতে গভীর অনুভূতির কথা বলা হয়েছে। লেখার ভেতরে একটা চাপা সুর আছে যা হৃদয়ে নাড়া দেয়। এই বইটি মূলত তাদের জন্য যারা কোলাহলের চেয়ে নিস্তব্ধতা বেশি পছন্দ করেন। যারা শব্দের ভিড়ে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চান, একাকী বিকেলে এক কাপ চায়ের সাথে এই বইটি হতে পারে আপনার দারুণ এক সঙ্গী।
Was this review helpful to you?
or
বিভিন্ন মুডের জন্য বিভিন্ন কবিতা। মাঝে মাঝে এমন কবিতার বই ভালই লাগে !
Was this review helpful to you?
or
#কী_লিখি_তোমায় " আমি এ জীবনেই তোমাকে পেয়েছি--অমর হয়ে থাকা কিছু কথামালায়। আমার শুধু জানার ছিলো, তোমার চোখে-- ... কে আমি? তুমি ভয় পেলে। পালালে। আমি কেন খুঁজব? আমি শুধু আমার প্রেমকে লালন করি! (কবিতা : কী লিখি তোমায় ) ✍️ কবিতা হলো হৃদয়ের সেই অব্যক্ত সুর, যা কখনো শব্দে ফোটে, আবার কখনো নীরবতার আড়ালে রয়ে যায়। সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যের আঙিনায় লেখক ও কবি শিরিন শবনম এক পরিচিত নাম। তাঁর নতুন কাব্যগ্রন্থ "কী লিখি তোমায়" যেন এক দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান আর কিছু না বলা চিঠির কাব্যিক সংকলন। কবিতার আড়ালে জীবনের গল্প বলে যাওয়া কিন্তু সহজ কথা নয়। " তোমার হাসির বাইরে নেই অন্য কোনো প্রত্যাশা আমার নেই আর কিছুর কোনো আয়োজন। সব স্বপ্নকথার আগামীর পথ চিনতে চায় না, তবু জোছনারা গড়িয়ে আসে শূন্য বিছানায়। " ( কবিতা: মায়ার কাঁপন ) ✍️ হৃদয়ের গোপন ভাঁজে জমানো একগুচ্ছ অপ্রকাশিত চিঠির সমন্বয় যেন এই কাব্যগ্রন্থটি। কিছু বই থাকে যা কেবল পড়ার জন্য নয়, বরং অনুভব করার জন্য। শিরিন শবনম-এর 'কী লিখি তোমায়' ঠিক তেমনই একটি সৃষ্টি। বইটির নামেই যেন এক অদ্ভুত মায়া, দ্বিধা আর অব্যক্ত হাহাকার মিশে আছে। প্রচ্ছদশিল্পী ফারিহা তাবাসসুমের তুলিতে বইটির অবয়বে যে বিষণ্ণ সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে, তা পাঠককে শুরুতেই এক নিঃসঙ্গ অথচ স্নিগ্ধ জগতের হাতছানি দেয়। "স্থবির হলো সময়, দুর্যোধনের গদায় হলো অকাল বোধন ফিরে গেল শব্দের কাকলীর, অনাঘ্রাত স্বপ্নরা শোরগোল তুলল কালের যাত্রাপথ প্রেমের শবদাহে নিষ্ঠুর নির্দয় এক এপিটাফ হলো লেখা -- ( কবিতা : এপিটাফ ) বইটি ৭২টি মনস্তাত্ত্বিক উপলব্ধির এক অনন্য সংকলন। আমাদের জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আসে যখন মনের ভেতর কথার পাহাড় জমে থাকে, কিন্তু সঠিক শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় না। লেখিকা সেই থমকে যাওয়া মুহূর্তগুলোকেই অত্যন্ত সাহসের সাথে শব্দের রূপ দিয়েছেন। এটি কেবল গদ্যকাব্য নয়, বরং এক নারীর সমগ্র সত্তা উজাড় করে দেওয়া এক দীর্ঘ আকুতি। এখানে প্রেম মানে কেবল পাওয়া নয়, বরং এক নীরব আত্মনিবেদন। কোথাও অভিমান আছে, কোথাও অনন্ত অপেক্ষা, আবার কোথাও নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার লড়াই। লেখিকার ভাষাভঙ্গি কোনো কঠিন ব্যাকরণ বা ছন্দের নিগড়ে বন্দি নয়, বরং তা সহজ, সাবলীল এবং সরাসরি হৃদয়ে গিয়ে আঘাত করে। পড়তে পড়তে মনে হয়, এ যেন কোনো ডায়েরির পাতা থেকে উঠে আসা সেই সব সত্য, যা আমরা সচরাচর কাউকে বলতে পারি না। "আমি জানি, তুমি বাঁধা পড়েছ তোমার নিজের মনের ভাঙা আরশিতে। টুকরো হয়ে যাওয়া সব প্রতিবিম্ব মিলেমিশে তা যখন একটি মুখে এসেই মিশে। " ( কবিতা : হৃদয়ের ক্যানভাস - ২) ✍️ সবশেষে বলব, 'কী লিখি তোমায়' কেবল একটি বই নয়, এটি একাকী মুহূর্তের এক বিশ্বস্ত সঙ্গী। যারা শব্দের চেয়ে অনুভবের গভীরতা বেশি খোঁজেন, তাদের বুকশেলফে এই বইটি এক বিশুদ্ধ ও সাহসী সংযোজন হিসেবে টিকে থাকবে। সমকালীন সাহিত্যের ভিড়ে এটি একটি স্নিগ্ধ পশলা বৃষ্টির মতো, যা পাঠকের মনে দীর্ঘক্ষণ রেশ রেখে যায়। "আমার অনাঘ্রত প্রেম তোমার কাছেই থাকুক তোমার বিস্মৃতি তোমার নীরবতার হিমে ম্লান হবে না তা শব্দ বাক্যে সাজাবে হয়তো তারে তোমার কুয়াশা দিনে হে সখা, হে প্রিয়তম! থাক শুধু অমলিন এইটুকু পরিচয়! ... ইতিহীন ইতি । ( কবিতা : শেষ পৃষ্ঠার ইতিহীন চিঠি )
Was this review helpful to you?
or
শিরিন শবনমের কাব্যগ্রন্থ ‘কী লিখি তোমায়’ হাতে পাওয়ার পর থেকে এক অদ্ভুত ভালোলাগা কাজ করছে। বইয়ের মলাটটা ঠিক যেন মনের আয়না—সেই নীল ফুলের স্তবক আর জ্বলন্ত মোমবাতি এক সৃজনশীলতার কথা বলে। বইটির সূচিপত্র দেখলেই বোঝা যায় এটি কোনো সাধারণ কবিতার বই নয়। ‘আদিম আলোকপ্রভা’, ‘নিউরনের করিডোর’ কিংবা ‘অদেখা সময় গড়ায়’-এর মতো শিরোনামগুলোই বলে দেয় কতটা গভীর অর্ন্তরদৃষ্টিতে লেখক জীবকে দেখে। ফ্ল্যাপে লেখক লিখেছে তিনি কবিতার ব্যাকরণ বা ছন্দ বোঝেন না, কিন্তু তাহার এই ‘উপলব্ধিকথন’গুলো আসলে আত্মার গভীর থেকে আসা এক একটি বিশুদ্ধ সুর। প্রতিটি লেখায় এক ধরণের সাহসিকতা আছে, যা পাঠকদের মনে করিয়ে দেয় যে—কবিতা আসলে মানুষের মনের এক স্বচ্ছ প্রতিফলন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত, অর্থাৎ ‘কী লিখি তোমায়’ থেকে ‘শেষ পৃষ্ঠার ইতিহীন চিঠি’ পর্যন্ত প্রতিটি পাতায় লেখক নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে। লেখকের এই কাব্যিক পথচলা দীর্ঘ হোক। কলমের এই সাহসের জয় হোক। আমি নিশ্চিত, বইয়ের এই শব্দের বুনন আর অনুভূতির ছোঁয়া প্রতিটি পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করবে। লেখকের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
Was this review helpful to you?
or
শিরিন শবনমের "কী লিখি তোমায়" কাব্য গ্রন্থটির প্রত্যেকটা কবিতা যেনো রত্নাকর থেকে বেড়িয়ে আসা একেকটা অমূল্য রত্ন যা স্বতন্ত্রভাবে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত....! প্রেমের অনুভূতি হৃদয়ের গভীর থেকে উৎসারিত এবং ব্যক্তিভেদে তা আলাদা হয়ে থাকে, কিন্তু এই প্রতিভাবান কবি যেনো সকল প্রেম পিয়াসিদের একই বীণার তারে বেঁধে একই সুর বাজিয়েছেন । তাই কবিতা পড়ে প্রতিটা পাঠকের মনে হয় এ যেনো আমারি কথা, এ যেনো আমারি হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ।
Was this review helpful to you?
or
বই রিভিউ কাব্যগ্রন্থ: কী লিখি তোমায় লেখক : শিরিন শবনম রিভিউ লিখেছেন : খালেদুল ইসলাম প্রিয়তম! কী লিখি তোমায়! এই ভাবনার সঠিক কোনো উত্তর নেই। হিউম্যান জিনে ভাবনার জগত ডেপেলপ হওয়ার পর থেকে যুগে যুগে মনীষীগন নিজের নিজের উপলব্ধির হাজার লক্ষ বিলিয়ন্স ভাবনা লিখে গিয়েছেন কিন্তু "কী লিখি তোমায়!" ভাবনার সঠিক কোনো উত্তর বা সমাধান তাতে নেই। প্রতিটি মানুষের চিন্তার জগৎ আলাদা। প্রতিটি মানুষের উপলব্ধির প্রাপ্তি আলাদা। তবে সবার উপলব্ধিতেই " কী লিখি তোমায়!" ভাবনা কম বেশি একটি বিন্দুতে ছেদ করে। নিজের হৃদয়ের কথা ব্যক্ত তার দেখা অথবা অদেখা প্রেমকে ঘিরে। আমি এখনও পড়েই যাছি কবিতাগুলো। প্রতিটি মানুষেরই হৃদয়ের কথা যেগুলো সে প্রকাশ করতে পারেনা সহজাত ভাবে তাদের অব্যাক্ত কথা শিরিন শবনম বলেছে তার এই কাব্যগ্রন্থে। আমি তো পড়তে পড়তে মনে করছি যেন নিজেই কথা বলছি নিজের সাথে। ধন্যবাদ শিরিন শবনম আমার সহ সকল পাঠপকের হৃদয়ের কথা তুলে আনার জন্য। কবি গুরুর একটা গান আছে "আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল শুধাইলোনা কেহ "। শিরিন শবনম তার কী লিখি তোমায় কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় শুধিয়েছে সবার হৃদয়ের ব্যাথা বেদনা, আবেগ, আশাবাদ ভালবাসার কথা, আবার উত্তরও দিয়েছে সে সব হৃদয়ের অন্তস্থলের কথার। শিরিন শবনমের "কী লিখি তোমায়" কাব্যগ্রন্থটির প্রতিটি কাব্যে নিজ হৃদয়ের উথাল পাথাল টের পাচ্ছি। মনে হয় যেন নিজের তারুণ্যে ফিরে গিয়ে শিরিন শবনমের উপলব্ধিকথনকে নিজের মধ্যে ধরতে পারছি। যেন হারানো আমিকে নতুন করে উপলব্ধি করছি। এ যেন আমারি হৃদয়ের হিম হয়ে থাকা কথামালা। আমার মনে হয় সাহিত্যের পাঠক এবং প্রেমিক হৃদয় মাত্রই আপন আপন হৃদয়ের ছায়া পাবে "কী লিখি তোমায়" প্রতিটি কাব্যে। সাহিত্যপ্রিয়, কাব্যপ্রীতিতে মজা পাঠক বন্ধুগণ "কী লিখি তোমায়" কাব্যগ্রন্থটিতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও হারিয়ে যাবেন বলে আমার আস্থা শতভাগ। প্রচ্ছদ কনসেপ্ট আবেগের সাথে মানানসই। সৃজনশীলতায় অনবদ্য। তবে কাগজ বা কালির সংমিশ্রণের কোনো কারনে ঔজ্জ্বল্যতাটা ঠিক ফুটে ওঠেনি বলে আমার মনে হয়েছে। পরিশেষে "কী লিখি তোমায়" কাব্যগ্রন্থের পাঠকপ্রিয়তা কামনা করি।
Was this review helpful to you?
or
✍️কী লিখি তোমায় — শিরিন শবনম কী লিখি তোমায় কোনো সাধারণ কবিতার বই নয়—এটি একান্ত ব্যক্তিগত অনুভবের ডায়েরি, যেখানে শব্দ নয়, হৃদয়ের নীরবতা আগে কথা বলে। শিরিন শবনম এই গ্রন্থে প্রেমকে উপস্থাপন করেছেন কোনো নাটকীয় উচ্ছ্বাসে নয়, বরং গভীর আত্মসংলাপের ভেতর দিয়ে। এখানে প্রেম মানে প্রাপ্তি নয়, প্রেম মানে বোঝা—নিজেকে, অন্যকে, আর জীবনের অসম্পূর্ণতাকে। সূচির দিকে তাকালেই বোঝা যায়, এই বইয়ের কবিতাগুলো আলাদা আলাদা হলেও ভেতরে ভেতরে এক সুতোয় গাঁথা—নিঃশব্দ আত্মসমর্পণ। “কী লিখি তোমায়”, “পিয়তি নেশা ”, “এখানে আকাশে চাঁদ”, “আমি প্রেমে পড়ি না”, “নিঃশব্দ আত্মসমর্পণ”, “শেষ পৃষ্ঠার ইতিহাস চিঠি”—শিরোনামগুলোই যেন একেকটি দীর্ঘশ্বাস, একেকটি অপূর্ণ বাক্য। শিরিন শবনমের কবিতার সবচেয়ে বড় শক্তি তার সততা। তিনি ছন্দের জটিলতা বা অলংকারের বাহুল্যে যাননি। বরং সহজ, স্বচ্ছ ভাষায় এমন অনুভূতির কথা বলেছেন, যা পাঠক নিজের জীবনের সঙ্গে অনায়াসে মিলিয়ে নিতে পারে। তাঁর কবিতায় প্রেম কখনো আত্মমগ্ন, কখনো আত্মবিসর্জন—কিন্তু কোথাও ভিক্ষা নয়। এখানে কবি বলেন না—“আমাকে ভালোবাসো”, বরং বলেন— “আমি শুধু আমার প্রেমকে লালন করি।” এই বইয়ের কবিতাগুলোতে চিঠি, অপেক্ষা, নীরবতা, সময়, আকাশ, রাত—সবকিছু মিলেমিশে এক ধরনের লিরিক্যাল প্রোজ-পোয়েট্রি তৈরি করেছে। মনে হয়, কবি যেন পাঠকের কানে খুব আস্তে কথা বলছেন—যাতে শব্দ নয়, অনুভূতিটাই পৌঁছে যায়। বিশেষ করে শেষ দিকের কবিতাগুলো—“শেষ পৃষ্ঠার ইতিহীন চিঠি”, “কোথাও কেউ নেই”, “হিসাব জানা নেই”—এখানে এসে বইটি কেবল প্রেমের নয়, জীবনের বই হয়ে ওঠে। প্রেম এখানে স্মৃতি হয়ে যায়, আর স্মৃতি হয়ে ওঠে একমাত্র সত্য। কি লিখি তোমায় পড়তে পড়তে মনে হয়— এটি এমন এক বই, যা পড়ে শেষ করা যায়, কিন্তু ফেলে রাখা যায় না। বারবার খুলে দেখতে ইচ্ছে করে—কারণ কোথাও না কোথাও, প্রতিটি পাঠক নিজের না-বলা কথাগুলো খুঁজে পায়। শিরিন শবনম এই গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন— কবিতা জোরে বলা শব্দ নয়, কবিতা হলো মনের ভেতরে জমে থাকা নীরব সত্য। এই বইটি তাদের জন্য— যারা প্রেমকে শব্দে নয়, অনুভবে বিশ্বাস করে।
Was this review helpful to you?
or
বই রিভিউ কাব্যগ্রন্থ: কী লিখি তোমায় লেখক : শিরিন শবনম প্রচ্ছদ: Fariha Tabassum রিভিউ লিখেছেন : খালেদুল ইসলাম প্রিয়তম! কী লিখি তোমায়! এই ভাবনার সঠিক কোনো উত্তর নেই। হিউম্যান জিনে ভাবনার জগত ডেপেলপ হওয়ার পর থেকে যুগে যুগে মনীষীগন নিজের নিজের উপলব্ধির হাজার লক্ষ বিলিয়ন্স ভাবনা লিখে গিয়েছেন কিন্তু "কী লিখি তোমায়!" ভাবনার সঠিক কোনো উত্তর বা সমাধান তাতে নেই। প্রতিটি মানুষের চিন্তার জগৎ আলাদা। প্রতিটি মানুষের উপলব্ধির প্রাপ্তি আলাদা। তবে সবার উপলব্ধিতেই " কী লিখি তোমায়!" ভাবনা কম বেশি একটি বিন্দুতে ছেদ করে। নিজের হৃদয়ের কথা ব্যক্ত তার দেখা অথবা অদেখা প্রেমকে ঘিরে। আমি এখনও পড়েই যাছি কবিতাগুলো। প্রতিটি মানুষেরই হৃদয়ের কথা যেগুলো সে প্রকাশ করতে পারেনা সহজাত ভাবে তাদের অব্যাক্ত কথা শিরিন শবনম বলেছে তার এই কাব্যগ্রন্থে। আমি তো পড়তে পড়তে মনে করছি যেন নিজেই কথা বলছি নিজের সাথে। ধন্যবাদ শিরিন শবনম আমার সহ সকল পাঠপকের হৃদয়ের কথা তুলে আনার জন্য। কবি গুরুর একটা গান আছে "আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল শুধাইলোনা কেহ "। শিরিন শবনম তার কী লিখি তোমায় কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি কবিতায় শুধিয়েছে সবার হৃদয়ের ব্যাথা বেদনা, আবেগ, আশাবাদ ভালবাসার কথা, আবার উত্তরও দিয়েছে সে সব হৃদয়ের অন্তস্থলের কথার। শিরিন শবনমের "কী লিখি তোমায়" কাব্যগ্রন্থটির প্রতিটি কাব্যে নিজ হৃদয়ের উথাল পাথাল টের পাচ্ছি। মনে হয় যেন নিজের তারুণ্যে ফিরে গিয়ে শিরিন শবনমের উপলব্ধিকথনকে নিজের মধ্যে ধরতে পারছি। যেন হারানো আমিকে নতুন করে উপলব্ধি করছি। এ যেন আমারি হৃদয়ের হিম হয়ে থাকা কথামালা। আমার মনে হয় সাহিত্যের পাঠক এবং প্রেমিক হৃদয় মাত্রই আপন আপন হৃদয়ের ছায়া পাবে "কী লিখি তোমায়" প্রতিটি কাব্যে। সাহিত্যপ্রিয়, কাব্যপ্রীতিতে মজা পাঠক বন্ধুগণ "কী লিখি তোমায়" কাব্যগ্রন্থটিতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও হারিয়ে যাবেন বলে আমার আস্থা শতভাগ। প্রচ্ছদ কনসেপ্ট আবেগের সাথে মানানসই। সৃজনশীলতায় অনবদ্য। তবে কাগজ বা কালির সংমিশ্রণের কোনো কারনে ঔজ্জ্বল্যতাটা ঠিক ফুটে ওঠেনি বলে আমার মনে হয়েছে। পরিশেষে "কী লিখি তোমায়" কাব্যগ্রন্থের পাঠকপ্রিয়তা কামনা করি।




