ইফেকটিভ মেথড অব ডিজিটাল মার্কেটিং গ্রন্থটি লেখক তার দীর্ঘ পেশাদার অভিজ্ঞতা এবং তাত্ত্বিক জ্ঞানের ভিত্তিতে রচনা করেছেন। ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে অথবা ই-কমার্সে নিজের ব্যাবসা-বাণিজ্য পরিচালনায় ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠা সময়ের দাবি। ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে কীভাবে দক্ষতা অর্জন করবেন, তার বিশদ আলোচনা করা হয়েছে গ্রন্থটিতে। কীভাবে সব ধরনের ডিজিটাল প্লাটফর্মকে মার্কেটিং করে সফলতার স্বর্ণশিখরে আরোহণ করা যায়, সে সংক্রান্ত ইতিবাচক পদ্ধতিগুলোর খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং-এর অংশ হিসেবে এসইও, এসইএম, ইমেইল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (ফেসবুক মার্কেটিং, ইউটিউব মার্কেটিং, টুইটার মার্কেটিং, লিংডিন মার্কেটিং, ইন্সট্রাগ্রাম মার্কেটিং), কনটেন্ট মার্কেটিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ই-কমার্স মার্কেটিং, ইনবাউন্ড মার্কেটিং, আউটবাউন্ড মার্কেটিং, সি পি এ মার্কেটিং, ডিজিটাল ডিসপ্লে বিজ্ঞাপন, পুনঃলক্ষ্য স্থির এবং পুনঃমার্কেটিং, মোবাইল মার্কেটিং, ইন্টারেক্টিভ মার্কেটিং, ভাইরাল মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ডিজিটাল মিডিয়া পরিকল্পনা ও বায়িং, ওয়েব এনালিটিক্সসহ প্রয়োজনীয় অনেক বিষয়ের বিস্তারিত আলোকপাত করা হয়েছে। এবং শেষ অধ্যায়ে পাঠকের সুবিধার্থে ৫০টিরও অধিক টুলস উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আগ্রহী পাঠক সহজেই ডিজিটাল মার্কেটিং-এ ব্যাবহারিকভাবে অনুশীলন করে দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। তাই প্রিয় পাঠক, ডিজিটাল মার্কেটিং-এ ব্যাবসায় বা চাকরিতে সাফল্য চাইলে বইটি পড়ুন। কারণ লেখকের ব্যক্তিগত বিশ্বাস যে কেউ যদি এই গ্রন্থটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে এবং বইতে দেখানো পথ অনুশীলন করে, তবে উক্ত পাঠককে ডিজিটাল মার্কেটিং-এ চাকরির কোনো ইন্টারভিউতে আটকানো সম্ভব নয়; এমনকি নিজের ব্যাবসা-বাণিজ্যের পসার ঘটাতেও এটি একটি অপ্রতিরোধ্য বই। সব মিলিয়ে, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা এখন সময়ের দাবি, অন্তত বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন। কারণ এ সেক্টরে প্রচুর সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে। দক্ষ হোন, এগিয়ে যান সাফল্যের পথে।
লেখালিখি আর গণমাধ্যমে তিনি তাজবীর সজীব। সার্টিফিকেটে মোঃ তাজবীর হোসাইন। তিনি একাধারে সংগঠক, উদ্যোক্তা, লেখক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ডিজিটাল মার্কেটিং লিডার হিসেবে সুপরিচিত। ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে ক্যারিয়ারের নানা বাঁকে ৯টি জাতীয় পর্যায়ের এওয়ার্ড প্রাপ্তি তার অর্জনের ঝুলি বাড়িয়েছে। ইউনিসেফ থেকে আন্তর্জাতিক এওয়ার্ড প্রাপ্তির সম্মাননা তার প্রোফাইলকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। শিক্ষা জীবনে তিনি কুষ্টিয়া জিলা স্কুল, নটর ডেম কলেজ, এনআইএফটি, এসইউ, ঢাকা ইউনিভার্সিটির আইবিএ-এর ডিএমসি, ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে এমএমএসি, বুয়েটের ডিসিই থেকে অধ্যয়ন, জার্মানির একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একটি সার্টিফিকেট ডিগ্রি অর্জন, ৩টি ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে গ্রাজুয়েশন তার একাডেমিক প্রোফাইলকে সমৃদ্ধির শিখরে নিয়ে গেছে। গুগলের ৪টি ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৪টি কষ্টসাধ্য সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন তার একাডেমিক ভুবনে অতিরিক্ত পালক যুক্ত করেছে। এছাড়াও দেশ-বিদেশের নানাবিধ স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়ন করেছেন। তিনি শুধু পড়েছেন, ব্যাপারটি এমন নয়—তিনি ১২ বছর যাবৎ বিভিন্ন স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা সময়ে নানাভাবে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি এখন সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও এএমটি ডিপার্টমেন্টের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি কলেজ জীবন থেকেই মোট ১৬ বছর যাবৎ সহস্রাধিক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের তিনি সফট স্কিল ট্রেইনিং দিয়েছেন তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিকভাবে। হাজার হাজার কর্পোরেট সার্ভিস হোল্ডারদেরকে তিনি ডিজিটাল মার্কেটিং, গণমাধ্যম এবং সাপ্লাই চেইন নিয়ে ট্রেইনিং দিয়েছেন। প্রফেশনাল ক্যারিয়ারে তিনি প্রতিষ্ঠিত কিছু গণমাধ্যম ছাড়াও একাধিক কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। স্কুলে পড়া বালক বয়সে ২০০৫ সালে সাবেক তথ্যমন্ত্রী শামসুল ইসলামের হাত থেকে সম্মাননা প্রাপ্তি ও নটর ডেম কলেজে সহশিক্ষা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ায় কলেজের পক্ষ থেকে ২০০৮ সালে তৎকালীন শিক্ষা উপদেষ্টার হাত থেকে ‘অনারেবল ম্যানশন’ সম্মাননা অর্জন, এ দুটি অর্জন তার এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির বাউন্ডারির মধ্যে অন্যতম সেরা বলে তিনি দাবি করেন। ইতোমধ্যে তার স্বতন্ত্র ১৫টি বই প্রকাশিত হয়েছে।