
User login
Sing In with your email
Send
Our Price:
Regular Price:
Shipping:Tk. 50
প্রিয় ,
সেদিন আপনার কার্টে কিছু বই রেখে কোথায় যেন চলে গিয়েছিলেন।
মিলিয়ে দেখুন তো বইগুলো ঠিক আছে কিনা?
Share your query and ideas with us!
আজকের পর থেকে আমার প্রিয় বইয়ের তালিকায় একদম উপরের দিকে বইটি জায়গা করে নিলো। বাংলা সাহিত্যের যে কয়টি বই না পড়লে পাঠক জীবন অসমাপ্ত রয়ে যায় তার মধ্যে বিভূতিভূষণের আদর্শ হিন্দু হোটেল অন্যতম। বইটি পড়তে যদিও অনেক দেরি হয়ে গেলো তবুও শেষ ভালো যার সব ভালো তার। মাত্র বইটি শেষ করলাম কিন্তু এখনো ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারছিনা। চোখের সামনে যেন দেখছি একহারা চেহারার কালোমতো নিপাট ভালোমানুষ হাজারী ঠাকুর হাতা বেড়ি ঠেলে বেচু চক্কত্তির হোটেলে রান্না করেই যাচ্ছে। ক্লান্তিতে শরীর ভেঙ্গে আসছে তবু হাজারীর স্...See More

অনেক ভালো লেগেছে বইটা পড়ে।মনে হচ্ছিলো শঙ্কর ও আলভারেজদের সাথে আমিও সেইখানে। আলভালেজের মৃত্যুতে অনেক খারাপ লেগেছে। প্রকৃতিতে যে কতো রহস্য লুকিয়ে আছে তা উপলব্ধি করতে পেরেছি।

গল্পটা দুই লেখককে ঘিরে—একজন লিখেন ক্রাইম থ্রিলার, আরেকজন ডিটেকটিভ উপন্যাস। তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বীও বটে। ডিটেকটিভ লেখক সামুকাওয়া কাকতালীয়ভাবে এক অদ্ভুত ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তার ভক্ত সিযুকোর প্রাক্তন প্রেমিক মেয়েটিকে নিয়মিত হুমকি দিচ্ছে। সাহায্যের আশায় মেয়েটি লেখকের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো—সেই প্রাক্তন প্রেমিক আর কেউ নয়, লেখকেরই প্রতিদ্বন্দ্বী! ১৯২৮ সালে লেখা এই সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার বইটির প্রতিটি পরতে পরতে উত্তেজনা ছড়িয়ে আছে। প্রেম কীভাবে হিংস্র হয়ে উঠতে...See More

একবার বিদায় দেয় মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁ সি দেখবে ভারতবাসী। প্রথম বাঙালী বিপ্লবী যার নাম ক্ষুদিরাম। ১৮ বছর বয়সে যার জীবন কেড়ে নেয় ব্রিটিশ সরকার ফাঁ সিতে ঝুলিয়ে। ক্ষুদিরামকে আমরা সকলে চিনি। চিনি সুভাষ চন্দ্র বসু,মাস্টারদা সূর্যসেন। চিনি প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে যার কাহিনী প্রতিটি স্কুলে এখন বলা হয়। কিন্তু আমরা কী অখিল চন্দ্র নন্দীকে চিনি? কিংবা প্রফুল্ল শান্তি ঘোষ, সুনীতি চৌধুরী, প্রফুল্ল নলিনী ব্রহ্ম নামের বিপ্লবী নারীদের? যাদের দিয়ে ভারতবর্ষে প্রথম নারীদের বিপ্লবে অংশ নেওয়ার খ...See More

দুই বাঙালী তরুণ সুরেশ্বর ও বিমল। ভাগ্যান্বেষণ করতে রওনা হয়েছিলেন সাগরপথে। গন্তব্য সিঙ্গাপুর। জাহাজেই দেখা হয় দুজনেরই। আস্তে আস্তে পরিচিত হয়ে উঠেন এবং গন্তব্য পৌছে যান। কিন্তু বাধ সাদলো নিজের বিবেক। ঘটনাক্রমে সেই বিবেকের তাড়নায় ছুটে যান দুইজনই বিধ্বস্ত চীনে রোগীদের সেবা করতে। যেখানে চলছে চীন-জাপান যুদ্ধ(১৯৩৭-১৯৪৫)। জাপান একের পর এক বোমারু প্লেন নীল আকাশকে কালো করে যাচ্ছে চীনের উপর বোমাবর্ষণ করে। বইটা পড়ে মনে হচ্ছিলো কোনো নরকে চলে গিয়েছি আমি। প্রত্যক্ষ যুদ্ধ যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তা পা...See More

লেখিকার সামাজিক জনরার লেখা গুলো অনেক দারুণ।

'অধিলোচন' 'তখনও ডুবেনি পঞ্চমীর চাঁদ' 'পাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না' ' উনসন্ধান' 'পৃথিবীর সব সুর থেমে গেল পর' 'খঞ্জরের খেলাঘর'। আপনারা এই বইটা পড়ার সময় এগুলোর থেকে যেকোনো একটা প্রথমে পড়বেন। একেবারে প্রথম গল্প পড়বেন না। আশাহত হবেন। কিন্তু এগুলোর একটা পড়লে আপনার বাকিগুলো পড়ার ইচ্ছা হবে আরো। বইয়ের সবচেয়ে সেরা গল্প তখনও ডুবেনি পঞ্চমীর চাঁদ'।

দুইটা বাড়ি। সেখানের মানুষজনের পোশাক আশাক, খাবার এক কথায় চাল চলনে আকাশ পাতাল তফাত। কিন্তু সেই দুই বাড়িকে একসাথে করেছে সে মানুষগুলোর ব্যবহার। মঞ্জু আর নিধুর এই সম্পর্কটা একটা সেতুবন্ধন হিসেবে ছিল পুরো সময়। দুদণ্ড গল্প করা প্রতি সপ্তাহের ঐ একটা দিনের জন্য অপেক্ষা, উদ্বেগ সবই যেন বুঝা যাচ্ছিলো প্রতিটা অক্ষরে। গ্রাম্য পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়া মোক্তার লালবিহারীর পরিবারের সাথে নিধিরামের পরিবারের সম্পর্কটা এতো ভালো লেগেছে। অনেক জায়গায় দেখা যায় উল্টো চিত্র। সবলরাই যেন দুর্বলের উপর চড়াও থাকে। ...See More

একমাত্র থ্রিলার উপন্যাস বিভূতিবাবুর। অনেক ভালো লেগেছে পড়ে। মিসমিদের নিয়েও নতুন তথ্য জানতে পেরেছি।

রাত আড়াইটায় শেষ করেছি পড়া। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে তার সাথে বাতাস ও বইছে। রক্ত হিম করা বর্ণনা আর আমার পড়ার পরিবেশ সব মিলিয়ে অসাধারণ লেগেছে। আর অনুবাদ তো সেরা তা বলতে হবে না।





