১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
আরো দেখুন
১০% ইনস্ট্যান্ট ক্যাশব্যাক পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে বই ও পণ্যে বিকাশে মাত্র ৬০০৳+ পেমেন্টে সর্বোচ্চ ১০০৳ পর্যন্ত! পুরো ক্যাম্পেইনে ক্যাশব্যাক পাবেন ১৫০৳ পর্যন্ত!*
অনলাইন বাণিজ্য মেলায় আপনার পছন্দের পণ্যে ৭৫% পর্যন্ত ছাড়! বছরের শুরুতেই সেরা ডিল, রকমারি অনলাইন বাণিজ্য মেলা, ২০২৬
প্রি-অর্ডারের এই পণ্যটি 01 Feb 2026 তারিখে প্রকাশ পেতে পারে বলে প্রকাশনী থেকে জানানো হয়েছে। তবে বিশেষ কোন কারণে প্রকাশিত হওয়ার তারিখ পরিবর্তন হতেও পারে.
একজন কবি যখন তাঁর লেখাতে মনের পূর্ণ অভিব্যক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফুটিয়ে তুলতে চান, তখন তাঁর কল্পনায় ভেসে ওঠে সপ্তবর্ণের বর্ণিল তুলির রঙময় ছোঁয়া। মনের মাধুরী মিশিয়ে অন্তগৃহে সুন্দর একটা জগৎ সৃষ্টি যার প্রধান লক্ষ্য। হৃদয়গৃহের সংস্পর্শে কবি মনের অনুভূতিগুলো একসময় ভিন্ন ভিন্ন রূপে ছন্দবদ্ধ পদে কাব্যিক সুরমোহনা দান করে পাঠক হৃদয়তন্ত্রে। আর এই অনুভূতির সঞ্জারণে ফুটে ওঠে বিশাল থেকে বিশালতর স্মৃতিকথার ঝুড়ি। আপন ভুবনের ক্ষুদ্র থেকে বৃহত্তর হাজারও সৃষ্টিকথা। বিশ্বজগতের অপারতায় নাম না জানা মহৎ কিছু জানার ইচ্ছা। আর এই জানার প্রকাশ ঘটে মহৎ কোনো কাব্যে।
‘বর্ণালী ভুবন’ কাব্যগ্রন্থখানি সপ্তবর্ণের রঙছোঁয়াতে কবির মহৎ সৃষ্টি। এর প্রতিটি কবিতা রংধনুর ন্যায় ভিন্ন ভিন্ন রং-তুলিতে আঁকা। এর ভাষা ও রচনাশৈলী কবিতা বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকের হওয়ায় ভিন্ন ভিন্ন রসের আস্বাদ পাওয়া যায়। হাসি, আনন্দ, সুখ, দুঃখ আর বেদনা ভরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুভূতিগুলো ‘বর্ণালী ভুবন’ কাব্যের প্রতিটা কবিতার প্রাণশক্তি। এতে আরো বিদ্যমান রয়েছে ভিন্ন রকম মায়া, ভিন্ন স্বাদের আমেজ এবং ভিন্ন রকম আবেগ যা কবিতার ছন্দলোকে দারুণ অনুভূতির সৃষ্টি করে।
আমাদের এই রঙময় পৃথিবী যতদিন সতেজতায় পূর্ণ থাকবে, ততদিন মানবজীবনও বর্ণিল রঙের ছোঁয়ায় আলোকিত হয়ে থাকবে। ধূসরতা যার কখনও স্থায়ীরূপ হতে পারবে না। প্রাকৃতিক নিষ্ঠুরতাও বর্ণ মাঝে কোনো রূপ মলিনতার ছায়া ফেলতে পারবে না। বরং দিবসের শুরুতে সূর্যের সোনালি আভা বর্ণনেশায় রক্তিম লালে রঞ্জিত হয়ে শেষ প্রহরে গোধূলির ছায়াঘন ধূসরতায় মলিন দেখাবে। সদ্য ফোটা সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিও একসময় হলদে ছোঁয়ায় সবুজকে ঢেকে দেবে অপর এক বর্ণশোভায়। প্রকৃতির প্রতিটি বর্ণ ঠিক এভাবে আপন গরিমায় সজীবতা থেকে মলিনতা, মলিনতা থেকে ধূসরতার মধ্য দিয়ে বর্ণময় পৃথিবীকে ভিন্ন রকম বর্ণশোভায় পরিণত করছে যা কবি মনকে রঙ্গমঞ্চের ন্যায় বিশাল সাহিত্য সৃষ্টির প্রতি আকর্ষিত করে তোলে। সামান্যতে কবি মনে কবিতা তৈরির প্রয়াস ঘটায়। কবিতা তৈরির ক্ষেত্রেও নতুন নতুন ভাবের উম্মেষ ঘটিয়ে পদের পর পদ সাজাতে আগ্রহী করে তোলে। ‘বর্ণালী ভুবন’ কাব্যগ্রন্থখানি মূলত বর্ণিল জগতের সৌন্দর্যমন্ডিত ভাব প্রকাশক ছন্দময় কাব্যকথার মালা।
কবি রোকসানা পারভীন কুমিল্লা জেলার ক্যান্টনমেন্ট অন্তগর্ত রূপসাগর পার্ক এলাকার দক্ষিণাস্থ সরকারি কোয়ার্টারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাবার চাকরির সুবাদে শৈশব-কৈশোরের দীর্ঘ সময় অনাবিল আনন্দের সাথে ক্যান্টনমেন্টের শান্তিপূর্ণ নির্মম পরিবেশে কাটিয়েছেন। তাঁর পিতা মরহুম মো. রুহুল আমিন। তিনি আঞ্চলিক অর্থ-নিয়ন্ত্রক হিসেবে কর্মজীবন পার করেছেন কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায়। তাঁর মা একজন গৃহিণী। কবি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড গার্লস হাইস্কুল (কুমিল্লা বোর্ড) থেকে এসএসসি এবং ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ (কুমিল্লা বোর্ড) থেকে এইচএসসি পাস করেন। অতঃপর কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে বিএ (অনার্স), এমএ (বাংলা) অধ্যায়ন শেষে বর্তমানে স্বনামধন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন।
কর্মজীবনের অবসর সময়ে তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় লিখতে পছন্দ করেন হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সাহিত্যকর্মেও ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছেন। একজন নবাগত কবি হিসেবে তাঁর রচনাশৈলী প্রশংসার দাবিদার। তিনি একাধারে বেশ কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেছেন। এর মাঝে উল্লেখযোগ্য হলো ‘ফুলের ভোমর’, ‘অপার প্রকৃতি’ এবং ছড়া-গানে মিশ্রিত ছোটদের জন্য ‘ইচ্ছেডানা’ নামক শিশুতোষ কাব্যগ্রন্থ। ‘গানে ইসলামের ভুবন’ নামেও একটি ইসলামিক কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন। কবির ‘ফুলের ভোমর’ কাব্যগ্রন্থটি পাঠক জনপ্রিয়তার শীর্ষে বলা যেতে পারে। বর্তমানে ‘বর্ণালী ভুবন’ নামে অনন্য সৃষ্টি একখানি কাব্যগ্রন্থ অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ প্রকাশ করতে যাচ্ছেন যেটি পাঠকমহলে যথেষ্ট প্রশংসা কুঁড়াবে বলে কবি আশান্বিত।
পাশাপাশি লিখেছেন তিনটি ছোট গল্পগ্রন্থ। এগুলো হলো ‘গল্পের সম্ভার’, ‘গল্পের রাজ্য’ এবং আত্মস্মৃতির আলোকে লেখা ‘স্মৃতির আড়ালে বাবা’ নামক গল্পগ্রন্থ। বাস্তবতার আলোকে কয়েকটি উপন্যাসও রচনা করেছেন তিনি। উপন্যাসগুলো হলো ‘ক্যান্টনমেন্টের সেইসব দিন’, ‘নীলচে মায়া’, ‘প্রকৃতির সান্নিধ্যে মানব-জীবন’, ‘পাত্রী যা-চাই’ এবং ‘বিশুদ্ধ মনের অশুদ্ধ প্রকাশ’। আধুনিক এই সাহিত্যিক মূলত তাঁর চিন্তাশক্তির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন লেখালেখিতে যা সাহিত্যঅঙ্গণে খুবই সুচারুভাবে প্রকাশ পেয়েছে।