১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
ইচ্ছেডানায় উড়ে সবার মতো আমারও শৈশব পার হয়েছে অনাবিল আনন্দের মধ্য দিয়ে। ইচ্ছেগুলো তখন নানান বেশে উঁকি দিয়ে যেত। ছোঁয়া দিয়ে হৃদয় অন্তটিকায় জাগিয়ে তুলতো খুশির পুলক যা ছিল সীমাহীন আনন্দের ভুবনে হারিয়ে যাওয়ার মতো। খুশি রবে কখনো ফুল সৌরভে হারিয়ে যেতাম বর্ণিল ফুলের দেশে। কখনো বা কল্পলোকে পাখির ডানায় চড়ে মেঘমালায় খুঁজে নেওয়া হতো আপন ভুবন। মৃত্তিকার পাতালেও কখনো বর্ণিল প্রজাপতির রঙে, কখনো বা ঘাসফড়িংয়ের ঢঙে জয় করে নেওয়া হতো ভালোলাগার জগৎ। সেকি আনন্দ যার কোনো ভাষা নেই! শুধু অবিশ্রান্ত কলরবে ছুটে চলা। মন-গহীনে গান ধরা। সুপ্ত হৃদয় প্রকৃতির ভালোবাসায় উজার করে দেওয়া। সেসব দিনে ফুলপরি আর লালপরি কল্পলোকে হৃদয় সুপ্ত গৃহটাকে দখল করে নিতো। হৃদয়ে ছোঁয়া লাগা মাত্র নিজেরাই স্বপ্নপুরি কল্পনায় পরিদের মতো হাতের ডানা নেড়ে নেচে-গেয়ে যেতাম গানের তালে। তখন স্বপ্নপুরির মাঠ খুশির আমেজে একাকার হয়ে যেত।
শৈশবের প্রাণচঞ্চল স্মৃতিগুলো একসময় স্মৃতিপটে অম্লীন হয়ে যায়। অতীতে ফিরে যাওয়া না হলেও শৈশব স্মরণে স্মৃতিগুলো অবিরত নাড়া দিতে থাকে। তখনই ইচ্ছা হতো স্মৃতিগুলো সর্বসাকুল্যে কবিতার ভাষায় তুলে ধরি তালে তালে। এতে করে সজ্জিত ছন্দ পদে কবিতা তৈরি মন্দ দেখাবে না। বরং কারও শৈশব-স্মৃতির সাথে মিলে গেলে আনন্দের ভাগাভাগি হবে। কবিতার প্রতি পাঠককূলের ভালোবাসা জন্মাবে। কবি-মন সবসময় পাঠকপূজারী। পাঠক-মন রাঙিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই করে যাই। আর তাই ‘ইচ্ছেডানা’ কাব্যগ্রন্থটি রচিত হয়েছে সবৈব মানব-মানবীর শৈশব স্মৃতিকথার আলোকে। আশা করি, কবিতাগুলো সকলের মন ছুঁয়ে যাবে।
কবি রোকসানা পারভীন কুমিল্লা জেলার ক্যান্টনমেন্ট অন্তগর্ত রূপসাগর পার্ক এলাকার দক্ষিণাস্থ সরকারি কোয়ার্টারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাবার চাকরির সুবাদে শৈশব-কৈশোরের দীর্ঘ সময় অনাবিল আনন্দের সাথে ক্যান্টনমেন্টের শান্তিপূর্ণ নির্মম পরিবেশে কাটিয়েছেন। তাঁর পিতা মরহুম মো. রুহুল আমিন। তিনি আঞ্চলিক অর্থ-নিয়ন্ত্রক হিসেবে কর্মজীবন পার করেছেন কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। তাঁর মা একজন গৃহিণী। কবি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গার্লস হাইস্কুল (কুমিল্লা বোর্ড) থেকে এসএসসি এবং ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ (কুমিল্লা বোর্ড) থেকে এইচএসসি পাস করেন। অতঃপর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে বিএ (অনার্স), এমএ (বাংলা) অধ্যায়ন শেষে বর্তমানে স্বনামধন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।
কর্মজীবনের অবসর সময়ে তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় লিখতে পছন্দ করেন হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সাহিত্যকর্মেও ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছেন। একজন নবাগত কবি হিসেবে তাঁর রচনাশৈলী প্রশংসার দাবিদার। তিনি একাধারে বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন। এর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো ‘ফুলের ভোমর’, ‘অপার প্রকৃতি’ এবং ছড়া-গানে মিশ্রিত ছোটদের জন্য ‘ইচ্ছেডানা’ নামক শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ। ‘গানে ইসলামের ভুবন’ নামেও একটি ইসলামিক কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন। কবির ‘ফুলের ভোমর’ কাব্যগ্রন্থটি পাঠক জনপ্রিয়তার শীর্ষে বলা যেতে পারে। বর্তমানে ‘বর্ণালী ভুবন’ নামে অনন্য সৃষ্টি একখানি কাব্যগ্রন্থ অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশ করতে যাচ্ছেন যেটি পাঠকমহলে যথেষ্ট প্রশংসা কুঁড়াবে বলে কবি আশান্বিত।
পাশাপাশি লিখেছেন তিনটি ছোট গল্পগ্রন্থ। এগুলো হলো ‘গল্পের সম্ভার’, ‘গল্পের রাজ্য’ এবং আত্মস্মৃতির আলোকে লেখা ‘স্মৃতির আড়ালে বাবা’ নামক গল্পগ্রন্থ। বাস্তবতার আলোকে কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন তিনি। উপন্যাসগুলো হলো ‘ক্যান্টনমেন্টের সেইসব দিন’, ‘নীলচে মায়া’, ‘প্রকৃতির সান্নিধ্যে মানব-জীবন’, ‘পাত্রী যা-চাই’ এবং ‘বিশুদ্ধ মনের অশুদ্ধ প্রকাশ’। আধুনিক এই সাহিত্যিক মূলত তাঁর চিন্তাশক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন লেখালেখিতে যা সাহিত্যঅঙ্গণে খুবই সুচারুভাবে প্রকাশ পেয়েছে।