১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ তাআলার জন্য, যিনি মানুষের অন্তরে সৃষ্টিশীলতার আলো জ্বালিয়ে দেন। আমার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ “বনভূমি”-এর অধিকাংশ পদ্য বাস্তব জীবনের অনুভূতি, অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামের প্রতিফলন। পাঠকের হৃদয়ে যদি আমার লেখাগুলো স্পর্শ করতে পারে, যদি কেউ নিজের আবেগের সঙ্গে আমার কাব্যের কোনো এক বিন্দু মিল খুঁজে পায় -তাহলেই আমার পরিশ্রম সার্থক হবে। লেখালেখির পথ ছিল দীর্ঘ, বিচিত্র, কখনো ক্লান্তিকর; তবুও শব্দের প্রতি ভালোবাসা আমাকে এগিয়ে যেতে সাহস জুগিয়েছে। এই কাব্যগ্রন্থে প্রেম, প্রকৃতি ও জীবনের নানান দিককে কেন্দ্র করে কবিতাগুলো রচিত। অনুভূতি, কল্পনা, আবেগ -এই তিনের সমন্বয়ে আমি প্রতিটি কবিতার রূপ সাজানোর চেষ্টা করেছি। আমার লেখার স্বভাব, শৈলী ও ভাবনাগুলো পাঠকের কাছে যদি সুন্দরভাবে পৌঁছে যায়, তাতেই আমি আনন্দ পাই। বাংলা সাহিত্যে আমি একজন অত্যন্ত সাধারণ ও উদীয়মান কবি।
শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক ক্লান্তির কারণে একসময় লেখালেখি থেকে দূরে সরে যেতে হয়েছিল। সংসারের টানে গার্মেন্টস কর্মজীবনে অধিক সময় ব্যয় করতে হয়েছে। তবুও সুস্থতার পর, যখনই কিছু সময় পেয়েছি, তখনই আবার শব্দের জগতে ফিরে এসেছি। লেখালেখি আমার নেশা, আমার ভালোবাসা, আমার শান্তি। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতেও জীবনের বাকি সময় লেখার সঙ্গেই কাটাতে চাই -ইনশাআল্লাহ।
প্রকাশনার ক্ষেত্রে ইচ্ছাশক্তি প্রকাশনী এবং নাছিম ভাইয়ের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাদের সহযোগিতা ও উৎসাহ আমাকে নতুন পথচলার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
সবার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ- আমার জন্য দোয়া করবেন যেন সত্য ও ন্যায়ের পথে আমার কলম অবিচল থাকে। লেখায় যদি কোথাও বানান বা ভাষাগত ভুল থাকে, তবে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সংশোধনের সুযোগ দেবেন -এই প্রত্যাশা রাখি।
কবি রোমান মিয়া জন্মগ্রহণ করেন ১লা নভেম্বর ১৯৯৪ সালে, বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার লাউফুল গ্রামে। তাঁর পিতা সারোয়ার জাহান (চান মিয়া) এবং মাতা আম্বিয়া বেগম। শৈশবকাল থেকেই তিনি সাহিত্য, কবিতা ও প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতি গভীরভাবে অনুরাগী ছিলেন। গ্রামের খোলা মাঠ, নদী-খাল, গাছপালা আর সাধারণ মানুষের জীবনযাপন তাঁর মনে গভীর ছাপ ফেলে, যা পরবর্তীতে তাঁর লেখালেখির প্রধান অনুপ্রেরণায় পরিণত হয়।
তিনি তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা করেন বারহাট্টা সি.কে.পি. সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরবর্তীতে অতিথপুর আব্বাছিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার ফলে তাঁর কবিতা ও লেখায় বারবার ফিরে আসে বাংলার গ্রামের প্রকৃতি, মানুষের সুখ-দুঃখ, সংগ্রাম ও আবেগঘন জীবনচিত্র। তাঁর লেখার ভাষা সহজ-সরল, তবে গভীর অনুভূতিপূর্ণ। প্রকৃতির প্রতি মমতা, মানবিক বোধ এবং অন্তর্দর্শন তাঁর কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বর্তমানে কবি রোমান মিয়া তাঁর পাশের গ্রাম গোড়াউন্দে বসবাস করছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি এক কন্যাসন্তানের পিতা। তাঁর কন্যার নাম আনিশা তাহসিন আফরা, যাকে তিনি নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচনা করেন। আফরাকে ঘিরে তাঁর অনেক লেখায় ভালোবাসা, স্বপ্ন এবং আশার প্রতিফলন দেখা যায়।
কর্মজীবনে তিনি তামিশনা গ্রুপে একজন চাকরিজীবী হিসেবে যুক্ত আছেন। কর্মব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং লেখালেখিকে নিজের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধারণ করেছেন। কবি রোমান মিয়ার স্বপ্ন বাংলার গ্রামীণ জীবনের না বলা গল্প, মানুষের হৃদয়ের গভীর অনুভূতি এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে শব্দের মাধ্যমে পাঠকের সামনে আরও আন্তরিক ও জীবন্তভাবে তুলে ধরা।