User login

Sing In with your email

Email Address
Password
Forgot Password?

Not Account Yet? Create Your Free Account

Send

Recipients:
Message:

Share to your friends

Copy link:

    Our Price:

    Regular Price:

    Shipping:Tk. 50

    • Size:
    • Color:
    QTY:

    প্রিয় ,

    সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
    মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?

    Please Login to Continue!

    Our User Product Reviews

    Share your query and ideas with us!

    Customer Reviews

      By MH. ARIF

      20 May 2026 09:52 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      দারুণ একটা বই, সবার পড়া উচিত

      By Md. Mahfuj Alam

      20 Nov 2023 07:34 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      শায়খ আবদুল কাদির জিলানি রাহ. আব্বাসি খেলাফতের আমলে বড়পির হিসেবে যিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেন তিনি হলেন শায়েখ আবদুল কাদির জিলানি রহি.। যিনি মানুষের মাঝে ইসলাহি বক্তব্যের মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষকে আল্লাহর পথে ফিরাতে সাহায্য করেছেন, যাকে অনুসরণ করে দিগবিদিকে বিভিন্ন জায়গায় আলেমেরা মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছেন তিনি হলেন শায়েখ জিলানি। শায়েখ জিলানিকে নিয়ে জানতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য এই বইটি অন্যতম।

      By Abu Muhammad

      20 Nov 2023 02:46 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      বাজারে শায়খ আবদুল কাদির জিলানি রহিমাহুল্লাহকে নিয়ে বই আছে বেশকিছু, তবে আফসোসের বিষয় প্রায় সবগুলোই মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া কিচ্ছা কাহিনী দিয়ে ভরপুর। এসবের ভিড়ে এমন একটা অথেনটিক বইয়ের খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। আল্লাহ আপনাদের উপর রহম করুন। শায়খের সম্পর্কে যারা অথেনটিক তথ্য জানতে চায় তাদের জন্য এই বইটি অবশ্যপাঠ্য...

      By hadaya tullah

      12 Nov 2023 12:14 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      অতি ছোটবেলা থেকেই একটা নাম হৃদয়ে গেথে আছে পাথরে খোদাই করা লিপির মত, বড়পির আব্দুল কাদির জিলানি রাহি.। ওয়াজে, বিভিন্ন বই পুস্তকে সবচে বেশি বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে আমার মনে হয় এই মহান সাধককেই। অনেকদিন যাবত তালাশ করছিলাম নির্ভরযোগ্য কোনো লেখক তাঁর ব্যাপারে কিছু লিখেছেন কি না। সবশেষে এই বইয়ের সন্ধান পাই। শায়খ রাহি. কে জানার জন্য কোনো ধরণের বানোয়াট গল্পকাহিনি ছাড়া এটা ছাড়া আর কোনো বই বাজারে আছে বলে আমার জানা নাই। যারা শায়খকে জানতে আগ্রহী তারা অবশ্যই এই বইটিই পড়বেন।

      By আবু লাবীব

      31 Oct 2023 01:02 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      আবদুল কাদির জিলানি—বড়পির হিসেবে পরিচিত দীনের এই মহান দায়িকে ঘিরে সমাজে তৈরি হয়েছে নানান কথকতা। বিশ্বময় ছড়িয়েছে তাঁর জীবন ও বয়ানের ভুলভাল ব্যাখ্যা। গ্রন্থটি পাঠকের সামনে স্পপষ্ট করবে এই কিংবদন্তি শায়খের জীবনের সমূহ বাঁক। আকিদা, তাসাওউফ ও পির-মুরিদি সম্পর্কে তাঁর অবস্থান ও বক্তব্য।

      By বইপড়ুয়া

      29 Oct 2023 09:16 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      আবদুল কাদির জিলানিকে নিয়ে এত বানোয়াট গল্প-কাহিনি আমাদের সমাচে প্রচলিত। বইয়ে তার ছিটেফোঁটাও নেই। এটাকেই বলে মনে হয় বিশুদ্ধ ইতিহাস।

      By Manajir Ahsan Jamil

      26 Oct 2023 03:18 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      অসাধারণ একটি বই। যতবার পড়েছি, মুগ্ধ হয়েছি। মহান এই মনীষীর জীবনী নতুন করে জানা হলো। অনুবাদ, ভাষা, বানান, ছাপা; এককথায় সবই সেরা হয়েছে। পাঠক ঠকবেন না। রেটিং হিসেবে ৫ এর মধ্যে আমি ৫ই দিলাম।

      By Nayeem

      22 Oct 2023 10:57 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      একজন আল্লাহওয়ালা মানুষের জীবনী যার বিষয়ে আমারদের সমাজে বহু ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। আশা করা যায় এই বইয়ের মাধ্যমে উম্মাহর এই মহান আলিমের বিষয়ে অনেকে বিশুদ্ধ জ্ঞান অর্জন করতে পারবে।

    • Was this review helpful to you?

      or

      আল্লামা কাদের জিলানী ছিলেন আকিদাহ এর ইমাম।উনার আকিদা ছিল "পাশ্চাত্য বিভ্রান্ত" দ্বারা অমিশ্রিত।কিন্তু কালান্তর এর অর্থ ঘুরিয়ে দিচ্ছে নিজেদের যুক্তি এর আলোকে।

      By Akram Hossain

      04 Oct 2023 02:18 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      karo jiboni porte khob valo lage kinto .at akta amoler voi ja pole khob valo habe

      By Md Amdadullah Tafhim

      03 Jul 2021 04:41 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      বইঃ আবদুল কাদের জিলানি লেখকঃ ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি ■ প্রাক-কথনঃ ভারতীয় উপমহাদেশে যে সুফি-সাধকের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয় তিনি শায়েখ আবদুল কাদের জিলানি র.। একজন সৎ, নির্ভীক ও উচ্চ মনোবল সম্পন্ন সমাজ সংস্কারক। সমাজ সংস্কারকমূলক গণদাওয়াত, ওয়াজ-নসীহত ও আত্নশুদ্ধির মেহনত করে নতুন মানসপটে জাগিয়ে তুলতেন ঈমানী চেতনা ও আল্লাহ প্রদত্ত বিধানাবলী মেনে চলার অদম্য স্পৃহা। মানুষের হৃদয়কাননে গেঁথে দিতেন আল্লাহ প্রেমের অমিয়সুধা। সঠিক ও প্রকৃত জ্ঞানার্জন ও ইবাদাতের বিশুদ্ধ ও নির্ভেজাল তরিকায় উম্মাহকে উদ্ধুদ্ধ করতেন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের প্রতিযোগিতায়। কতক অজ্ঞ ও জাহেলদের মাধ্যমে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে কল্পিত, বানোয়াট জীবনকথা। ফলে জনমনে দানাবেঁধেছে সংশয় ও সন্দেহের বীজ। এ বিষয়টির প্রতি লক্ষ রেখে আবদুল কাদের জিলানি র. এর জীবনী গ্রন্থের প্রয়োজন ছিল সময়ের অপরিহার্য দাবী। আর সে দাবীর বাস্তবিক রুপ ড. আলী মুহাম্মাদ সাল্লাবি রচিত ও কালান্তর প্রকাশনীর শ্রমলব্ধ প্রচেষ্টা "আবদুল কাদের জিলানি" বইটি। ■ বিষয়বস্তুর নিরিখে- ছোট কলেবরের এই বইটির নাম থেকেই বিষয়বস্তু পরিস্কার হয়ে যায়। আবদুল কাদের জিলানি র. এর জীবন ও কর্ম নিয়ে বইটি নয়টি অধ্যায়ে বিভক্ত। যে বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে তার সংক্ষিপ্তসার- • শুরুর দিকে বইটিতে তাঁর নাম,বংশ, জ্ঞান অন্বেষণে সফর ও তাঁর শায়েখদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তাঁর আকিদা-বিশ্বাস ও আকিদা বিশ্লেষণ পদ্ধতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা স্থান পেয়েছে। • সহজ-সাবলীলভাবে বোধগম্য ভাষায় ঈমান, কবিরা গুনাহ, তাওহিদে উলুহিয়্যাহ, রুবুবিয়্যাহ, ইবাদাত কবুলের শর্তাদি ও তাওহীদ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তাঁর অবস্থান পরিস্কার করা হয়েছে। • ইসলামে বিদ'আতের নিন্দা ও ভয়াবহতা ,কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপনের গুরুত্ব, দ্বীনি বিষয়ে নেতৃত্বশীলদের আনুগত্য বিষয়ক অবস্থান, তাসাউফের মর্ম ও তাৎপর্য, আধ্যাত্মিক চর্চা-সাধনা, বিশুদ্ধ জ্ঞানার্জন ও তদানুসারে আমলের গুরুত্বারোপের বিস্তারিত আলোচনা স্থান পেয়েছে। • 'কাদেরিয়া তরিকা' প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট এবং যে বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্য অন্যান্য তরিকা থেকে 'কাদেরিয়া তরিকা' আলাদা তা আলোচনার পাশাপাশি তরিকার উসুল ও মূলনীতি, ইসলামি শিক্ষা ও শিষ্টাচার এবং শায়েখ প্রণীত মুরিদের শিষ্টাচারনীতির বিশদ ব্যখ্যা এবং তাঁর সমাজ সংস্কার মূলক কাজগুলোর পর্যাপ্ত আলোচনার মাধ্যমে বইটি পূর্ণতা লাভ করেছে। ■ বইটি কেন পড়া অতীব জরুরিঃ ড. আলী সাল্লাবির অধ্যয়ন ও গবেষণার অনুপম সার-নির্যাস সম্পন্ন এই বইটি থেকে পাঠক জানতে পারবেন একজন পীর কেমন হওয়া উচিত এবং মুরিদের সাথে ভক্ত বা মুরিদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত। এছাড়াও, সত্যিকারার্থে দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি বলতে কি বোঝায়, আল্লাহকে পেতে হলে কি পরিমাণ ও কি ধরণের চেষ্টা মুজাহাদা প্রয়োজন তা সম্পর্কে পাঠক সম্যক ধারণা লাভ করবে। সর্বোপরি, একজন সহিহ আকিদাধারী বিশুদ্ধ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলার প্রত্যয় খুঁজে পাবেন প্রতিটি পাঠক। ■ লেখক সম্পর্কে কিছু কথাঃ জীবন ও কর্ম বিষয়ক বক্ষমান গ্রন্থটির লেখক প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ, কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ জ্ঞানের অধিকারী, সালাফগনের বক্তব্যের আবেদন ও প্রকাশশৈলী রক্ষায় তৎপর ড. আলি মুহাম্মাদ সাল্লাবি। যারা তাঁর বইপত্রের সাথে পরিচিত তারা জানেন গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে অন্যসব বিষয়ের থেকে তিনি প্রাধান্য দেন তথ্য ও প্রমাণাদির সন্নিবেশের ক্ষেত্রে। ফলে তাঁর গ্রন্থগুলোতে প্রকাশিত হয়ে উঠে তথ্যবহুল ও বাহুল্যবর্জিত সর্বাঙ্গীন ও সুন্দররুপ। তেমনি একটি যুগান্তকারী একটি বই 'আবদুল কাদের জিলানি'। ■ বইটির বেশ কিছু দিকঃ • তথ্যসমৃদ্ধ ও বাহুল্যবর্জিত। • প্রয়োজনীয় রেফারেন্স সমৃদ্ধ। • ছোট কলেবরে হলেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদিতে অত্যন্ত প্রভাব সৃষ্টিকারী। ■ ব্যক্তিগত অনুভবের অনুসিঞ্চনঃ শিক্ষাব্যবস্থায় বাধ্যতামূলকভাবে অনেক বিজ্ঞ মনিষীদের (ল্যালিন,স্টালিন,কাল মার্কস, সক্রেটিস,আইনস্টাইন ইত্যাদি) জীবনী ও কৃতিত্ব আমরা পড়ে থাকি। কিন্তু সেগুলো থেকে শিক্ষালাভ এবং জীবনে প্রয়োগযোগ্য তথ্যের সমাহার খুব কমই পরীলক্ষিত হয়। কিন্তু শরীয়াত ও তরীকতের উচ্চমার্গীয় ব্যক্তি হিসেবে আবদুল কাদের জিলানি র. এর জীবন ও কর্ম বিষয়ক বইটি ব্যক্তিগত ভাবে একজন আদর্শ মানুষ হতে, বিশুদ্ধ আকিদা ও আখলাক অর্জনে যথেষ্ট অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। ■ শেষ কথাঃ দুনিয়া বিমুখতার মূর্তপ্রতীক আবদুল কাদের জিলানি র. ছিলেন সমকালীন আলেমদের মধ্যে মর্যাদায় অনন্য ও অতুলনীয়। তাঁর জীবন ও কর্মের প্রত্যেক পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য ও অগুনিত মুক্তোঝরা উপদেশাবলি। দুনিয়া প্রীতি ও অন্তরের অসুস্থতা পরিহার করে আবদুল কাদের জিলানি র. এর জীবন থেকে অমূল্য নসিহাহ নিয়ে দ্বীন ও দুনিয়া সাজানোর অপরিসীম প্রত্যয় নিয়ে সুখপাঠ্য এই বইটি পড়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে শেষ করছি।

      By Shihab Uddin

      27 Nov 2023 06:58 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      শায়খ আবদুল কাদির জিলানি রাহ. ছিলেন একজন ইতিহাস-বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, বড় আলিম ও সমাজসংস্কারক। তিনি ছিলেন শরিয়ত ও তরিকতের উচ্চমার্গীয় একজন ব্যক্তি। ছিলেন কুরআন-সুন্নাহর একনিষ্ঠ অনুসারী বিদআতমুক্ত সমাজ- সংস্কারক। তিনি সর্বদা চেষ্টা করেছেন কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিসের আলোকে উম্মাহকে পরিশুদ্ধ করতে। উম্মাহকে ধর্মীয় শিক্ষা-দীক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি সব সময় সামনে রেখেছেন কুরআন ও বিশুদ্ধ হাদিস এবং সালাফগণের বক্তব্য, যার বিস্তারিত বিবরণ আপনারা এই বইয়ে পাবেন।

      By MOHAMMAD RAKIBUL ISLAM

      04 Jul 2021 12:54 PM

      Was this review helpful to you?

      or

      #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা শায়খ আবদুল কাদির জিলানি (রহ)।ইসলামের আকাশে প্রজ্জলিত এক তারাকাসদৃশ মনীষীর নাম।শায়খের নাম জানেনা এরকম মানুষ বাংলার জমিনে নেই।বাংলায় যার পরিচিতি বড়পীর নামে।তার নামে সমাজে প্রচলিত রয়েছে আজগুবি, বানোয়াটি কিছু কথা।তন্মধ্যে কিছু বক্তব্য এমন রয়েছে যেগুলো আপনার ঈমান ধ্বংসের জন্য যথেষ্ঠ।ইউটিউবে যদি আপনি আবদুল কাদির জিলানি কারামত লিখে সার্চ দেন তাহলে আপনার স্ক্রিনজুড়ে ভেসে উঠবে হাজারো বানোয়াটি কিচ্ছা যেগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।বাজারে পাওয়া যাই তার জীননি নিয়ে রচিত এমন সব বই যেখানে তার সম্পর্কে বিদ্যমান রয়েছে হাজারো ঈমান বিধ্বংসী তথ্যাবলি।সেইসব বাজারি বইয়ের ভীড়ে শায়খের জীবনে সম্পর্কে জানার জন্য সহিহ কোনো বই পাওয়া বড় দায়।বাংলায় মনীষীদের সহিহ জীবনী নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে তন্মধ্যে কালান্তর প্রকাশনী অন্যতম।শায়খ আবদুল কাদির জিলানি (রহ) জীবনি নিয়ে ডা.আলি মুুহাম্মদ সাল্লাবীর রচিত কিতাবটিকে বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য অনুবাদ করে প্রকাশ করে কালান্তর।শায়খের জীবনি নিয়ে আমার আগে থেকেই৷ পড়ার ইচ্ছে ছিলো। তাই বইটিও নিয়েও নিলাম।আর বইটির উপস্থাপনা সম্পর্কে কিছু বলার নেই।ডা.আলি মুহাম্মদ সাল্লাবী সবার মাঝে পরিচিত তার ইতিহাসকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিবরণ দিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য।আর তার গতানুগতিক সেই ধারা থেকে বাদ পড়েনি এই গ্রন্থটিও।খুবই সাবলীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে শাায়খের জীবনিকে। আমমাাদের সমাজে শায়খকে নিয়ে এক ধরনের ভাবনা কাজ করে যে শায়খের দীনদারিত্ব শুধু কারামতের মধ্যে সীমাবদ্ধ।হ্যা অবশ্যই তার অসংখ কারামত ছিলো যে ব্যাপারে বলেছেন ইমাম ইজ্জুদ্দিন আবদিস সালাম (রহঃ) ও ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রহঃ)।কিন্তু আমাদের সমাজে কেউ তার শানে কথা বলতে গিয়ে বলেনা যে তার গুণাবলি এমন ছিলো বা তিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী ছিলেন বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি বলে উঠতেন৷ সবাই তার কারামত বর্ননা করে তার দীনদারিত্বকে প্রমাণ করতে চাই। যার মধ্যে হাজারো৷ কথা কারামতের নামে এমন থাকে যেগুলো বিশ্বাস করলে সে আর যাই হোক মুমিন থাকতে পারেনা। আর তার সেই গুণাবালি সম্পর্কে জেনে তা আমাদের জীবনে বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিয়েছে কালান্তর।কালান্তরের এই গ্রন্থটিতে রয়েছে শায়খের ছোট থেকে শায়খ আবদুল কাদির৷ জিলানি হয়ে উঠার ইতিহাস।রয়েছে জ্ঞান অর্জনের জন্য তার দেওয়া ত্যাগের কথা।রয়েেছে শাসকের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদের কথা।এছাড়া তার শিক্ষাজীবন সম্পর্কে বিস্তারিত রয়েছে।তার কিছু শিক্ষকদেরও বর্ণনা এই বইটিতে বিদ্যমান রয়েছে। কেন এই বইটি পড়বেনঃ ১)এতে কোনো অতিরঞ্জিত কথাবার্তা কিংবা ভিত্তিহীন বর্ণনা ঠাঁই পাইনি ২)খুবই সাবলীলভাবে এই গ্রন্থটি উপস্থাপন করা হয়েছে ৩)শায়খের বিশুদ্ধ জীবন জেনে তার নামে প্রচলিত ভ্রান্ত বর্ণনা থেকে বাঁচতে

      By M Nazmul Islam Biplob

      18 Oct 2020 12:45 AM

      Was this review helpful to you?

      or

      আমরা যারা আমেরিকান পুঁজিবাদের সময়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত তারা সাধারণত পীর শব্দটা শুনলে নাক ছিটকায়ে থাকি ভাবি যত্তসব ভন্ড। বড় পীর শায়খ আবদুল কাদির জিলানি। এ দেশে বহুল পরিচিত, আলােচিত ও চর্চিত নাম। তার নাম শুনেনি এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে। তাকে নিয়ে সমাজে ছড়িয়ে আছে অনেক কল্পকাহিনি। এমনও কিছু কথা প্রচলিত আছে, যেগুলাে বিশ্বাস করলে ইমান ভঙ্গের কারণ হতে পারে। জহির রায়হানের যে বাংলায় আমার শৈশব কেটেছে সেখানে একটা প্রবাদ ছিল বড় পীরের নাম নিলে থুতু ফেলতে হবে না হলে মাথা কেটে পরে যাবে। আমার অবুঝ মন না বুঝে কয়বার নাম নিয়ে থুতু ফেলে দেখেছে মাথা কেটে পরেনা। সর্ব কালের অন্যতম সেরা এ আলেমের নামে এমন প্রচলিত কথা কিভাবে সৃষ্টি হল তা অবশ্যই গবেষণার দাবি রাখে। ইবনু তাইমিয়া বলেন, ‘আবদুল কাদির জিলানি ছিলেন তার যুগে সবচেয়ে বেশি শরিয়তানুরাগী, সৎকর্মে আদেশদাতা ও অসৎকর্ম হতে বাধা প্রদানকারী এবং নিজের রুচি ও চাহিদার চেয়েও শরিয়তকে অগ্রাধিকার প্রদানকারী শায়খদের অন্যতম। সর্বদা তিনি প্রবৃত্তির চাহিদা দূরে ঠেলে আল্লাহর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতেন। ইবনু রজব আলি শাহ আবদুল কাদির জিলানি সম্পর্কে লিখেন, তিনি ছিলেন জমানার নাম, তার আদর্শ, শায়খদের বাদশাহ, সমকালে তরিকতের মেহনতের পুরােধা ব্যস্ত। দীনের পুনরুজ্জীবন দানকারী, উচ্চ মর্যাদার অধিকারী, কারামতওয়ালা দীনি ইলম ও ধর্মীয় জ্ঞানে অনন্য। কাজি আবু আবদুল্লাহ আল মাকদিসি রাহ. বলেন, আমরা আমাদের শায়খ মুওয়াফফাকুদ্দিন ইবনু কুদামার বক্তব্যে শুনেছি, তিনি বলেন, 'আমরা ৫৬১ হিজরিতে বাগদাদে আসি। সে সময় ইমাম মুহিউদ্দিন আবদুল কাদির জিলানি। এমন একজন ব্যক্তিত্ব, ইলম-আমল-ইখলাস ও ফাতওয়া প্রদানের নেতৃণমা নিকট এসে সমাপ্ত হয়েছিল। অন্য অনেক শায়খের চেয়ে তার নিকট তালিবুল ইলমের সমাগম বেশি ছিল। কারণ, দীনের নানাবিধ ইলম এবং জন্য আত্ম-উৎসর্গকারীদের ভিড় তার নিকট অধিক হওয়া সত্ত্বেও তিনি অত্যন্ত প্রশস্ত-হৃদয় ও সহনশীল চরিত্রের অধিকারী। শায়খ আবদুল কাদির জিলানি বিশেষভাবে শাসকবর্গের কঠিন সমালােচনা করতেন। শরীয়তের অবৈধ বিষয়ে কারও প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন না করার প্রতি জোরালােভাবে নিষেধ করতেন। তিনি কোনাে এক মজলিসে বলেছেন, বর্তমানে রাজাবাদশাহগণ অনেক সৃষ্টিকুলের প্রভু সেজে বসেছে। দুনিয়াদারি, জনবল, ধনবল, শক্ত সামর্থ্য এখন অনেকের প্রভু সেজে বসেছে। এসব আজ তাদের শাসন করছে। হে লোক সকল, তােমরা গৌণ বিষয়কে মূল বানিয়েছ। অন্যের রিজিকের ভিখারিকে ভিক্ষাদাতা বানিয়েছ। নিতান্তই গরিবকে তােমরা ধনী মনে করছ। অক্ষম ব্যক্তিকে সক্ষম মনে করছ। মৃতকে জীবিত ভাবছ। যদি তুমি অত্যাচারী। রাজা বাদশা ও ধনী ব্যক্তিদের সম্মান করাে আর মহান আল্লাহ তাআলাকে ভুলে, তাকে যথাযথ সম্মান না করে, তাহলে তুমি মূর্তিপূজকতুল্য। যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনাে বাছবিচার ছাড়াই শাসকদের সব আদেশ-নিষেধ কার্যকর করে, তিনি তাদেরও কঠিন সমালােচনা করাতেন। কোনাে এক মজলিসে বলেছেন, 'হে আল্লাহর দাস, তুমি আল্লাহ তাআলারই সেবা রত থাকো (অর্থাৎ, তারই ইবাদত করাে), শাসকদের থেকে অনেক দূরে থাকে। তারা তাে তােমার কোনাে উপকার-অপকার করতে পারবে না। তারা তোমাকে কী দেবে? আল্লাহ যা তােমার ভাগ্যে নির্ধারণ করে রাখেননি তা কি দেবে? না। নতুন করে তারা কিছু দিতে পারবে না। নতুন কোনাে কিছু দেওয়ার ক্ষমতা তাদের নেই। যদি বলাে, এই জিনিসটা তাদের নিজের থেকে দেওয়া, তাহলে মুহুর্তের মাধেই তুমি কফির হয়ে গেলে। আবদুল কাদির জিলানি শুধু সর্বসাধারণের মজলিসে শাসকদের সমালােচনা করে ক্ষান্ত হননি; বরং যেখানেই জুলুম নির্যাতন বা বিচ্যুতি-অসংগতি দেখা গেছে, সেখানেই জোরালাে প্রতিবাদ করেছেন। শায়খ আবদুল কাদির জিলানি বর্ণনা করেন, বাগদাদে অবস্থানকালে খুরনুব(কাঁটা ও ঝড় বিশিষ্ট একধরণের গাছ, যার ফল দেখতে আপেলের মত, কিন্তু খেতে কদর্য) সবজির উচ্ছিষ্ট এবং নদীর পাশে উদগত লেটুসপাতা ছিল আমার খাবার। একবার বাগদাদে অস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধির ফলে খাদ্যসংকট দেখা দেয়। তখন একাধারে কয়েকদিন আমার কিছুই খাওয়া হয়নি। সে সময় আমি শহরের নানা স্থানে ফেলে দেওয়া উচ্ছিষ্টগুলাে অনুসন্ধান করে দেখতাম তাতে লেটুসপাতা বা খাওয়ার মতাে কোনাে সবজি আছে কি না! যেখানেই যেতাম দেখতাম আমার মতাে ক্ষুধাতুর অন্য কেউ আগেই তা দখলে নিয়েছে। কখনাে যদি ক্ষুধা নিবারণের মতাে সামান্য কিছু পেয়ে যেতাম তখন অন্যান্য দারিদ্র্যপীড়িত লােকজন আমার চারপাশে ভিড় জমাতাে, ফলে লজ্জায় আমি সেগুলাে রেখে চলে যেতাম। একদিন রাস্তায় পড়েথাকা সবজির সন্ধানে শহরের পথে পথে ঘুরছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে একসময় রাইয়াহিন বাজারে অবস্থিত ইয়াসিন মসজিদে গিয়ে পৌছি। ক্ষুধার তাড়নায় সে সময় আমি অত্যন্ত ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ি। এক-পা হাঁটারও সামর্থ্য ছিল না। নিরুপায় হয়ে মসজিদের এককোণে বসে পড়লাম। মৃত্যু যেন আমার সঙ্গে। সাক্ষাতের জন্য এসেই পড়েছিল। এমন সময় এক যুবক মসজিদে প্রবেশ করল। হাতে তার সুস্বাদু রুটি ও ভুনা গােশত। বেচারা আমার পাশেই বসে খুব মজা করে খেতে লাগল। যতবার সে লােকমা উঠাচ্ছিল ততবার ক্ষুধার জ্বালায় আমার মুখ আপনা-আপনি খুলে যাচ্ছিল। নিজেকে সংযত করলাম আর জিজ্ঞেস করলাম, “এসব কী করছ হে আবদুল কাদির!” আমাকে আমি বললাম, “এখানে আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ নেই। আল্লাহ যদি আমার জন্য মৃত্যুর ফায়সালা করে, তা-ই হবে।” এমন সময় যুবক আমার দিকে তাকাল। সে বলল, “ভাই বলে শরিক হয়ে যান আমার সঙ্গে। প্রথমে আমি খেতে রাজি হলামনা না যুবক আরও বিনয়ের সঙ্গে অনুরােধ করল। তাৰ বারবার অনুরোধে, বসলাম। তখন সে আমাকে প্রশ্ন করতে লাগল, “আপনি কী করেন? কোত্থেকে এসেছেন? আপনার পরিচয় কী?” বললাম, “আমি বাগদাদে এসেছি ইলম অর্জন করতে। জিলান থেকে। তার উচ্ছাসভরা কণ্ঠে যুবক আমাকে বলল, “আমিও তাে জিলান থেকে এসেছি। আচ্ছা আপনি কি আবদুল কাদির নামে জিলানের কাউকে চেনেন?” বললাম, “ভাই আমিই আবদুল কাদির।” আমার কথা শুনে যুবকের চেহারায় এক আনন্দ-আত ফুটে উঠল। কাঙ্ক্ষিত কোনাে বস্তু মিলে যাওয়ার আনন্দে সে যেন নেচে উঠল। যুবক বলল, “আমি যখন বাগদাদ পৌঁছি তখন আমার খরচাপাতির সামান্য অংশে অবশিষ্ট ছিল। আপনাকে আমি তন্ন তন্ন করে খুঁজছিলাম। কিন্তু কেউ আপনার খবর দিতে পারছিল না। এর মধ্যে আমার খরচাপাতি ফুরিয়ে গেল। আপনার জন্য পাঠানাে কিছু মুদ্রা ব্যতীত আর কিছুই সঙ্গে ছিল না। তিন দিন এভাবেই গত হলাে। একপর্যায়ে মনে হলাে, এখন বােধহয় মারা যাৰ। তখন নিরূপায় হরে আপনার জন্য পাঠানাে অর্থ থেকে এই বুটি-গোশত ক্রয় করেছি। এই খাবার আপনারই। আপনি খান। এখন আপনি আমার মেহমান থেকে মেজবান হরে গেছেন!” আশ্চর্য হয়ে আমি বললাম, “তা কী করে হলাে?” যুবক বলল, “আপনার মা আমার নিকট আপনার জন্য আটটি দিনার পাঠিয়েছেন। অসম্ভব সুধায় আক্রান্ত হয়ে তা থেকে কিছু দিয়ে এই রুটি-গােশত খরিদ করেছি। আমাকে ক্ষমা করুন ভাই। আমার জীবন বাঁচানাের আর কোনাে পথ ছিল না।” আমি তাকে শান্ত করলাম, তার প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম। বাকি খাবারটুকু তাকেই খেতে দিলেন। এ ছাড়া সামানা স্বর্ণমুদ্রাও দিয়ে দিলাম, যাতে পথে খরচ করতে পারে। যুবকটি এসব নিয়ে চলে গেল।

    •  

    Recently Viewed


    Great offers, Direct to your inbox and stay one step ahead.
    • You can pay using


    JOIN US

    icon Download App

    Rokomari.com is now one of the leading e-commerce organizations in Bangladesh. It is indeed the biggest online bookshop or bookstore in Bangladesh that helps you save time and money. You can buy books online with a few clicks or a convenient phone call. With breathtaking discounts and offers you can buy anything from Bangla Upannash or English story books to academic, research or competitive exam books. Superfast cash on delivery service brings the products at your doorstep. Our customer support, return and replacement policies will surely add extra confidence in your online shopping experience. Happy Shopping with Rokomari.com!