১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
"দ্য অটোবায়োগ্রাফি" বইটি সম্পর্কে কিছু কথা: তাঁর পিতৃ-প্রদত্ত নাম : মােহনদাস। পদবি : গান্ধী। পিতার নাম করমচাদ। পিতৃনাম যুক্ত করে তাঁর পূর্ণ নাম মােহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। সংক্ষেপে এম, কে, গান্ধী। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে গণপ্রদত্ত ভালবাসার উপাধিতেই তিনি বিশ্বব্যাপী পরিচিত-মহাত্মা গান্ধী। আরও সংক্ষেপে । গান্ধীজী। এক মহাকাব্যিক নায়কের জীবন তাঁর। রামায়ণের যেমন রামচন্দ্র, মহাভারতের যেমন অর্জুন তেমনই বিশশতকের ভারতীয় রাজনীতিতে মহাত্মা গান্ধী ধীরােদাত্ত নায়কের মত পুরুষােত্তম । তাই তিনি ভারতের জাতির জনক। নিরামিষভােজী বৈষ্ণব পরিবারে জন্মগ্রহণ করে, উপনিষদের ছায়াতলে ঋষিসুলভ জীবনযাপন করে। ভারতের রাজনীতিতে গান্ধীজী ছিলেন অবিসংবাদিত নেতৃত্বের অধীশ্বর। তার চারিত্রিক গুণাবলি-সততা, দৃঢ়তা, সৎসাহসিকতা, নির্লোভ, স্বদেশপ্রেম, মানবপ্রীতি অথচ অতি সাধারণ জীবনযাপন, সত্যনিষ্ঠা, বর্ণবাদ ও অস্পৃশ্যতা-বিরােধী আদর্শ, অহিংসাবাদগান্ধীজীকে মহাপুরুষের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। তাই রবীন্দ্রনাথ তাঁর সম্পর্কে লিখেছেন : ‘যুগে যুগে দৈবাৎ এই সংসারে মহাপুরুষের আগমন হয়। সবসময়ে তাঁদের দেখা পাইনে। যখন পাই সে-আমাদের সৌভাগ্য। এই মাটিতেই একজন মহাপুরুষ, যার তুলনা নেই, তিনি ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণ করেছেন। জনচিত্তজয়কারী গণনন্দিত এই নেতা অহিংসবাদের মাধ্যমে ভারতের উপনিবেশবিরােধী আন্দোলন ও স্বাধীনতা-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি। এই সংঘাতপূর্ণ বিশ্বে শান্তিবাদী ও সত্যান্বেষী মহাত্মা গান্ধীর অহিংস মতবাদ বিশ্বে নতুন জীবনদর্শনের মর্যাদা লাভ করেছে। তাই বিশ্বখ্যাত বর্ণবাদ-বিরােধী নেতা নেলসন মেন্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং, বারাক ওবামা মহাত্মা গান্ধীর শান্তিবাদী অহিংস জীবনদর্শনে আস্থাশীল। জাতি সংঘের অনুমােদনে আজ বিশ্বব্যাপী যে ‘অহিংস দিবস পালিত হয় তা গান্ধীজীর জীবনাদর্শের আলােকেই। পৃথিবীতে মহৎ মানুষের যত আত্মজীবনী আছে সেগুলাের মধ্যে ইংরেজিতে লেখা মহাত্মা গান্ধীর আত্মকথা অন্যতম। জীবনসত্য নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সত্যের অন্বেষণ এবং জীবনাদর্শে সত্যাগ্রহের প্রয়ােগের মাধ্যমে গান্ধীজী সাধারণ জীবনকে মহাপুরুষের জীবনে উন্নীত করেছেন। তাই কর্মের মাধ্যমে মােহনদাসের আটপৌরে জীবন হয়ে উঠেছে মহাত্মার মহাজীবন। আর তাঁর যাপিত জীবনের ঘটনাবলির সারাৎসার হয়েছে তার জীবনবাণী। পৃথিবীর বহু ভাষায় অনূদিত এই আত্মজীবনী আজও মানুষকে সত্যনিষ্ঠ জীবনগঠনে দীক্ষা দিতে পারে। বাঙালি পাঠকও এই মহাগ্রন্থ পাঠে উপকৃত হবেন।